১০:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৫নং দুর্গাপাশার ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগ সম্পুর্ন অনিয়ম!

blank
blank

বরিশাল বিভাগের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৫নং দুর্গাপাশা ইউনিয়নের গোবিন্দপুর লক্ষীবর্ধন ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এর ইন্টারভিউ কার্ড পাঠানোর আইন অনুযায়ী ডাকযোগে পাঠাবে মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে কিন্তু ঘটনা ঘটেছে সম্পুর্ন উল্টো ইন্টারভিউ কার্ড সরাসরি হাতে হাতে কেন দেয়া হয়েছে ও শিক্ষক থেকে একজন অযোগ্য একজন সহকারী শিক্ষক থেকে কিভাবে প্রধান শিক্ষক হয়েছেন সেটা সম্পুর্ন প্রশ্নবিদ্ধ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের ধারণা যে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অযোগ্য সহকারী শিক্ষক সরাসরি প্রধান শিক্ষক হয়েছেন সেটা কতটুকু বৈধ না অবৈধ সেটা নিয়ে নিয়োগের পর থেকে বিভিন্ন ধরনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পরেছে পুরো বাকেরগঞ্জ উপজেলায় এবং তার সাথে যে সকল স্কুলের শিক্ষক ট্রেনিং করেছেন তাদের থেকে সকল তথ্য প্রমাণিত করতে সক্ষম হয়েছেন সাংবাদিক মোঃ আবু ছালেহ বিপ্লব, ষ্টাফ রিপোর্টার (ক্রাইম) এবং বরিশাল বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান।

বাকেরগঞ্জ উপজেলার লক্ষীবরধন গোবিন্দপুর ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক গাজী জনাব মোঃ মোসলেম উদ্দীন স্যার তার দীর্ঘ বছর যাবত এই ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দ্বায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেন এবং তখন কোন প্রকার দুর্নীতি ও নিয়োগ বানিজ্য ছিলো না কিন্তু জনাব গাজী মোঃ মোঃ মোসলেম উদ্দীন স্যার একজন সৎ ও আদর্শবান প্রধান শিক্ষক ছিলেন এবং স্কুলে কোন ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকদেরও কোন প্রকার অভিযোগ ছিল না এগুলো ১০০% সততার সঙ্গে ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পড়াশোনা, খেলাধুলা ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকদেরও কোন অভিযোগ ছিলো না।

বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৫নং দুর্গাপাশা ইউনিয়নের লক্ষীবর্ধন গোবিন্দপুর ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক জনাব মোসলেম উদ্দীন আহমেদ স্যার স্কুলে প্রধান শিক্ষক থাকাকালীন সময়ে স্কুল কমিটির নির্বাচন এবং স্কুলের সকল প্রকার কাজকর্ম সঠিকভাবে পালন করতেন এমনকি জনাব মোসলেম উদ্দীন আহমেদ স্যার যে অবদান রেখেছেন এবং ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়েকে নিজের চেয়েও বিদ্যালয় এর জন্য বেশী পরিশ্রম এবং অক্লান্ত পরিশ্রম করে ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে অনেক বড় অবদান রেখে গিয়েছেন কিন্তু তার অবসরের পরে যে সকল প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে স্কুলের বর্তমান প্রধান শিক্ষক সহ তার পক্ষের ৪-৫ জন শিক্ষক নিয়োগ বানিজ্য চালিয়ে প্রায় অর্ধ কুটি টাকার উপরে বাজেয়াপ্ত ও প্রধান শিক্ষক সাজেদা আক্তার সাজু ম্যাডাম, ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা মোঃ আলাউদ্দিন ও কম্পিউটার শিক্ষক সহ স্কুলের অফিস সহকারী, পিওন দপ্তরী সকল পদেই নিয়োগ হয়েছে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে।

blank

৫ই আগষ্ট-২০২৪ খ্রী. বাংলাদেশের বৈসম্যবিরোধী ছাত্র জনতার বিজয়ের পরে ২ থেকে ৩ মাস স্কুলের নিয়মনীতির কিছুটা আই ওয়াশের মতো করে দেখিয়েছিলেন শিক্ষ এ খেলাধুলার মান কিন্তু এই কিছু দিন যাবত পুনরায় শুরু হয়েছে আগের দুর্নীতি দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এইসব দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৫নং দুর্গাপাশার ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগ সম্পুর্ন অনিয়ম!

