০২:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘেরের পাড় নেই, সড়কই যেন পাড়—ঝুঁকিতে মণিরামপুর-নওয়াপাড়া সড়ক

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০১:৪০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৭ Time View
blank
blank

‎
‎মোঃ মাসুম বিল্লাল, মণিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ

মণিরামপুর- অভয়নগর প্রধান সড়কের হাজিরহাট কদমতলার প্রায় আধা কিঃ মিঃ পাকা রাস্তার ৭০% সড়ক মাছের ঘেরের দখলে চলে গেছে। রাস্তার পাশের সারি সারি কয়েকটি তালগাছ একটি ঘেরের পানিতে হেলে পড়েছে।

‎অভয়নগর হতে মণিরামপুরে টেগার(যান) আসা এক যাত্রী এমন অভিযোগের ভিত্তিতে মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের অনুসন্ধানী টিম সরেজমিনে গেলে দেখা যায়,যশোরের মণিরামপুর উপজেলার হরিদাসকাঠি ইউনিয়নের হাজিরহাট বাজার থেকে কিছুটা সামনে এগোলেই চোখে পড়ে এক ভয়াবহ চিত্র। অভিশপ্ত ভবদহের কারণে প্রতিবছর বন্যার পানিতে কৃষকদের দুর্ভোগ, অন্যদিকে কয়েক একর কৃষিজমি দখল করে খাল থেকে শুকনো মৌসুমে পানি তুলে মাছ চাষের ব্যবসা চালানো হচ্ছে।

‎জলাবদ্ধ এলাকায় এলজিইডির নির্মিত মণিরামপুর-নওয়াপাড়া ব্যস্ততম সড়কের প্রায় অর্ধ কিলোমিটারজুড়ে ওই মাছের ঘেরের কারণে কোটি টাকার সড়কে ভয়াবহ ভাঙন ও ফাটল দেখা দিয়েছে,এতে পথচারী ও বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের প্রতিনিয়ত আতঙ্ক নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
‎অভিযোগ উঠেছে, সরকারি রাস্তার পাশ ঘেঁষে তৈরি করা মাছের ঘেরটির কোনো শক্ত পাড় না থাকায় সড়কটিকেই কার্যত ঘেরের পাড় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর ফলে রাস্তার পাশের শতাধিক গাছ, যেগুলো দীর্ঘদিন ধরে সড়কে মাটি ধরে রাখতে সহায়তা করছিল, সেগুলো মাছের ঘেরে বিলীন হয়েছে। এতে সড়কের মাটি দুর্বল হয়ে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি করছে।

‎স্থানীয়দের তথ্যমতে, ঘেরটির মালিক সমীর হালদার অত্র এলাকার ত্রাস হিসাবে পরিচিত। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আঃলীগের বড় বড় নেতা তার হাজিরহাট বাজারের টিনের অফিসে এসে বসতেন, হরিদাসকাঠি ইউনিয়নে সমীরের উপর কেউ কথা বলতে পারেনা। যখন যে দল আসে তখন তাদের ছত্রছায়ায় চলে যায় সমীর হালদার। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যাবসায়ী জানান,সমীর হালদার আঃ লীগের আমলে শেষ সংসদ নির্বাচনে সাবেক এমপির হয়ে হরিদাসকাটি এলাকায় একক ভাবে ইয়াকুব আলীর কাজ করেছে,নির্বাচনী প্রাচারে দিয়েছে প্রায় ৮-১০ লক্ষ টাকা। কেউ কেউ বলেন সমীরের এক সময় কয়েক বিঘার ১টি ঘের ছিলো,আর এখন সে ২ হাজারী একর ঘেরের মালিক। এ বিষয়ে তার সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনি সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। ঘেরে ভেড়ি না থাকায় রাস্তার ক্ষতি হচ্ছে!,এ কথা বললেই তিনি মুঠোফোনে বলেন,”তাতে আপনার সমস্যা হচ্ছে কোথায়? আমাকে পরিবেশ অধিদপ্তর টাকা নিয়ে লাইসেন্স দিয়েছে।” কি বালের নিউজ করবা,করো। তবে পরিবেশ অধিদপ্তর বলছে, অস্বাস্থকর দূর্গন্ধ ব্যাতিত আমরা দেখিনা,এটা এলজিইডির বিষয়। সমীর হালদারের এ কথার ওজন পরিমাপের জন্য অনুসন্ধানী টিম চলতি মাসের ১ম সপ্তাহে হরিদাসকাটির হোগলাডাংগা গেলে স্থানীয় বিএনপির এক নেতা এ বিষয়ে আলাপের কথা বলে সমীরের সাথে যোগাযোগ করে সাংবাদিকদের হাজিরহাটে সমীরের অফিসে যেতে বলে।

