১২:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিংড়া বাজার পুলিশ ক্যাম্পে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে এক বছর পূর্ণ করলেন এস আই শামীম

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৯:২০:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮৩ Time View
blank
blank

 

রিপোর্ট,শেখ মোস্তফা কামাল:

যশোরের কেশবপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ২ নং সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নের চিংড়া বাজার পুলিশ ক্যাম্পে দায়িত্ব পালনের এক বছর সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন এস আই শামীম। এই এক বছরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে দ্রুত সেবা প্রদান ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে তিনি এলাকায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছেন। তার সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব ইতোমধ্যেই জনমনে আস্থা সৃষ্টি করেছে এবং প্রশংসা কুড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে।

এই ইউনিয়নেই চিংড়া বাজার পুলিশ ক্যাম্প প্রতিষ্ঠিত, এবং এই ইউনিয়ন থেকে বাংলাদেশের বড় বড় রাজনৈতিক ব্যাক্তি গড়ে উঠেছে তেমনিভাবে মাইকেলের বাড়ি,মধুমেলার জন্য বিখ্যাত। এখানে রয়েছে, বিখ্যাত রাজনীতিবিদ,সাংবাদিক,কবি সাহিত্যিকের সমারোহ। তেমনি রয়েছে ভিন্নতা । চিংড়াবাজার পুলিশ ক্যাম্পে যারা ইনচার্জ হিসেবে আসেন তারা বেশি দিন(কেউবা ৬ মাস, কেউবা ৭ মাস) টিকে থাকতে পারেন না। বিভিন্ন কারনে বদলী হয়ে যেতে হয়। এসআই/মোঃ শামীম হোসাইন হাজার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে চিংড়াবাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ হিসেবে ০১ (এক) বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করে আসছেন তাও সুনামের সাথে। তার দায়িত্ব থাকাকালে তিনি কেশবপুর থানার ০২ টি ইউনিয়ন(০১ নং ত্রিমোহনী ইউনিয়ন এবং ০২ নং সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের) বিট অফিসারের দায়িত্ব পালন করেছেন। জটিল জটিল মামলা যেমন সরসকাঠি মার্ডার মামলার আসামীগুলো গ্রেফতার, কয়েকটি ধর্ষণের চেষ্টা মামলার আসামী গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার কার্যক্রমের পাশাপাশি নিয়মিত এলাকায় বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে গেছেন।

তার সবচেয়ে বড় অবদান স্বরাপপুরে দীর্ঘ ৩৭ বছরের বিরোধ মিটিয়ে নতুন মন্দির স্থাপনের মাধ্যমে কালী পূজা গত বছরে শান্তিপূর্ণভাবে পালন করেছে।
এলাকায় ধনী গরিব যে যে লোক ক্যাম্পে এসেছে সকলের সাথে সোহাদপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কাজ করেছেন। বিশেষ করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের ক্ষেত্রে কোনো শৈতিল্যতা প্রদর্শন করেন নাই।

এলাকার জনসাধারণের নিকট হতে জানা যায় ক্যাম্পে বহুবছর পরে আমরা এমন একজন ইনচার্জকে পেয়েছি যে কখনও আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে নাই। আমাদের কাছে টেনে নিয়েছে যেকোনো বিপদে তাকে কাছে পেয়েছি। দল মত নির্বিশেষে আসলে সে সকলের নিকট জনপ্রিয় ছিলেন।

তার এই ১২ মাসে সর্বমোট ১০০ জনের অধিক আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে সমার্পন, ০৭ টি মাদক মামলা বাদী হয়ে দায়ের করা সহ মোবাইল কোট পরিচালনা করে আসামী গ্রেফতারে সাহায্য করেছেন।

সবচেয়ে আলোচ্য বিষয় হচ্ছে তার এই এক বছর সময়কালে এই ত্রিমোহনী এবং সাগরদাঁড়ী এলাকায় কোনো ডাকাতির মত ঘটনা কিংবা সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নে কোনো হত্যা সংঘটিত হয় নাই।

এ প্রসঙ্গে চিংড়া ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই (নিঃ)/মোঃ শামীম হোসাইন বলেন, আসলে চিংড়া ক্যাম্প এলাকা একটু বেশি কিটিক্যাল। এখানে ইনচার্জ হিসেবে সন্মানের সাথে ০১ বছর পার করতে পেরেছি এর জন্য কৃতঙ্গতাবোধ স্বীকার করছি যশোর জেলার সন্মানিত পুলিশ সুপার স্যার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার স্যার এবং সার্বক্ষণিক অভিভাবকের মত আগলে রেখেছেন মনিরামপুর সার্কেল, ইমদাদুল হক স্যার এবং সাবেক ওসি আনোয়ার স্যার।

এছাড়া কৃতজ্ঞতা পোষণ অত্র এলাকার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক বৃন্দ এবং আপামর সাধারণ জনগণের প্রতি। বিদায়লগ্নে সকলের নিকট দোয়াপ্রত্যাশী।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