Update Time : ০৫:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৪
blank
blank

বরিশাল বিভাগের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৫নং দুর্গাপাশা ইউনিয়নের গোবিন্দপুর লক্ষীবর্ধন ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এর ইন্টারভিউ কার্ড পাঠানোর আইন অনুযায়ী ডাকযোগে পাঠাবে মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে কিন্তু ঘটনা ঘটেছে সম্পুর্ন উল্টো ইন্টারভিউ কার্ড সরাসরি হাতে হাতে কেন দেয়া হয়েছে ও শিক্ষক থেকে একজন অযোগ্য একজন সহকারী শিক্ষক থেকে কিভাবে প্রধান শিক্ষক হয়েছেন সেটা সম্পুর্ন প্রশ্নবিদ্ধ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের ধারণা যে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অযোগ্য সহকারী শিক্ষক সরাসরি প্রধান শিক্ষক হয়েছেন সেটা কতটুকু বৈধ না অবৈধ সেটা নিয়ে নিয়োগের পর থেকে বিভিন্ন ধরনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পরেছে পুরো বাকেরগঞ্জ উপজেলায় এবং তার সাথে যে সকল স্কুলের শিক্ষক ট্রেনিং করেছেন তাদের থেকে সকল তথ্য প্রমাণিত করতে সক্ষম হয়েছেন সাংবাদিক মোঃ আবু ছালেহ বিপ্লব, ষ্টাফ রিপোর্টার (ক্রাইম) এবং বরিশাল বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান।

বাকেরগঞ্জ উপজেলার লক্ষীবরধন গোবিন্দপুর ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক গাজী জনাব মোঃ মোসলেম উদ্দীন স্যার তার দীর্ঘ বছর যাবত এই ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দ্বায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেন এবং তখন কোন প্রকার দুর্নীতি ও নিয়োগ বানিজ্য ছিলো না কিন্তু জনাব গাজী মোঃ মোঃ মোসলেম উদ্দীন স্যার একজন সৎ ও আদর্শবান প্রধান শিক্ষক ছিলেন এবং স্কুলে কোন ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকদেরও কোন প্রকার অভিযোগ ছিল না এগুলো ১০০% সততার সঙ্গে ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পড়াশোনা, খেলাধুলা ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকদেরও কোন অভিযোগ ছিলো না।

বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৫নং দুর্গাপাশা ইউনিয়নের লক্ষীবর্ধন গোবিন্দপুর ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক জনাব মোসলেম উদ্দীন আহমেদ স্যার স্কুলে প্রধান শিক্ষক থাকাকালীন সময়ে স্কুল কমিটির নির্বাচন এবং স্কুলের সকল প্রকার কাজকর্ম সঠিকভাবে পালন করতেন এমনকি জনাব মোসলেম উদ্দীন আহমেদ স্যার যে অবদান রেখেছেন এবং ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়েকে নিজের চেয়েও বিদ্যালয় এর জন্য বেশী পরিশ্রম এবং অক্লান্ত পরিশ্রম করে ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে অনেক বড় অবদান রেখে গিয়েছেন কিন্তু তার অবসরের পরে যে সকল প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে স্কুলের বর্তমান প্রধান শিক্ষক সহ তার পক্ষের ৪-৫ জন শিক্ষক নিয়োগ বানিজ্য চালিয়ে প্রায় অর্ধ কুটি টাকার উপরে বাজেয়াপ্ত ও প্রধান শিক্ষক সাজেদা আক্তার সাজু ম্যাডাম, ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা মোঃ আলাউদ্দিন ও কম্পিউটার শিক্ষক সহ স্কুলের অফিস সহকারী, পিওন দপ্তরী সকল পদেই নিয়োগ হয়েছে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে।

blank

৫ই আগষ্ট-২০২৪ খ্রী. বাংলাদেশের বৈসম্যবিরোধী ছাত্র জনতার বিজয়ের পরে ২ থেকে ৩ মাস স্কুলের নিয়মনীতির কিছুটা আই ওয়াশের মতো করে দেখিয়েছিলেন শিক্ষ এ খেলাধুলার মান কিন্তু এই কিছু দিন যাবত পুনরায় শুরু হয়েছে আগের দুর্নীতি দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে এইসব দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।