
সাইফুল ইসলাম,রাজশাহী প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ২টি ভবন নির্মাণ কে কেন্দ্র করে চলতি বর্ষা মৌসুমে একটি ব্রিজ এর মুখ বন্ধ হওয়ায় জলাবন্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয় জনসাধারণ । রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ফাজিলপুর গ্রামের সাব রেজিষ্ট্রি অফিস সংলগ্ন হাইওয়ে ওভারপাস বন্ধ হওয়ায় এ জলাবন্ধতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে কৃষিজমি , ঘরবাড়ী সহ দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় রাজশাহীর গোদাগাড়ী রেজিষ্ট্রি অফিস সংলগ্ন নীচে বিশাল এলাকাজুড়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে আছে। বর্তমান এসব পানি ব্রাক ব্যাংক বিল্ডিং এর পাশে অবস্থিত ব্রিজ দিয়ে উপজেলার ভিতর দিয়ে থানা রোড হয়ে পদ্মা নদীতে গিয়ে পড়ে । কিন্তু বর্তমানে ব্রিজের পাশে পাশাপাশি দুইটি বিল্ডিং নির্মিত হওয়ায় ফলে ব্রিজের নিচে মাটি পড়ে তা বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
ব্রিজের পার্শবর্তী একাধিক দোকানদার জানান, মাটি ছাড়াও ঐএলাকার কয়েকটি ক্লিনিকের বর্জ্য এখানে নিয়মিত ফেলা হচ্ছে, এছাড়া মাটি দিয়ে ভরাট করার ফলে একদিকে যেমন পানি নিষ্কাষন বন্ধ রয়েছে, তেমনি ক্লিনিকের দুষিত বর্জ্যরে কারণে পুরো এলাকা দুষিত হচ্ছে। এর ফলে গন্ধে পথচারীদের যাতায়াতকালে নানান সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। ব্রিজের পাশে থাকা এক হোটেল মালিক এ প্রতিবেদককে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলের পরিবেশ ঘুরিয়ে দেখান। সেখানে গিয়ে দেখা যায় ব্রিজটির পাশে ৩টি হোটেল রয়েছে।
ব্রিজটির নিচের মাটি সরিয়ে পাশে থাকা বিল্ডিং এর সাইড দিয়ে পাইপের মাধ্যমে হলেও পানি নিষ্কাষন করা এখন জরুরী হয়ে পড়েছে বলে জানান ফাজিলপুরের স্থানীয় জনগণ। চলতি বর্ষা মৌসুমে যদি ব্রিজটি সচল করা না হয় তাহলে ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার কারণে ফাজিলপুর গ্রামের নিম্নাঞ্চলের বাড়ীঘর কৃষিজমি ও ধান ক্ষেত সহ দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এর ফলে এখানকার কৃষকরা ধান রোপন করতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন অনেকে। খুব শীঘ্রই ব্রিজটি যাতে অবমুক্ত করা হয় তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোদাগাড়ী পৌর প্রশাসক জনাব ইসরাত জাহানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন কালভার্টটি মুলত রোডস এন্ড হাইওয়ের, তাদেরকেদ্রুততম সময়ের মধ্যে জানানো হবে, তারা যদি আমাদের সহযোগিতা চায় তাহলে সহযোগিতা করা হবে। তবে সেখানকার লোকজন অফিসে একটি অভিযোগ দিয়েছে সেটি দেখে শুনে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। ব্রিজ বন্ধ করে যদি অন্য কোন দিকে নিয়ে যাওয়া যায় তাহলে প্রশাসক হিসেবে প্রয়োজনে সেটিও করার আশ্বাস প্রদান করেন তিনি।











