০৭:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাঁচার আকুতি নিয়ে দিন গুণছে মেধাবী শিক্ষার্থী আল আমিনের পরিবার

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৯:২৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭৬ Time View
blank
blank

 

মোঃ মেরাজ শিকদার,বিশেষ প্রতিনিধিঃ (সখিপুর)

টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার এক সাধারন পরিবারের সন্তান মেধাবী শিক্ষার্থী আল আমিন। পড়ালেখা করতে করতেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। পরবর্তীতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তার কিডনির সমস্যা ধরা পড়ে। তাঁর একটি কিডনি অকোজো হয়ে গেছে এবং অন্য একটি কিডনি অর্ধেক অকেজো হয়ে গেছে। মা আসিয়া আক্তার এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুর রহিম বিএসসির তিন সন্তানের মধ্যে আলামিন সর্বকনিষ্ঠ।আলামিনের পিতা সখীপুর উপজেলার সূর্যতরুণ শিক্ষাঙ্গণ (আবাসিক) স্কুল অ্যান্ড কলেজে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেছেন। এখন অবসরে গিয়েছেন।

মেধাবী শিক্ষার্থী আল আমিনের বর্তমানে ডায়ালাইসিস চলছে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের কিডনি বিভাগের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে। আল আমিন এবার সখীপুর সরকারি কলেজ থেকে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছেন। সূর্যতরুণ শিক্ষাঙ্গন আবাসিক স্কুল এন্ড কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে আলামিন এসএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সহিত জিপিএ-৫ অর্জন করেছিল। সেইসাথে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীতে বৃত্তি পেয়েছিল। মেধাবী এই শিক্ষার্থীর একটি কিডনি পুরোপুরি বিকল হয়ে গেছে এবং অন্য কিডনি অর্ধেক অকেজো হয়ে গেছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার চিকিৎসা ও ডায়ালাইসিস চলছে। তাকে একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হবে।

আল আমিনের বাবা আব্দুর রহিম বিএসসি বলেন, বাংলাদেশে একটি কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করতে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকা প্রয়োজন হয়। আমি একজন সাধারণ ঘরের ছেলে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা পেশায় দায়িত্ব পালন করেছি। স্বল্প আয়ের মানুষ আমি। কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য আমার ও পরিবারের পক্ষে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ জোগাড় করা সম্ভব নয়। আমার অসুস্থ সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়াও সম্ভব নয় আবার কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য আর্থিক সামর্থ্য আমার নেই। আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে
যেটুকু আর্থিক সহযোগিতা পেয়েছি তা দিয়ে চিকিৎসার ব্যবহার বহন করা সম্ভব হচ্ছে না।

চিকিৎসকরা বলেছেন আমার ছেলের কিডনি প্রতিস্থাপন করলে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফিরে আসতে পারবে আলামিন। আমার সন্তানের চিকিৎসার জন্য আপনাদের সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে সম্মিলিত মানবিক সহায়তা প্রয়োজন। আপনাদের মানবিক সহায়তা আমার সন্তানের মুখে সারা জীবনের জন্য হাসি ফোটাতে পারে,
আমার পরিবারের কষ্ট লাঘব করতে পারে এবং সন্তানের চিকিৎসার মাধ্যমে সন্তানকে বাঁচিয়ে সম্ভাবনাময় জীবনে ফিরিয়ে দিতে পারে। সবকিছুই মহান রাব্বুল আলামিনের কৃপা।

এমন আকুতি নিয়ে পরিবারটি এখন সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের সাহায্যের প্রতীক্ষায় রয়েছে। সাহায্যের জন্য
বিকাশ: 01883242692
ব্যাংক হিসাব নম্বর: 0200003454545
ব্যাংক: অগ্রণী ব্যাংক
শাখা: সখীপুর বাজার শাখা, টাঙ্গাইল।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

কেশবপুরে জমি দখলের চেষ্টায় সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর, ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

বাঁচার আকুতি নিয়ে দিন গুণছে মেধাবী শিক্ষার্থী আল আমিনের পরিবার

Update Time : ০৯:২৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
blank
blank

 

মোঃ মেরাজ শিকদার,বিশেষ প্রতিনিধিঃ (সখিপুর)

টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার এক সাধারন পরিবারের সন্তান মেধাবী শিক্ষার্থী আল আমিন। পড়ালেখা করতে করতেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। পরবর্তীতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তার কিডনির সমস্যা ধরা পড়ে। তাঁর একটি কিডনি অকোজো হয়ে গেছে এবং অন্য একটি কিডনি অর্ধেক অকেজো হয়ে গেছে। মা আসিয়া আক্তার এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুর রহিম বিএসসির তিন সন্তানের মধ্যে আলামিন সর্বকনিষ্ঠ।আলামিনের পিতা সখীপুর উপজেলার সূর্যতরুণ শিক্ষাঙ্গণ (আবাসিক) স্কুল অ্যান্ড কলেজে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেছেন। এখন অবসরে গিয়েছেন।

মেধাবী শিক্ষার্থী আল আমিনের বর্তমানে ডায়ালাইসিস চলছে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের কিডনি বিভাগের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে। আল আমিন এবার সখীপুর সরকারি কলেজ থেকে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছেন। সূর্যতরুণ শিক্ষাঙ্গন আবাসিক স্কুল এন্ড কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে আলামিন এসএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সহিত জিপিএ-৫ অর্জন করেছিল। সেইসাথে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীতে বৃত্তি পেয়েছিল। মেধাবী এই শিক্ষার্থীর একটি কিডনি পুরোপুরি বিকল হয়ে গেছে এবং অন্য কিডনি অর্ধেক অকেজো হয়ে গেছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার চিকিৎসা ও ডায়ালাইসিস চলছে। তাকে একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হবে।

আল আমিনের বাবা আব্দুর রহিম বিএসসি বলেন, বাংলাদেশে একটি কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করতে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকা প্রয়োজন হয়। আমি একজন সাধারণ ঘরের ছেলে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা পেশায় দায়িত্ব পালন করেছি। স্বল্প আয়ের মানুষ আমি। কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য আমার ও পরিবারের পক্ষে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ জোগাড় করা সম্ভব নয়। আমার অসুস্থ সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়াও সম্ভব নয় আবার কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য আর্থিক সামর্থ্য আমার নেই। আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে
যেটুকু আর্থিক সহযোগিতা পেয়েছি তা দিয়ে চিকিৎসার ব্যবহার বহন করা সম্ভব হচ্ছে না।

চিকিৎসকরা বলেছেন আমার ছেলের কিডনি প্রতিস্থাপন করলে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফিরে আসতে পারবে আলামিন। আমার সন্তানের চিকিৎসার জন্য আপনাদের সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে সম্মিলিত মানবিক সহায়তা প্রয়োজন। আপনাদের মানবিক সহায়তা আমার সন্তানের মুখে সারা জীবনের জন্য হাসি ফোটাতে পারে,
আমার পরিবারের কষ্ট লাঘব করতে পারে এবং সন্তানের চিকিৎসার মাধ্যমে সন্তানকে বাঁচিয়ে সম্ভাবনাময় জীবনে ফিরিয়ে দিতে পারে। সবকিছুই মহান রাব্বুল আলামিনের কৃপা।

এমন আকুতি নিয়ে পরিবারটি এখন সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের সাহায্যের প্রতীক্ষায় রয়েছে। সাহায্যের জন্য
বিকাশ: 01883242692
ব্যাংক হিসাব নম্বর: 0200003454545
ব্যাংক: অগ্রণী ব্যাংক
শাখা: সখীপুর বাজার শাখা, টাঙ্গাইল।