১০:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাড়তি লাভের আশায় আগাম আলু চাষে ব্যস্ত সময় পাড় করছে

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২৮:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪
  • ৪৬ Time View
blank
blank

মোঃ আসাদ আলী, বোচাগঞ্জ(দিনাজপুর)প্রতিনিধিঃ

বোচাগঞ্জ উপজেলায় ৬নং রণগ্যাও ইউনিয়নের পূর্ব পার্বতীপুর আইনুদ্দিন পাড়ায় এখনো রোপা আমন ধান কাটা-মাড়াই শেষ হয়নি। তবে ফাঁকা হওয়া জমিগুলোতে এখন আগাম আলু চাষ করে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন চাষিরা। তবে এবার অতিরিক্ত উৎপাদন ব্যয়ে এক রকম ঝুঁকি নিয়েই আলু চাষে নামছেন কৃষকরা। গত বছর আলুর ভালো দাম পাওয়ায় এবার বেশ আশা নিয়েই ঝুঁকি নিচ্ছেন তাঁরা। বোচাগঞ্জ উপজেলায় জুড়ে ডায়মন্ড, অ্যাস্টেরিক ও কার্ডিনাল নামে আগাম জাতের আলু চাষ করা হচ্ছে।এ তিন জাতের আলু রোপনের ৫৫-৬০ দিনের মাথায় বিক্রির উপযোগী হয়। এই উপজেলায় ব্রাক-ইয়ন বিভিন্ন এনজিও মাধ্যমে আলু লাগিয়ে থাকে। জানা যায় এ বছর কৃষকেরা বাইরে থেকে আলুর বীজ কিনছেন ৮০-৮৫ টাকা কেজি দড়ে।যা গত বছড়ের তুলনায় বেড়েছে ২৫-৩০ টাকা।এক মৌসুমের আগের হিসেবে এই দাম দ্বিগুণনের বেশি। এছাড়া সারের বস্তা প্রতি দাম বেড়েছে ২০০ টাকা পর্যন্ত। অতিরিক্ত সেচ ও কীটনাশক খরচের ফলে উৎপাদন ব্যয় হচ্ছে ও স্বাভাবিক। আগে যেখানে বিঘা প্রতি উৎপাদন ব্যয় ছিল ৪০ হাজার টাকা। সেই ব্যয় বেড়ে এখন বিঘা প্রতি খবর হচ্ছে ৭০ হাজার টাকা। গত বছরের তুলনায় এবার আলুর দাম বেশি থাকায় আলুর আবাদ বাড়ছে কিছু হারে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

বাড়তি লাভের আশায় আগাম আলু চাষে ব্যস্ত সময় পাড় করছে

Update Time : ০৮:২৮:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪
blank
blank

মোঃ আসাদ আলী, বোচাগঞ্জ(দিনাজপুর)প্রতিনিধিঃ

বোচাগঞ্জ উপজেলায় ৬নং রণগ্যাও ইউনিয়নের পূর্ব পার্বতীপুর আইনুদ্দিন পাড়ায় এখনো রোপা আমন ধান কাটা-মাড়াই শেষ হয়নি। তবে ফাঁকা হওয়া জমিগুলোতে এখন আগাম আলু চাষ করে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন চাষিরা। তবে এবার অতিরিক্ত উৎপাদন ব্যয়ে এক রকম ঝুঁকি নিয়েই আলু চাষে নামছেন কৃষকরা। গত বছর আলুর ভালো দাম পাওয়ায় এবার বেশ আশা নিয়েই ঝুঁকি নিচ্ছেন তাঁরা। বোচাগঞ্জ উপজেলায় জুড়ে ডায়মন্ড, অ্যাস্টেরিক ও কার্ডিনাল নামে আগাম জাতের আলু চাষ করা হচ্ছে।এ তিন জাতের আলু রোপনের ৫৫-৬০ দিনের মাথায় বিক্রির উপযোগী হয়। এই উপজেলায় ব্রাক-ইয়ন বিভিন্ন এনজিও মাধ্যমে আলু লাগিয়ে থাকে। জানা যায় এ বছর কৃষকেরা বাইরে থেকে আলুর বীজ কিনছেন ৮০-৮৫ টাকা কেজি দড়ে।যা গত বছড়ের তুলনায় বেড়েছে ২৫-৩০ টাকা।এক মৌসুমের আগের হিসেবে এই দাম দ্বিগুণনের বেশি। এছাড়া সারের বস্তা প্রতি দাম বেড়েছে ২০০ টাকা পর্যন্ত। অতিরিক্ত সেচ ও কীটনাশক খরচের ফলে উৎপাদন ব্যয় হচ্ছে ও স্বাভাবিক। আগে যেখানে বিঘা প্রতি উৎপাদন ব্যয় ছিল ৪০ হাজার টাকা। সেই ব্যয় বেড়ে এখন বিঘা প্রতি খবর হচ্ছে ৭০ হাজার টাকা। গত বছরের তুলনায় এবার আলুর দাম বেশি থাকায় আলুর আবাদ বাড়ছে কিছু হারে।