কিন্ত এ বিষয়ে স্থানীয় এক ব্যাক্তিকে বললে তিনি রিতিমতো চমকে উঠলেন! পরামর্শ নিতে গিয়ে বেরিয়ে আসলো থলের বিড়াল। গোপন তথ্য আছে, কোন এক রথযাত্রার অনুষ্ঠানে হাজিরহাটে সমীরের  একক আয়োজনে অনুষ্ঠিত রথযাত্রায় সাবেক এমপি ইয়াকুব আলী,উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুখ হোসেন, যুবলীগের সন্দীপ মুখার্জি সহ মণিরামপুর আ’লীগের সামনের সারির নেতারা সমীরের হাত ধরে ঘোষনা করেছিলেন যে, আপনারা আমাকে না ভোট দিবেন সমীরকে। এমনই একটি ফুটেজ সংগ্রহ করে অনুসন্ধানী টিম। তথ্য অনুসন্ধানে প্রশ্ন ওঠে, হঠাৎ করে সমীর কিভাবে এতো টাকার মালিক! কিভাবে এত বড় বড় নেতা সমীরকে সামীহ করে! কেনোই বা সমীর হরিদাসকাটি ইউনিয়নে এখনো পর্যন্ত আধিপত্য বিস্তার করে! কোন ক্ষমতার বলে সরকারি সড়কের পাড় নিজের ঘেরের দখলে নিয়েও সাংবাদিক দের হুমকি দেই! অনুসন্ধান বলছে, উপজেলার লেবুগাতী গ্রামের সনাতন ধর্মাবলম্বী সমীর হালদার ছোটবেলা হতেই অপ্রতিরোধ্য,পরিবারের শাষন বা আর্থিক শোষন কেনটিই তাকে আটকাতে পারেনি।

কিশোর বয়সে পরিবার অর্থ যোগাতে ব্যার্থ হলেও সমীর বিভিন্ন বিত্তশালী ব্যাক্তির কাছে টাকা দাবী করতো! দিলে ভালো না দিলে হেনস্তা বা আঘাতে আহত করতো। দীরে ধীরে সমীর ৩/৫ জনের একটি দল করে নেই। তাদের উটতি বয়সেই তৎকালীন আঃলীগ সরকারের স্থানীয় নেতাদের বাদেই উপজেলা পর্যায়ের কয়েকজন নেতার সংস্পর্শে চলে যায়। এরপর দলীয় শেলটারে হরিদাসকাটি ইউনিয়ন জুড়ে বিভিন্ন লুটপাট,চাঁদাবাজি,গুম করে মুক্তিপন দাবী,সর্বশেষ সমীর কয়েকটি মাছের ঘের দখল করে নেই। কথিত আছে সমীরের নেতৃত্বে মণিরামপুর -অভয়নগর সড়কে রাতের বেলায় কয়েকটি ডাকাতির ঘঠনাও ঘঠেছে ইতিপূর্বে।

ফ্যাসিস্টদের নারকীয় অধ্যায়ে সমীর অত্র এলাকায় চরমপন্থীদের উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আ’লীগের ক্ষমতাবলে আর পেছনে তাকাতে হয়নি তাকে। তথ্য আছে, দক্ষিনাঞ্চলের কয়েকজন শীর্ষ চরমপন্থীদের সাথে সমীরের শক্ত যোগাযোগ আছে। মাঝে মধ্য হাজিরহাট বাজারে সমীরের অফিসে বহিরাগতরা এসে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় কাটায়। সন্ধা হতে গভীর রাত পর্যন্ত চলে তাদের গোপন বৈঠক। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের আগ পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। অভিযোগ উঠেছে,বর্তমানে স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতার ছত্রছায়ায় থেকে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বিগত দিনের ন্যায় এখনো চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

‎এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের দাবী জনস্বার্থে এ দখলদার ভোগদখল কারীর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হোক। জনস্বার্থে বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান ও মণিরামপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি মাহির দায়ান আমিনকে অবগত করলে সমীরের ঘেরে মধ্য রাস্তা ভাংগনের বেপারটি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

