১১:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৪:১৯:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪২ Time View
blank
blank

 

পরেশ দেবনাথ, কেশবপুর, যশোর

কেশবপুরে এফসিডিও-এর অর্থায়নে এবং দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের এমআইপিএস (MIPS) প্রকল্পের আওতায় কেশবপুর প্যারামেডিকেল টেকনোলজি ফাউন্ডেশনে এক সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট-২৬) বিকেলে অনুষ্ঠানে অধ্যাপক আলাউদ্দিন আলা-এর সভাপতিত্বে এবং কেশবপুর পিএফজি’র সমন্বয়কারী মোঃ মুনছুর আলী-এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আঞ্জু মনোয়ারা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, অধ্যাপক আলাউদ্দিন আলা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, কেশবপুর পৌর আমির মোঃ জাকির হোসেন ও সহকারী অধ্যাপক কানাই লাল ভট্টাচার্য।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, কেশবপুরের মাওলানা আব্দুল মান্নান, পূজা উদযাপন কমিটি সভাপতি ও বাজার কমিটির প্রচার সম্পাদক কার্তিক রায়, কেশবপুর উপজেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী সম্রাট হোসেন, পিস অ্যাম্বাসেডর ও সিনিয়র সাংবাদিক মোতাহার হোসেন; অধ্যাপক মিজানুর রহমান, কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ; আব্দুর রহমান, ইমাম; ইউপি সদস্য মোঃ কামাল হোসেন, কেশবপুর সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য নাজমা সুলতানা এবং কেশবপুর লোকজ একাডেমির সাধারণ সম্পাদক পাপড়ি দত্ত।
বক্তারা বলেন, সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা ও শক্তিশালী করার জন্য ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে গুজব, অপপ্রচার এবং ভুল বোঝাবুঝি প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে দায়িত্বশীলতা, তথ্য যাচাই এবং সহনশীল আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
তারা আরও বলেন, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিভেদ নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের মাধ্যমে সম্প্রীতির পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। যুব সমাজকে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ তৃণমূল পর্যায়ে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে হবে।
বক্তারা গুজবে কান না দিয়ে সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানান এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ, গণতান্ত্রিক চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক মনোভাবের চর্চার মাধ্যমে সংঘাতমুক্ত সমাজ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, ব্যক্তি ও দলের ঊর্ধ্বে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে পারলে সম্প্রীতি বজায় রাখা আরও সহজ হবে।
সমাবেশের শেষ পর্বে পাপড়ি দত্ত, সাধারণ সম্পাদক, লোকজ একাডেমি, কেশবপুর সম্প্রীতির গান পরিবেশন করেন। একে অপরে কোলাকুলি করতে দেখা যায়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ও সুধীজন অংশগ্রহণে যেন একটা মিলন মেলায় পরিনত হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

কেশবপুরে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

Update Time : ০৪:১৯:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
blank
blank

 

পরেশ দেবনাথ, কেশবপুর, যশোর

কেশবপুরে এফসিডিও-এর অর্থায়নে এবং দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের এমআইপিএস (MIPS) প্রকল্পের আওতায় কেশবপুর প্যারামেডিকেল টেকনোলজি ফাউন্ডেশনে এক সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট-২৬) বিকেলে অনুষ্ঠানে অধ্যাপক আলাউদ্দিন আলা-এর সভাপতিত্বে এবং কেশবপুর পিএফজি’র সমন্বয়কারী মোঃ মুনছুর আলী-এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আঞ্জু মনোয়ারা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, অধ্যাপক আলাউদ্দিন আলা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, কেশবপুর পৌর আমির মোঃ জাকির হোসেন ও সহকারী অধ্যাপক কানাই লাল ভট্টাচার্য।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, কেশবপুরের মাওলানা আব্দুল মান্নান, পূজা উদযাপন কমিটি সভাপতি ও বাজার কমিটির প্রচার সম্পাদক কার্তিক রায়, কেশবপুর উপজেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী সম্রাট হোসেন, পিস অ্যাম্বাসেডর ও সিনিয়র সাংবাদিক মোতাহার হোসেন; অধ্যাপক মিজানুর রহমান, কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ; আব্দুর রহমান, ইমাম; ইউপি সদস্য মোঃ কামাল হোসেন, কেশবপুর সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য নাজমা সুলতানা এবং কেশবপুর লোকজ একাডেমির সাধারণ সম্পাদক পাপড়ি দত্ত।
বক্তারা বলেন, সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা ও শক্তিশালী করার জন্য ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে গুজব, অপপ্রচার এবং ভুল বোঝাবুঝি প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে দায়িত্বশীলতা, তথ্য যাচাই এবং সহনশীল আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
তারা আরও বলেন, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিভেদ নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের মাধ্যমে সম্প্রীতির পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। যুব সমাজকে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ তৃণমূল পর্যায়ে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে হবে।
বক্তারা গুজবে কান না দিয়ে সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানান এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ, গণতান্ত্রিক চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক মনোভাবের চর্চার মাধ্যমে সংঘাতমুক্ত সমাজ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, ব্যক্তি ও দলের ঊর্ধ্বে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে পারলে সম্প্রীতি বজায় রাখা আরও সহজ হবে।
সমাবেশের শেষ পর্বে পাপড়ি দত্ত, সাধারণ সম্পাদক, লোকজ একাডেমি, কেশবপুর সম্প্রীতির গান পরিবেশন করেন। একে অপরে কোলাকুলি করতে দেখা যায়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ও সুধীজন অংশগ্রহণে যেন একটা মিলন মেলায় পরিনত হয়।