১০:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জমি নিয়ে বিরোধে ৩ জনকে কুপিয়ে জখম জরুরি সেবার ফোন পেয়ে পুলিশের উদ্ধার

blank
blank

বরগুনার বেতাগীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ৩ জনকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। জরুরি সেবার ফোনপেয়ে পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এবিষয় শনিবার রাতে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নের ফুলতলা গ্রামের আ: হামেদ হাওলাদার (৬৫) অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে বিবিচিনি মৌজার ১১২৯ খতিয়ানের ৫৩১৬ দাগভূক্ত ১ একর ৮৬শতাংশ জমি নিয়ে একই বাড়ীর সেলিম হাওলাদারের সাথে আমাদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধে বিজ্ঞ আদালতে মামলা চলছে।

ঘটনার দিন শনিবার আদালত থেকে সমন জারি নিয়ে আসায় এতে প্রতিপক্ষ আমাদের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে দুপুর ২টার দিকে নিয়ামতি বাজার থেকে আমি বাড়ীতে পৌঁছার সাথে সাথে আগ থেকে ওৎপেতে থাকা মৃত: হযরত আলীর ছেলে সেলিম হাওলাদারের নেতৃত্বে আ: মন্নান, মো: হাসান, আমীর হোসেন, মো: কামাল, মো: শহীদ হাওলাদার, আব্দুস সত্তার সহ ৬ থেকে ১০ জন লাঠিসোটা নিয়ে আমার উপড় অতর্কিত হামলা করে এলোপাথারী পেটানো শুরু করলে দৌঁড়ে বসত ঘরে উঠলে টানা হেচড়া করে আমাকে উঠানে নামানোর সময় আমার স্ত্রী রাশিদা বেগম (৫৫) বাঁধা দিলে তাকেও পিটিয়ে জখম করে। এসময় আমার বাম পায়ের গোড়ালি ভেঙে ফেলে এবং ধান বিক্রয়ের সাথে থাকা ৩০ হাজার টাকা নিয়ে খুন জখমের হুমকি দিয়ে চলে যায়।

মুঠোফোনে ঘটনাটি শুনে আমার বড় ছেলে মনির হোসেন (৪০) ও মেঝ ছেলে জামাল হাওলাদার ( ৩৫) বাড়ীতে আসার পথে ফুলতলা বাজারের মুনসুর আলী চৌকিদারের মুদী দোকানের সামনে আসামীদের ভয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ তে ফোন করে। ঐ সময় আমীর হোসেন সহ অন্যান্য আসামীদের সাথে দেখা হলে তারা পথ রোধ করে ছেলে জামাল হাওলাদার (৩৫) কে লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। এসময় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ তে ফোন করলে বেতাগী থানা পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করে গুরুতর আহতের কারণে বরিশালে প্রেরণ করে।

এদিকে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে সেলিম হাওলাদার বলেন, আমরা মারধর করিনি।

এ ঘটনায় শনিবার রাতে হামেদ হাওলাদার বড় ছেলে মনির হোসেন বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। বেতাগী থানা পুলিশ জানায়, আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। অভিযোগ দেওয়া হয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

জমি নিয়ে বিরোধে ৩ জনকে কুপিয়ে জখম জরুরি সেবার ফোন পেয়ে পুলিশের উদ্ধার

Update Time : ০৪:২৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৪
blank
blank

বরগুনার বেতাগীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ৩ জনকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। জরুরি সেবার ফোনপেয়ে পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এবিষয় শনিবার রাতে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নের ফুলতলা গ্রামের আ: হামেদ হাওলাদার (৬৫) অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে বিবিচিনি মৌজার ১১২৯ খতিয়ানের ৫৩১৬ দাগভূক্ত ১ একর ৮৬শতাংশ জমি নিয়ে একই বাড়ীর সেলিম হাওলাদারের সাথে আমাদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধে বিজ্ঞ আদালতে মামলা চলছে।

ঘটনার দিন শনিবার আদালত থেকে সমন জারি নিয়ে আসায় এতে প্রতিপক্ষ আমাদের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে দুপুর ২টার দিকে নিয়ামতি বাজার থেকে আমি বাড়ীতে পৌঁছার সাথে সাথে আগ থেকে ওৎপেতে থাকা মৃত: হযরত আলীর ছেলে সেলিম হাওলাদারের নেতৃত্বে আ: মন্নান, মো: হাসান, আমীর হোসেন, মো: কামাল, মো: শহীদ হাওলাদার, আব্দুস সত্তার সহ ৬ থেকে ১০ জন লাঠিসোটা নিয়ে আমার উপড় অতর্কিত হামলা করে এলোপাথারী পেটানো শুরু করলে দৌঁড়ে বসত ঘরে উঠলে টানা হেচড়া করে আমাকে উঠানে নামানোর সময় আমার স্ত্রী রাশিদা বেগম (৫৫) বাঁধা দিলে তাকেও পিটিয়ে জখম করে। এসময় আমার বাম পায়ের গোড়ালি ভেঙে ফেলে এবং ধান বিক্রয়ের সাথে থাকা ৩০ হাজার টাকা নিয়ে খুন জখমের হুমকি দিয়ে চলে যায়।

মুঠোফোনে ঘটনাটি শুনে আমার বড় ছেলে মনির হোসেন (৪০) ও মেঝ ছেলে জামাল হাওলাদার ( ৩৫) বাড়ীতে আসার পথে ফুলতলা বাজারের মুনসুর আলী চৌকিদারের মুদী দোকানের সামনে আসামীদের ভয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ তে ফোন করে। ঐ সময় আমীর হোসেন সহ অন্যান্য আসামীদের সাথে দেখা হলে তারা পথ রোধ করে ছেলে জামাল হাওলাদার (৩৫) কে লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। এসময় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ তে ফোন করলে বেতাগী থানা পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করে গুরুতর আহতের কারণে বরিশালে প্রেরণ করে।

এদিকে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে সেলিম হাওলাদার বলেন, আমরা মারধর করিনি।

এ ঘটনায় শনিবার রাতে হামেদ হাওলাদার বড় ছেলে মনির হোসেন বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। বেতাগী থানা পুলিশ জানায়, আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। অভিযোগ দেওয়া হয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।