০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে ট্রাক চাপায় প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর,আগুনে পুড়ল ২টি ডাম্প ট্রাক বি’ক্ষু’ব্ধ জনতা

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০২:০৩:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • ১০৯ Time View
blank
blank

 

পাভেল ইসলাম মিমুল,নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজশাহীর পুঠিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আকরাম (৬০) নামের এক ব্যবসায়ীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ জনতা সড়ক অবরোধ করে দুটি ডাম্প ট্রাকে আগুন দেয়।

মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ৭টার দিকে বিড়ালদহ মাজারের দিকে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া
প্রতিবেদকের মোবাইল ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধ জনতা।

‎নিহত আকরামের বাড়ি রাজশাহীর সরদা থানাপাড়া এলাকায়। পেশায় তিনি একজন দরজি। তাঁর বয়স আনুমানিক ৬০ বছর। পুঠিয়ার বিড়ালদহ মাজার এলাকায় তাঁর একটি টেইলারের দোকান রয়েছে।

‎প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়,সকালের দিকে আকরাম নাস্তা খেয়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি দ্রুতগামী ডাম্প ট্রাকের চাপায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনি। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় এলাকাবাসী ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং ঘাতক ড্রামট্রাকটিকে আটকে ফেলেন।
‎
‎​দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় মানুষ মহাসড়কে নেমে আসেন। বিক্ষুব্ধ জনতা এ সময় দুটি ড্রামট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনের লেলিহান শিখায় ট্রাক দুটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা পুলিশকে ঘটনাস্থলে আসতে বাধা দেয় এবং দীর্ঘক্ষণ মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে।
‎
এদিকে ‎​পেশাগত দায়িত্ব পালনে ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে স্থানীয়দের রোষানলে পড়েন সাংবাদিকরা। এ সময় উত্তেজিত জনতা একজন সাংবাদিকের ওপর চড়াও হয় এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ভেঙে ফেলে।
‎​
‎​খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। শুরুতে বাধার সম্মুখীন হলেও পরে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ট্রাকের আগুন নিভিয়ে ফেলেন।

এবিষয় জানতে চাইলে পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন,বিক্ষুব্ধ জনতা আমাদের উপরও চড়াও হয়। পরে তারা কিছু দাবি জানান। তারমধ্যে দিনের বেলায় ওই এলাকায় কোনো ডাম্প ট্রাক চলতে দেওয়া যাবে না। সড়কে স্পিডব্রেকার বসাতে হবে। ওসি এসব দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় তারা।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

Popular Post
blank

মণিরামপুরে শ্যামকুড়বাসীর জন্য রফিকুলের প্রতিশ্রুতি চেয়ারম্যান হলে প্রতি মাসে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা

রাজশাহীতে ট্রাক চাপায় প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর,আগুনে পুড়ল ২টি ডাম্প ট্রাক বি’ক্ষু’ব্ধ জনতা

Update Time : ০২:০৩:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
blank
blank

 

পাভেল ইসলাম মিমুল,নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজশাহীর পুঠিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আকরাম (৬০) নামের এক ব্যবসায়ীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ জনতা সড়ক অবরোধ করে দুটি ডাম্প ট্রাকে আগুন দেয়।

মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ৭টার দিকে বিড়ালদহ মাজারের দিকে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া
প্রতিবেদকের মোবাইল ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধ জনতা।

‎নিহত আকরামের বাড়ি রাজশাহীর সরদা থানাপাড়া এলাকায়। পেশায় তিনি একজন দরজি। তাঁর বয়স আনুমানিক ৬০ বছর। পুঠিয়ার বিড়ালদহ মাজার এলাকায় তাঁর একটি টেইলারের দোকান রয়েছে।

‎প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়,সকালের দিকে আকরাম নাস্তা খেয়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি দ্রুতগামী ডাম্প ট্রাকের চাপায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনি। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় এলাকাবাসী ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং ঘাতক ড্রামট্রাকটিকে আটকে ফেলেন।
‎
‎​দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় মানুষ মহাসড়কে নেমে আসেন। বিক্ষুব্ধ জনতা এ সময় দুটি ড্রামট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনের লেলিহান শিখায় ট্রাক দুটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা পুলিশকে ঘটনাস্থলে আসতে বাধা দেয় এবং দীর্ঘক্ষণ মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে।
‎
এদিকে ‎​পেশাগত দায়িত্ব পালনে ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে স্থানীয়দের রোষানলে পড়েন সাংবাদিকরা। এ সময় উত্তেজিত জনতা একজন সাংবাদিকের ওপর চড়াও হয় এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ভেঙে ফেলে।
‎​
‎​খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। শুরুতে বাধার সম্মুখীন হলেও পরে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ট্রাকের আগুন নিভিয়ে ফেলেন।

এবিষয় জানতে চাইলে পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন,বিক্ষুব্ধ জনতা আমাদের উপরও চড়াও হয়। পরে তারা কিছু দাবি জানান। তারমধ্যে দিনের বেলায় ওই এলাকায় কোনো ডাম্প ট্রাক চলতে দেওয়া যাবে না। সড়কে স্পিডব্রেকার বসাতে হবে। ওসি এসব দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় তারা।