চিংড়া বাজার পুলিশ ক্যাম্পে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে এক বছর পূর্ণ করলেন এস আই শামীম

Update Time : ০৯:২০:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
blank
blank

 

রিপোর্ট,শেখ মোস্তফা কামাল:

যশোরের কেশবপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ২ নং সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নের চিংড়া বাজার পুলিশ ক্যাম্পে দায়িত্ব পালনের এক বছর সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন এস আই শামীম। এই এক বছরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে দ্রুত সেবা প্রদান ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে তিনি এলাকায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছেন। তার সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব ইতোমধ্যেই জনমনে আস্থা সৃষ্টি করেছে এবং প্রশংসা কুড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে।

এই ইউনিয়নেই চিংড়া বাজার পুলিশ ক্যাম্প প্রতিষ্ঠিত, এবং এই ইউনিয়ন থেকে বাংলাদেশের বড় বড় রাজনৈতিক ব্যাক্তি গড়ে উঠেছে তেমনিভাবে মাইকেলের বাড়ি,মধুমেলার জন্য বিখ্যাত। এখানে রয়েছে, বিখ্যাত রাজনীতিবিদ,সাংবাদিক,কবি সাহিত্যিকের সমারোহ। তেমনি রয়েছে ভিন্নতা । চিংড়াবাজার পুলিশ ক্যাম্পে যারা ইনচার্জ হিসেবে আসেন তারা বেশি দিন(কেউবা ৬ মাস, কেউবা ৭ মাস) টিকে থাকতে পারেন না। বিভিন্ন কারনে বদলী হয়ে যেতে হয়। এসআই/মোঃ শামীম হোসাইন হাজার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে চিংড়াবাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ হিসেবে ০১ (এক) বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করে আসছেন তাও সুনামের সাথে। তার দায়িত্ব থাকাকালে তিনি কেশবপুর থানার ০২ টি ইউনিয়ন(০১ নং ত্রিমোহনী ইউনিয়ন এবং ০২ নং সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের) বিট অফিসারের দায়িত্ব পালন করেছেন। জটিল জটিল মামলা যেমন সরসকাঠি মার্ডার মামলার আসামীগুলো গ্রেফতার, কয়েকটি ধর্ষণের চেষ্টা মামলার আসামী গ্রেফতার, মাদক উদ্ধার কার্যক্রমের পাশাপাশি নিয়মিত এলাকায় বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে গেছেন।

তার সবচেয়ে বড় অবদান স্বরাপপুরে দীর্ঘ ৩৭ বছরের বিরোধ মিটিয়ে নতুন মন্দির স্থাপনের মাধ্যমে কালী পূজা গত বছরে শান্তিপূর্ণভাবে পালন করেছে।
এলাকায় ধনী গরিব যে যে লোক ক্যাম্পে এসেছে সকলের সাথে সোহাদপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কাজ করেছেন। বিশেষ করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের ক্ষেত্রে কোনো শৈতিল্যতা প্রদর্শন করেন নাই।

এলাকার জনসাধারণের নিকট হতে জানা যায় ক্যাম্পে বহুবছর পরে আমরা এমন একজন ইনচার্জকে পেয়েছি যে কখনও আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে নাই। আমাদের কাছে টেনে নিয়েছে যেকোনো বিপদে তাকে কাছে পেয়েছি। দল মত নির্বিশেষে আসলে সে সকলের নিকট জনপ্রিয় ছিলেন।

তার এই ১২ মাসে সর্বমোট ১০০ জনের অধিক আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে সমার্পন, ০৭ টি মাদক মামলা বাদী হয়ে দায়ের করা সহ মোবাইল কোট পরিচালনা করে আসামী গ্রেফতারে সাহায্য করেছেন।

সবচেয়ে আলোচ্য বিষয় হচ্ছে তার এই এক বছর সময়কালে এই ত্রিমোহনী এবং সাগরদাঁড়ী এলাকায় কোনো ডাকাতির মত ঘটনা কিংবা সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নে কোনো হত্যা সংঘটিত হয় নাই।

এ প্রসঙ্গে চিংড়া ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই (নিঃ)/মোঃ শামীম হোসাইন বলেন, আসলে চিংড়া ক্যাম্প এলাকা একটু বেশি কিটিক্যাল। এখানে ইনচার্জ হিসেবে সন্মানের সাথে ০১ বছর পার করতে পেরেছি এর জন্য কৃতঙ্গতাবোধ স্বীকার করছি যশোর জেলার সন্মানিত পুলিশ সুপার স্যার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার স্যার এবং সার্বক্ষণিক অভিভাবকের মত আগলে রেখেছেন মনিরামপুর সার্কেল, ইমদাদুল হক স্যার এবং সাবেক ওসি আনোয়ার স্যার।

এছাড়া কৃতজ্ঞতা পোষণ অত্র এলাকার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক বৃন্দ এবং আপামর সাধারণ জনগণের প্রতি। বিদায়লগ্নে সকলের নিকট দোয়াপ্রত্যাশী।