০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‎সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে, নীরব প্রশাসন-কেমোথেরাপির টাকায় থমকে মণিরামপুরে ক্যা’ন্সা’র আ’ক্রা’ন্ত মিলি

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৫:১৭:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮৮ Time View
blank
blank

 

‎‎মোঃ মাসুম বিল্লাল, মণিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ

স্বপ্ন ছিল সাদা অ্যাপ্রন পরে মানুষের সেবা করার। কিন্তু নির্মম বাস্তবতায় সেই স্বপ্ন আজ থমকে গেছে হাসপাতালের বেডে। ক্যান্সারে আক্রান্ত মেধাবী শিক্ষার্থী “সামিয়া জামান মিলি”এখন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে প্রতিটি মুহূর্তে।
‎
‎যশোরের মণিরামপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ (বিজ্ঞান) বিভাগের এই ছাত্রী বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন,বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার শরীরে চলছে ব্যয়বহুল কেমোথেরাপি। কিন্তু প্রতিটি সেশনের খরচ পরিবারটির জন্য হয়ে উঠেছে অসহনীয় বোঝা। মিলির মা ❝সেলিনা বেগম❞, স্বামীহারা এক অসহায় নারী,একমাত্র মেয়েকে বাঁচাতে এখন দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন
‎“আমার মেয়েটা খুব মেধাবী। ও ডাক্তার হতে চেয়েছিল। এখন শুধু বাঁচতে চায়,কিন্তু টাকার অভাবে চিকিৎসা থেমে যাওয়ার উপক্রম আমি আর পারছি না।

মণিরামপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের হাজরাকাটি গ্রামের প্রয়াত নবীরুজ্জামানের মেয়ে মিলির চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা পরিকল্পনা ও বিপুল অর্থ,ইতোমধ্যে যা সামান্য সঞ্চয় ছিল,তা শেষ হয়ে গেছে। এখন পরিবারটি সম্পূর্ণভাবে সমাজ ও রাষ্ট্রের সহায়তার দিকে তাকিয়ে আছে।
‎
‎চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সময়মতো কেমোথেরাপি চালিয়ে যেতে পারলে মিলির সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে,কিন্তু অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে পরিস্থিতি মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে। এদিকে সহপাঠী, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক উদ্বেগ ও সহানুভূতি তৈরি হয়েছে। ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু সহায়তা এলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল।
‎
‎এমন মানবিক সংকটে এখন প্রয়োজন উপজেলা প্রশাসনের সরাসরি হস্তক্ষেপ।‎“উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)”, সমাজসেবা অফিস, জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত সহায়তা কামনা করছেন এলাকাবাসী,সরকারি সহায়তা,চিকিৎসা অনুদান কিংবা বিশেষ তহবিলের মাধ্যমে এগিয়ে এলে বাঁচতে পারে একটি মেধাবী প্রাণ, ফিরে পেতে পারে একটি স্বপ্ন। সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী ও দানশীল ব্যক্তিদের সহযোগিতায় মিলির চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব,আপনার সহায়তায় সে আবার ফিরতে পারে শ্রেণিকক্ষে, বইয়ের কাছে-আর তার স্বপ্নের পথে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

‎সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে, নীরব প্রশাসন-কেমোথেরাপির টাকায় থমকে মণিরামপুরে ক্যা’ন্সা’র আ’ক্রা’ন্ত মিলি

Update Time : ০৫:১৭:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
blank
blank

 

‎‎মোঃ মাসুম বিল্লাল, মণিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ

স্বপ্ন ছিল সাদা অ্যাপ্রন পরে মানুষের সেবা করার। কিন্তু নির্মম বাস্তবতায় সেই স্বপ্ন আজ থমকে গেছে হাসপাতালের বেডে। ক্যান্সারে আক্রান্ত মেধাবী শিক্ষার্থী “সামিয়া জামান মিলি”এখন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে প্রতিটি মুহূর্তে।
‎
‎যশোরের মণিরামপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ (বিজ্ঞান) বিভাগের এই ছাত্রী বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন,বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার শরীরে চলছে ব্যয়বহুল কেমোথেরাপি। কিন্তু প্রতিটি সেশনের খরচ পরিবারটির জন্য হয়ে উঠেছে অসহনীয় বোঝা। মিলির মা ❝সেলিনা বেগম❞, স্বামীহারা এক অসহায় নারী,একমাত্র মেয়েকে বাঁচাতে এখন দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন
‎“আমার মেয়েটা খুব মেধাবী। ও ডাক্তার হতে চেয়েছিল। এখন শুধু বাঁচতে চায়,কিন্তু টাকার অভাবে চিকিৎসা থেমে যাওয়ার উপক্রম আমি আর পারছি না।

মণিরামপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের হাজরাকাটি গ্রামের প্রয়াত নবীরুজ্জামানের মেয়ে মিলির চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা পরিকল্পনা ও বিপুল অর্থ,ইতোমধ্যে যা সামান্য সঞ্চয় ছিল,তা শেষ হয়ে গেছে। এখন পরিবারটি সম্পূর্ণভাবে সমাজ ও রাষ্ট্রের সহায়তার দিকে তাকিয়ে আছে।
‎
‎চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সময়মতো কেমোথেরাপি চালিয়ে যেতে পারলে মিলির সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে,কিন্তু অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে পরিস্থিতি মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে। এদিকে সহপাঠী, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক উদ্বেগ ও সহানুভূতি তৈরি হয়েছে। ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু সহায়তা এলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল।
‎
‎এমন মানবিক সংকটে এখন প্রয়োজন উপজেলা প্রশাসনের সরাসরি হস্তক্ষেপ।‎“উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)”, সমাজসেবা অফিস, জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত সহায়তা কামনা করছেন এলাকাবাসী,সরকারি সহায়তা,চিকিৎসা অনুদান কিংবা বিশেষ তহবিলের মাধ্যমে এগিয়ে এলে বাঁচতে পারে একটি মেধাবী প্রাণ, ফিরে পেতে পারে একটি স্বপ্ন। সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী ও দানশীল ব্যক্তিদের সহযোগিতায় মিলির চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব,আপনার সহায়তায় সে আবার ফিরতে পারে শ্রেণিকক্ষে, বইয়ের কাছে-আর তার স্বপ্নের পথে।