১০:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তরুণকে অপহরণ

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৩:১০:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ নভেম্বর ২০২৪
  • ৫০ Time View
blank
blank

শেরপুরে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এক তরুণকে তুলে নিয়ে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে এক তরুণীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোমবার ভোরে ওই তরুণী ও তার বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

অপহৃত তরুণের নাম সুমন মিয়া। সে শেরপুর সদর উপজেলার পৌর এলাকার কসবা বারাক পাড়া (নিমতলা) মহল্লার মো. নজরুল ইসলামের ছেলে এবং শেরপুর সরকারি কলেজের প্রথমবর্ষের শিক্ষার্থী।

অপহরণের এক সপ্তাহ পরও খোঁজ পাওয়া যায়নি সুমনের। পুলিশ সুমনকে উদ্ধারের চেষ্টা করছে।পুলিশ জানায়, গত ৪ নভেম্বর রাতে শহরের কসবা বারেক পাড়া যাওয়ার পথে বাগরাকসা কাজীবাড়ি পুকুরপাড় এলাকা থেকে সুমনকে অপহরণ করা হয়। পরে এ ঘটনায় তার মা-বাবা অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ওই রাতে প্রথমে একটি জিডি এবং পরে শেরপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, সুমন ও ওই তরুণী একই কলেজের শিক্ষার্থী। তারা পাশাপাশি বাড়িতে বসবাস করে। একই কলেজের পড়ার সুবাদে ওই তরুণী সুমনকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সুমন এতে রাজি না হওয়ায় তরুণী ক্ষুব্ধ হয়। গত ৪ নভেম্বর বিকেল ৫টার দিকে সুমন কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে কাজীবাড়ি পুকুরপাড় এলাকায় আরও ২-৩ জন যুবককে নিয়ে জোরপূর্বক সুমনকে একটি সিএনজিতে করে তুলে নিয়ে যায় ওই তরুণী।

ঘটনার দিন সুমন বাড়ি ফিরতে দেরি করায় সুমনের মা-বাবা অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে রাতে প্রথমে শেরপুর সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। পরে অপহরণের বিষয়টি জানতে পেরে রাতেই সুমনের বাবা মো. নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে শেরপুর সদর থানায় অপহরণের একটি অভিযোগ দাখিল করেন।

কিন্তু ঘটনা এক সপ্তাহ পার হলেও সুমনের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পুলিশ সোমবার ভোরে শ্রীবরদীর কাউনেরচর থেকে তরুণী ও বাবাকে গ্রেপ্তার করে।

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুবায়দুল আলম বলেন, ‘পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার বাবা ও মেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপহৃত কলেজছাত্র সুমনকে উদ্ধারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।’এ বিষয়ে শেরপুরে পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তরুণকে অপহরণ

Update Time : ০৩:১০:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ নভেম্বর ২০২৪
blank
blank

শেরপুরে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এক তরুণকে তুলে নিয়ে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে এক তরুণীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোমবার ভোরে ওই তরুণী ও তার বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

অপহৃত তরুণের নাম সুমন মিয়া। সে শেরপুর সদর উপজেলার পৌর এলাকার কসবা বারাক পাড়া (নিমতলা) মহল্লার মো. নজরুল ইসলামের ছেলে এবং শেরপুর সরকারি কলেজের প্রথমবর্ষের শিক্ষার্থী।

অপহরণের এক সপ্তাহ পরও খোঁজ পাওয়া যায়নি সুমনের। পুলিশ সুমনকে উদ্ধারের চেষ্টা করছে।পুলিশ জানায়, গত ৪ নভেম্বর রাতে শহরের কসবা বারেক পাড়া যাওয়ার পথে বাগরাকসা কাজীবাড়ি পুকুরপাড় এলাকা থেকে সুমনকে অপহরণ করা হয়। পরে এ ঘটনায় তার মা-বাবা অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ওই রাতে প্রথমে একটি জিডি এবং পরে শেরপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, সুমন ও ওই তরুণী একই কলেজের শিক্ষার্থী। তারা পাশাপাশি বাড়িতে বসবাস করে। একই কলেজের পড়ার সুবাদে ওই তরুণী সুমনকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সুমন এতে রাজি না হওয়ায় তরুণী ক্ষুব্ধ হয়। গত ৪ নভেম্বর বিকেল ৫টার দিকে সুমন কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে কাজীবাড়ি পুকুরপাড় এলাকায় আরও ২-৩ জন যুবককে নিয়ে জোরপূর্বক সুমনকে একটি সিএনজিতে করে তুলে নিয়ে যায় ওই তরুণী।

ঘটনার দিন সুমন বাড়ি ফিরতে দেরি করায় সুমনের মা-বাবা অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে রাতে প্রথমে শেরপুর সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। পরে অপহরণের বিষয়টি জানতে পেরে রাতেই সুমনের বাবা মো. নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে শেরপুর সদর থানায় অপহরণের একটি অভিযোগ দাখিল করেন।

কিন্তু ঘটনা এক সপ্তাহ পার হলেও সুমনের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পুলিশ সোমবার ভোরে শ্রীবরদীর কাউনেরচর থেকে তরুণী ও বাবাকে গ্রেপ্তার করে।

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুবায়দুল আলম বলেন, ‘পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার বাবা ও মেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপহৃত কলেজছাত্র সুমনকে উদ্ধারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।’এ বিষয়ে শেরপুরে পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।