০৮:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মণিরামপুরে আরিফ হত্যাকাণ্ডে আধুনিক প্রযুক্তিতে সোহেল ও ফুয়াদ গ্রেফতার

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১১:২৩:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • ৩৩ Time View
blank
blank

‎
‎মোঃ মাসুম বিল্লাল, মণিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ

যশোরের মণিরামপুরে চাঞ্চল্যকর যুবক আরিফ হোসেন (১৯) হত্যাকান্ডে (৪ ঠা মার্চ )বুধবার বিকাল ৪টার দিকে আধুনিক তথ্য প্রযুত্তির ব্যবহার ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বাগেরহাট জেলার মংলা থানার শেখ আব্দুল হাই  সড়কস্ত হোটেল হাজী শেখ আব্দুস সালাম ইন্টারন্যাশনাল (আবাসিক) এর তৃতীয় তলার ৭ নম্বর রুম থেকে তদন্তে প্রাপ্ত আসামী ভিকটিমের সৎ বাবা সোহেল মাহমুদ(৩৬) ও তার সহযোগী ফুয়াদ হাসান সৌরভ (২৬)কে গ্রেফতার করে গ্রেফতার করেছে যশোর জেলা গোয়েন্দ পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৫ই মার্চ) বিকালে আসামীদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ঘের হতে উদ্ধার হয়েছে হত্যাকান্ডে ব্যবহারিত চাপাতি। গ্রেফতার হওয়া এ হত্যার মাস্টারমাইন্ড মোঃ সোহেল রানা উপজেলার দক্ষিন বালিধা গ্রামের জামাল গাজীর ছেলে ও মৃত যুবক আরিফ হোসেনের প্রবাশী মায়ের ২য় পক্ষের স্বামী বলে জানা গেছে,গ্রেফতার হওয়া অপরজন হলো খুনী সোহেলের সহযোগী পাচাকড়ি গ্রামের আশরাফ সরদারের ছেলে ফুয়াদ হাসান।

‎স্থানীয়দের তথ্য মোতাবেক,মৃত যুবক আরিফ হোসেনের মায়ের সাথে আরিফের পিতা বালিধা গ্রামের গরু ব্যবসায়ী আতিয়ার রহমানের ঝগড়া বিবাদে ১০-১২ বছর আগে দক্ষিন বালিধা প্রাইমারী স্কুল সংলগ্ন জামাল গাজীর ছেলে সোহেল মাহমুদের বিয়ে হয়। তবে বছর খানেকের মধ্য তাদের আবার ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলে আরিফের মা বিদেশ চলে যায়। সে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশের জেরে গত শনিবার (২৮শে ফেব্রুয়ারী) রাতে বালিধা সঃপ্রাঃ বিদ্যালয় মাঠে বসে মুঠোফোন চালানো অবস্থায় ফুসলিয়ে বালিধা বৈরাগীর মোড়ের আনোয়ার ফকিরের ঘের পাড়ে নিয়ে যায়।

প্রথমে কুপিয়ে ও পরে শাঁস রোধে হত্যা করে ঘেরের পানিতে ফেলে দেই বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছে গ্রেফতার হওয়া দুই আসামী। পরদিন (১লা মার্চ )রবিবার ভোরবেলা ঘেরের পানিতে লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা থানা পুলিশকে খবর দিলে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আরিফ হোসেন (১৯) লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় মণিরামপুর থানা পুলিশ।

এ সময় সন্দেহজনক হিসেবে আরিফের তিন বন্ধুকে হেফাজতে নেই পুলিশ। তাদেরই দেওয়া তথ্য ও চলমান ছায়াতদন্ত মোতাবেক মাস্টারমাইন্ড সোহেল মাহমুদ ও ফুয়াদ হাসান সৌরভকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মণিরামপুর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রজিউল্লাহ খান। তিনি আরো জানান এ হত্যাকান্ডে মৃত আরিফের বোন জুলিয়া আক্তার বাদী হওয়া মণিরামপুর থানায় রেকর্ডকৃত মামলা নং ০৫/২৬ অনুযায়ী অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার অভিযান চলমান আছে।
‎