ঘেরের পাড় নেই, সড়কই যেন পাড়—ঝুঁকিতে মণিরামপুর-নওয়াপাড়া সড়ক

Update Time : ০১:৪০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
blank
blank

‎
‎মোঃ মাসুম বিল্লাল, মণিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ

মণিরামপুর- অভয়নগর প্রধান সড়কের হাজিরহাট কদমতলার প্রায় আধা কিঃ মিঃ পাকা রাস্তার ৭০% সড়ক মাছের ঘেরের দখলে চলে গেছে। রাস্তার পাশের সারি সারি কয়েকটি তালগাছ একটি ঘেরের পানিতে হেলে পড়েছে।

‎অভয়নগর হতে মণিরামপুরে টেগার(যান) আসা এক যাত্রী এমন অভিযোগের ভিত্তিতে মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের অনুসন্ধানী টিম সরেজমিনে গেলে দেখা যায়,যশোরের মণিরামপুর উপজেলার হরিদাসকাঠি ইউনিয়নের হাজিরহাট বাজার থেকে কিছুটা সামনে এগোলেই চোখে পড়ে এক ভয়াবহ চিত্র। অভিশপ্ত ভবদহের কারণে প্রতিবছর বন্যার পানিতে কৃষকদের দুর্ভোগ, অন্যদিকে কয়েক একর কৃষিজমি দখল করে খাল থেকে শুকনো মৌসুমে পানি তুলে মাছ চাষের ব্যবসা চালানো হচ্ছে।

‎জলাবদ্ধ এলাকায় এলজিইডির নির্মিত মণিরামপুর-নওয়াপাড়া ব্যস্ততম সড়কের প্রায় অর্ধ কিলোমিটারজুড়ে ওই মাছের ঘেরের কারণে কোটি টাকার সড়কে ভয়াবহ ভাঙন ও ফাটল দেখা দিয়েছে,এতে পথচারী ও বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের প্রতিনিয়ত আতঙ্ক নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
‎অভিযোগ উঠেছে, সরকারি রাস্তার পাশ ঘেঁষে তৈরি করা মাছের ঘেরটির কোনো শক্ত পাড় না থাকায় সড়কটিকেই কার্যত ঘেরের পাড় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর ফলে রাস্তার পাশের শতাধিক গাছ, যেগুলো দীর্ঘদিন ধরে সড়কে মাটি ধরে রাখতে সহায়তা করছিল, সেগুলো মাছের ঘেরে বিলীন হয়েছে। এতে সড়কের মাটি দুর্বল হয়ে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল সৃষ্টি হয়েছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি করছে।

‎স্থানীয়দের তথ্যমতে, ঘেরটির মালিক সমীর হালদার অত্র এলাকার ত্রাস হিসাবে পরিচিত। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আঃলীগের বড় বড় নেতা তার হাজিরহাট বাজারের টিনের অফিসে এসে বসতেন, হরিদাসকাঠি ইউনিয়নে সমীরের উপর কেউ কথা বলতে পারেনা। যখন যে দল আসে তখন তাদের ছত্রছায়ায় চলে যায় সমীর হালদার। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যাবসায়ী জানান,সমীর হালদার আঃ লীগের আমলে শেষ সংসদ নির্বাচনে সাবেক এমপির হয়ে হরিদাসকাটি এলাকায় একক ভাবে ইয়াকুব আলীর কাজ করেছে,নির্বাচনী প্রাচারে দিয়েছে প্রায় ৮-১০ লক্ষ টাকা। কেউ কেউ বলেন সমীরের এক সময় কয়েক বিঘার ১টি ঘের ছিলো,আর এখন সে ২ হাজারী একর ঘেরের মালিক। এ বিষয়ে তার সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনি সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। ঘেরে ভেড়ি না থাকায় রাস্তার ক্ষতি হচ্ছে!,এ কথা বললেই তিনি মুঠোফোনে বলেন,”তাতে আপনার সমস্যা হচ্ছে কোথায়? আমাকে পরিবেশ অধিদপ্তর টাকা নিয়ে লাইসেন্স দিয়েছে।” কি বালের নিউজ করবা,করো। তবে পরিবেশ অধিদপ্তর বলছে, অস্বাস্থকর দূর্গন্ধ ব্যাতিত আমরা দেখিনা,এটা এলজিইডির বিষয়। সমীর হালদারের এ কথার ওজন পরিমাপের জন্য অনুসন্ধানী টিম চলতি মাসের ১ম সপ্তাহে হরিদাসকাটির হোগলাডাংগা গেলে স্থানীয় বিএনপির এক নেতা এ বিষয়ে আলাপের কথা বলে সমীরের সাথে যোগাযোগ করে সাংবাদিকদের হাজিরহাটে সমীরের অফিসে যেতে বলে।

