
কবিতা বিপ্লব ডাকো,,২৮-১-২৫
লেখক: লিটু আনাম
জাগো বাঙালী জাগো বিপ্লব ডাকো,ছাড়ো হুংকার
জালিমের ইমারত পড়ুক ধ্বসে,জাতি মুক্তি পাক
শোষণ জিঞ্জির গরাদ ভাঙ্গবে আজ জাতি সাম্য ফিরে পাক
জাগো বাঙালী জাগো বিপ্লব ডাকো, ধর হাতিয়ার।
জাতিতে আমরা বাঙালী, নেই’ক রক্তের টানাটানি
বিপ্লব ডাকিছে গণ জুয়ার জাগিবে,যুদ্ধ হবে এখনই।
ধনুক টানিয়া ছুড়িব আজ বিপ্লবের মহা-বান
জালিম আছে যত,আজ তারা স্বমুলে হবে নিশপ্রাণ।
জাগো বাঙালী জাগো বিপ্লব ডাকো, ছাড়ো হুংকার
জাগো বাঙালী জাগো বিপ্লব ডাকো, ধর হাতিয়ার।
এই-তো,সেদিন একাত্তরে,দামাল ছেলেরা স্বাধীনতা দিয়ে গেলো
কেনো সেই স্বাধীনতার,সইছে বাঙালী আজ কুফল বলো?
আবু সায়িদের বুকে গুলি কেনো?নিথর কেনো সেনার দেহ?
ফেলানি কাঁটাতারে ঝুলছে কেনো?কেনো বি ডি আর বিদ্রোহ?
আঠাশ অক্টোবর লগি বৈঠা, কেনো রাজপথ বাঙালীর রক্তে লাল
আন্দলোনে গেছে যে-ছেলেটি,শাপলা চত্বর,কেনো ঘরে ফেরা হলনা তার?
সাগর রুনীর হত্যা কেনো?শহীদ কেনো আবরার?
কেনো মিছিলে বিপ্লবে,বে-অরিশ লাশের পাহাড়?
পুলিশের বন্দুক তাক করা,কেনো আমার বুক জুড়ে?
স্বাধীন দেশে,কেনো নির্বিচারে বাঙালীরা মরে?
এই’তো সেদিন একাত্তরে,দামাল ছেলেরা স্বাধীনতা দিয়ে গেলো
কেনো সেই স্বাধীনতার,সইছে বাঙালী আজ কুফল বলো?
জাগো বাঙালী জাগো বিপ্লব ডাকো, ছাড়ো হুংকার
জাগো বাঙালী জাগো বিপ্লব ডাকো, ধর হাতিয়ার।
তুমি বাঙালী আমি বাঙালী সকলে স্বাধীন-
তুমি আমি কেনো তবে,সংখ্যাগুরু সংখ্যালঘু
ওরা ধর্ম বিকে স্বাধীনতা বিকে,সিংহাসন চায় শুধু
মিছামিছি তুমি আমি করছি গর্ব, আমরা স্বাধীন।
আমার সোনার বাংলায় যারা করছে সৃষ্টি ধর্ম-সঙ্ঘাত
তোমাতে আমাতে যারা করছে সৃষ্টি দাঙ্গার যত।
আমার শত্রু দশের শত্রু যেনো,ওরা দেশের শত্রু মনে রেখো
গর্জে ওঠো বাঙালী,এবার দেশের শত্রু রুখো।
জাগো বাঙালী জাগো বিপ্লব ডাকো, ছাড়ো হুংকার
জাগো বাঙালী জাগো বিপ্লব ডাকো, ধর হাতিয়ার।
উৎসর�
