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

মণিরামপুরে আরিফ হত্যাকাণ্ডে আধুনিক প্রযুক্তিতে সোহেল ও ফুয়াদ গ্রেফতার

Update Time : ১১:২৩:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
blank
blank

‎
‎মোঃ মাসুম বিল্লাল, মণিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ

যশোরের মণিরামপুরে চাঞ্চল্যকর যুবক আরিফ হোসেন (১৯) হত্যাকান্ডে (৪ ঠা মার্চ )বুধবার বিকাল ৪টার দিকে আধুনিক তথ্য প্রযুত্তির ব্যবহার ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বাগেরহাট জেলার মংলা থানার শেখ আব্দুল হাই  সড়কস্ত হোটেল হাজী শেখ আব্দুস সালাম ইন্টারন্যাশনাল (আবাসিক) এর তৃতীয় তলার ৭ নম্বর রুম থেকে তদন্তে প্রাপ্ত আসামী ভিকটিমের সৎ বাবা সোহেল মাহমুদ(৩৬) ও তার সহযোগী ফুয়াদ হাসান সৌরভ (২৬)কে গ্রেফতার করে গ্রেফতার করেছে যশোর জেলা গোয়েন্দ পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৫ই মার্চ) বিকালে আসামীদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ঘের হতে উদ্ধার হয়েছে হত্যাকান্ডে ব্যবহারিত চাপাতি। গ্রেফতার হওয়া এ হত্যার মাস্টারমাইন্ড মোঃ সোহেল রানা উপজেলার দক্ষিন বালিধা গ্রামের জামাল গাজীর ছেলে ও মৃত যুবক আরিফ হোসেনের প্রবাশী মায়ের ২য় পক্ষের স্বামী বলে জানা গেছে,গ্রেফতার হওয়া অপরজন হলো খুনী সোহেলের সহযোগী পাচাকড়ি গ্রামের আশরাফ সরদারের ছেলে ফুয়াদ হাসান।

‎স্থানীয়দের তথ্য মোতাবেক,মৃত যুবক আরিফ হোসেনের মায়ের সাথে আরিফের পিতা বালিধা গ্রামের গরু ব্যবসায়ী আতিয়ার রহমানের ঝগড়া বিবাদে ১০-১২ বছর আগে দক্ষিন বালিধা প্রাইমারী স্কুল সংলগ্ন জামাল গাজীর ছেলে সোহেল মাহমুদের বিয়ে হয়। তবে বছর খানেকের মধ্য তাদের আবার ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলে আরিফের মা বিদেশ চলে যায়। সে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশের জেরে গত শনিবার (২৮শে ফেব্রুয়ারী) রাতে বালিধা সঃপ্রাঃ বিদ্যালয় মাঠে বসে মুঠোফোন চালানো অবস্থায় ফুসলিয়ে বালিধা বৈরাগীর মোড়ের আনোয়ার ফকিরের ঘের পাড়ে নিয়ে যায়।

প্রথমে কুপিয়ে ও পরে শাঁস রোধে হত্যা করে ঘেরের পানিতে ফেলে দেই বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছে গ্রেফতার হওয়া দুই আসামী। পরদিন (১লা মার্চ )রবিবার ভোরবেলা ঘেরের পানিতে লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা থানা পুলিশকে খবর দিলে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আরিফ হোসেন (১৯) লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায় মণিরামপুর থানা পুলিশ।

এ সময় সন্দেহজনক হিসেবে আরিফের তিন বন্ধুকে হেফাজতে নেই পুলিশ। তাদেরই দেওয়া তথ্য ও চলমান ছায়াতদন্ত মোতাবেক মাস্টারমাইন্ড সোহেল মাহমুদ ও ফুয়াদ হাসান সৌরভকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মণিরামপুর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রজিউল্লাহ খান। তিনি আরো জানান এ হত্যাকান্ডে মৃত আরিফের বোন জুলিয়া আক্তার বাদী হওয়া মণিরামপুর থানায় রেকর্ডকৃত মামলা নং ০৫/২৬ অনুযায়ী অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার অভিযান চলমান আছে।
‎