কিন্ত এ বিষয়ে স্থানীয় এক ব্যাক্তিকে বললে তিনি রিতিমতো চমকে উঠলেন! পরামর্শ নিতে গিয়ে বেরিয়ে আসলো থলের বিড়াল। গোপন তথ্য আছে, কোন এক রথযাত্রার অনুষ্ঠানে হাজিরহাটে সমীরের  একক আয়োজনে অনুষ্ঠিত রথযাত্রায় সাবেক এমপি ইয়াকুব আলী,উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুখ হোসেন, যুবলীগের সন্দীপ মুখার্জি সহ মণিরামপুর আ’লীগের সামনের সারির নেতারা সমীরের হাত ধরে ঘোষনা করেছিলেন যে, আপনারা আমাকে না ভোট দিবেন সমীরকে। এমনই একটি ফুটেজ সংগ্রহ করে অনুসন্ধানী টিম। তথ্য অনুসন্ধানে প্রশ্ন ওঠে, হঠাৎ করে সমীর কিভাবে এতো টাকার মালিক! কিভাবে এত বড় বড় নেতা সমীরকে সামীহ করে! কেনোই বা সমীর হরিদাসকাটি ইউনিয়নে এখনো পর্যন্ত আধিপত্য বিস্তার করে! কোন ক্ষমতার বলে সরকারি সড়কের পাড় নিজের ঘেরের দখলে নিয়েও সাংবাদিক দের হুমকি দেই! অনুসন্ধান বলছে, উপজেলার লেবুগাতী গ্রামের সনাতন ধর্মাবলম্বী সমীর হালদার ছোটবেলা হতেই অপ্রতিরোধ্য,পরিবারের শাষন বা আর্থিক শোষন কেনটিই তাকে আটকাতে পারেনি।

কিশোর বয়সে পরিবার অর্থ যোগাতে ব্যার্থ হলেও সমীর বিভিন্ন বিত্তশালী ব্যাক্তির কাছে টাকা দাবী করতো! দিলে ভালো না দিলে হেনস্তা বা আঘাতে আহত করতো। দীরে ধীরে সমীর ৩/৫ জনের একটি দল করে নেই। তাদের উটতি বয়সেই তৎকালীন আঃলীগ সরকারের স্থানীয় নেতাদের বাদেই উপজেলা পর্যায়ের কয়েকজন নেতার সংস্পর্শে চলে যায়। এরপর দলীয় শেলটারে হরিদাসকাটি ইউনিয়ন জুড়ে বিভিন্ন লুটপাট,চাঁদাবাজি,গুম করে মুক্তিপন দাবী,সর্বশেষ সমীর কয়েকটি মাছের ঘের দখল করে নেই। কথিত আছে সমীরের নেতৃত্বে মণিরামপুর -অভয়নগর সড়কে রাতের বেলায় কয়েকটি ডাকাতির ঘঠনাও ঘঠেছে ইতিপূর্বে।

ফ্যাসিস্টদের নারকীয় অধ্যায়ে সমীর অত্র এলাকায় চরমপন্থীদের উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আ’লীগের ক্ষমতাবলে আর পেছনে তাকাতে হয়নি তাকে। তথ্য আছে, দক্ষিনাঞ্চলের কয়েকজন শীর্ষ চরমপন্থীদের সাথে সমীরের শক্ত যোগাযোগ আছে। মাঝে মধ্য হাজিরহাট বাজারে সমীরের অফিসে বহিরাগতরা এসে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় কাটায়। সন্ধা হতে গভীর রাত পর্যন্ত চলে তাদের গোপন বৈঠক। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের আগ পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। অভিযোগ উঠেছে,বর্তমানে স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতার ছত্রছায়ায় থেকে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বিগত দিনের ন্যায় এখনো চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

‎এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের দাবী জনস্বার্থে এ দখলদার ভোগদখল কারীর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হোক। জনস্বার্থে বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান ও মণিরামপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি মাহির দায়ান আমিনকে অবগত করলে সমীরের ঘেরে মধ্য রাস্তা ভাংগনের বেপারটি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।