১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলিপুর হইতে কুলিয়া বাজারে সড়কের দুপাশে অ-প্রয়োজনীয় অংশ উচ্ছেদ না করার অনুরোধে জেলা পরিষদ প্রশাসক বরাবর আবেদন

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৩৪:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ৪৮ Time View
blank
blank

 

আব্দুল্লাহ আল মামুন, দেবহাটাঃ

সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কে আলিপুর হইতে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন কাজের জন্য অ-প্রয়োজনীয় অংশ উচ্ছেদ না করার জন্য সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক বরাবর আবেদন করেছেন অত্র এলাকার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ। আলিপুর হইতে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত আগামী ৮ ও ৯ জুলাই মহাসড়কের দু’পাশে সরকারি খাস জমিতে অবৈধ স্থাপনাগুলো অপসারণ করার বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন সড়ক বিভাগ।
বুধবার ২৪ জুন দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক কার্যালয়ে যেয়ে উক্ত আবেদন পত্রটি জেলা পরিষদ প্রশাসক সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব মহাদয়ের নিকট প্রদান করে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারন সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন ও সাধারন সম্পাদক আবু হুরাইরা, সমাজ সেবক মোজাম্মেল হোসেন (মিনু ডাক্তার) প্রমুখ। আবেদন পত্র দেওয়ার সময়ে জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব উপস্থিত ভুক্তিভোগী সাধারন জনগণের আবেদন এর কথা গুলো মনোযোগ দিয়ে শোনার পরে তিনি উক্ত এলাকায় এসে প্রত্যক্ষ ভাবে দেখে, সেই ভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে আশাস্ত করেন।
লিখিত আবেদন পত্র হইতে জানা যায়, সাতক্ষীরা- হইতে ভেটখালি মহাসড়কের আলিপুর হইতে কুলিয়া বাজার অংশ সড়ক উন্নয়ন কার্যক্রমকে আমরা আন্তরিক ভাবে স্বাগত জানাই। সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের ম্যাপ অনুযায়ী সড়কের দু’পাশে সরকারি জমিতে অবস্থিত স্থাপনা উচ্ছেদ করার আইনগত অধিকার রয়েছে।
আমাদের বিনীত বক্তব্য সড়ক উন্নয়ন কাজের জন্য যতটুকু জমি বাস্তবে প্রয়োজন, কেবল ততটুকু অংশ ব্যবহার করেই উন্নয়ন কার্যক্রম সফল ভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব। বর্তমানে সেভাবে রাস্তার কাজও মোটামুটি এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু যদি প্রয়োজনের অতিরিক্ত অংশে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়, তবে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাদের দোকান, পুঁজি, জীবিকা ও উপার্জনের এক মাত্র অবলম্বন হারিয়ে সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। এতে শুধু ব্যক্তি বা পরিবার নয়,বাজার, মৎস সেড বিলিন হয়ে পুরো এলাকার গ্রামীণ অর্থনীতি, ক্ষুদ্র ব্যবসা- বানিজ্য, বাজার ব্যবস্থাও সামাজিক স্থিতিশীলতা মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অন্যদিকে সড়কের পাশে বহু ভূমিহীন পরিবার তাদের স্ত্রী, সন্তান, বৃদ্ধ মা- বাবাদের নিয়ে দীর্ঘ দিন যাবৎ বসবাস করছেন। প্রয়োজনের অতিরিক্ত উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা হলে এসব পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয় টুকুও হারাবে। বিষয়টি মানবিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও জন স্বার্থমূলক গুরুত্ব বিবেচনা করে, সড়ক উন্নয়নের কাজের জন্য প্রয়োজনীয় অংশ ছাড়া বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জন্য একান্তভাবে কামনা করা হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

আলিপুর হইতে কুলিয়া বাজারে সড়কের দুপাশে অ-প্রয়োজনীয় অংশ উচ্ছেদ না করার অনুরোধে জেলা পরিষদ প্রশাসক বরাবর আবেদন

Update Time : ০৯:৩৪:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
blank
blank

 

আব্দুল্লাহ আল মামুন, দেবহাটাঃ

সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কে আলিপুর হইতে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন কাজের জন্য অ-প্রয়োজনীয় অংশ উচ্ছেদ না করার জন্য সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক বরাবর আবেদন করেছেন অত্র এলাকার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ। আলিপুর হইতে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত আগামী ৮ ও ৯ জুলাই মহাসড়কের দু’পাশে সরকারি খাস জমিতে অবৈধ স্থাপনাগুলো অপসারণ করার বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন সড়ক বিভাগ।
বুধবার ২৪ জুন দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক কার্যালয়ে যেয়ে উক্ত আবেদন পত্রটি জেলা পরিষদ প্রশাসক সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব মহাদয়ের নিকট প্রদান করে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারন সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন ও সাধারন সম্পাদক আবু হুরাইরা, সমাজ সেবক মোজাম্মেল হোসেন (মিনু ডাক্তার) প্রমুখ। আবেদন পত্র দেওয়ার সময়ে জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব উপস্থিত ভুক্তিভোগী সাধারন জনগণের আবেদন এর কথা গুলো মনোযোগ দিয়ে শোনার পরে তিনি উক্ত এলাকায় এসে প্রত্যক্ষ ভাবে দেখে, সেই ভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে আশাস্ত করেন।
লিখিত আবেদন পত্র হইতে জানা যায়, সাতক্ষীরা- হইতে ভেটখালি মহাসড়কের আলিপুর হইতে কুলিয়া বাজার অংশ সড়ক উন্নয়ন কার্যক্রমকে আমরা আন্তরিক ভাবে স্বাগত জানাই। সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের ম্যাপ অনুযায়ী সড়কের দু’পাশে সরকারি জমিতে অবস্থিত স্থাপনা উচ্ছেদ করার আইনগত অধিকার রয়েছে।
আমাদের বিনীত বক্তব্য সড়ক উন্নয়ন কাজের জন্য যতটুকু জমি বাস্তবে প্রয়োজন, কেবল ততটুকু অংশ ব্যবহার করেই উন্নয়ন কার্যক্রম সফল ভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব। বর্তমানে সেভাবে রাস্তার কাজও মোটামুটি এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু যদি প্রয়োজনের অতিরিক্ত অংশে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়, তবে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাদের দোকান, পুঁজি, জীবিকা ও উপার্জনের এক মাত্র অবলম্বন হারিয়ে সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। এতে শুধু ব্যক্তি বা পরিবার নয়,বাজার, মৎস সেড বিলিন হয়ে পুরো এলাকার গ্রামীণ অর্থনীতি, ক্ষুদ্র ব্যবসা- বানিজ্য, বাজার ব্যবস্থাও সামাজিক স্থিতিশীলতা মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অন্যদিকে সড়কের পাশে বহু ভূমিহীন পরিবার তাদের স্ত্রী, সন্তান, বৃদ্ধ মা- বাবাদের নিয়ে দীর্ঘ দিন যাবৎ বসবাস করছেন। প্রয়োজনের অতিরিক্ত উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা হলে এসব পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয় টুকুও হারাবে। বিষয়টি মানবিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও জন স্বার্থমূলক গুরুত্ব বিবেচনা করে, সড়ক উন্নয়নের কাজের জন্য প্রয়োজনীয় অংশ ছাড়া বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জন্য একান্তভাবে কামনা করা হয়।