১১:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে দোয়া ও প্রীতিভোজ যশোরের কেশবপুরে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার (২১ নভেম্বর) জুমার নামাজ বাদ কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার আয়োজনে পৌর শহরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের হলরুমে দোয়া ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার উপদেষ্টা মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিস মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, উপদেষ্টা ডক্টর হাবিবুর রহমান। বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর এমনই একটা দিন-যে দিনটিকে বলা হয় সম্মান, সাহস আর দেশরক্ষার প্রতীক। এই দিনে বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণের সূচনা করে। সেদিন একসাথে যুদ্ধ করাটাই মুক্তিযুদ্ধ কে নিয়ে যায় বিজয়ের আরও কাছে। এরপর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ-ভারতের সেনাদের নিয়ে গড়া মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর প্রায় তিরানব্বই হাজার সেনা আনুষ্ঠানিকভাবে রেসকোর্স ময়দানে আত্মসমর্পণ করে। এই আত্মসমর্পণের মধ্যে দিয়েই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে এবং বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন স্বাধীন-সার্বভৌমত্ব বাংলাদেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাড়াতে পেরেছি। আলোচনা শেষে মুক্তিযুদ্ধে সকল বীর শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কর্পোরাল মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু। পরিশেষে কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী সংস্থার সম্মানিত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান উপস্থিত সকলের সুস্বাস্থ্য দীর্ঘায়ূ কামনা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার সহ-সভাপতি ওয়ারেন্ট অফিসার রবিউল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক সার্জেন্ট আনিসুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক কর্পোরাল রেজাউল ইসলাম, সহ-সংগঠনিক সম্পাদক সার্জেন্ট মাহবুবুর রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদক সার্জেন্ট আব্দুল মোমিন, সহ আইন সম্পাদক সার্জেন্ট রুস্তম আলী, দপ্তর সম্পাদক সার্জেন্ট মাসুদ, প্রচার সম্পাদক সার্জেন্ট শওকত আলী, সহ প্রচার সম্পাদক সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর কবির মিন্টু, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সার্জেন্ট শাহিনুর রহমান, ক্রিয়া সংস্কৃতিক সম্পাদক সম্পাদক সার্জেন্ট আব্দুল জলিল, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক সম্পাদক সার্জেন্ট রেজাউল ইসলাম, সদস্য সার্জেন্ট মাহাবুর রহমান, সার্জেন্ট মিজানুর রহমান, কর্পোরাল জালাল কর্পোরাল আবু কাসেম, সার্জেন্ট সুভাষ চন্দ্র মন্ডল, সার্জেন্ট মিজান, সার্জেন্ট রেজাউল, সার্জন শামছুর রহমান, সার্জেন্ট শফিকুল ইসলাম, সার্জেন্ট শরিফুল ইসলামসহ সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১২:৫৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৯ Time View
blank
blank

শামীম আখতার মুকুল(নিজস্ব প্রতিবেদক)

যশোরের কেশবপুরে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার (২১ নভেম্বর) জুমার নামাজ বাদ কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার আয়োজনে পৌর শহরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের হলরুমে দোয়া ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন
কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার উপদেষ্টা মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিস মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, উপদেষ্টা ডক্টর হাবিবুর রহমান।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর এমনই একটা দিন-যে দিনটিকে বলা হয় সম্মান, সাহস আর দেশরক্ষার প্রতীক। এই দিনে বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণের সূচনা করে। সেদিন একসাথে যুদ্ধ করাটাই মুক্তিযুদ্ধ কে নিয়ে যায় বিজয়ের আরও কাছে। এরপর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ-ভারতের সেনাদের নিয়ে গড়া মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর প্রায় তিরানব্বই হাজার সেনা আনুষ্ঠানিকভাবে রেসকোর্স ময়দানে আত্মসমর্পণ করে। এই আত্মসমর্পণের মধ্যে দিয়েই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে এবং
বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন স্বাধীন-সার্বভৌমত্ব বাংলাদেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাড়াতে পেরেছি।

আলোচনা শেষে মুক্তিযুদ্ধে সকল বীর শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কর্পোরাল মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু।
পরিশেষে কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী সংস্থার সম্মানিত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান উপস্থিত সকলের সুস্বাস্থ্য দীর্ঘায়ূ কামনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার সহ-সভাপতি ওয়ারেন্ট অফিসার রবিউল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক সার্জেন্ট আনিসুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক কর্পোরাল রেজাউল ইসলাম, সহ-সংগঠনিক সম্পাদক সার্জেন্ট মাহবুবুর রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদক সার্জেন্ট আব্দুল মোমিন, সহ আইন সম্পাদক সার্জেন্ট রুস্তম আলী, দপ্তর সম্পাদক সার্জেন্ট মাসুদ, প্রচার সম্পাদক সার্জেন্ট শওকত আলী, সহ প্রচার সম্পাদক সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর কবির মিন্টু, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সার্জেন্ট শাহিনুর রহমান, ক্রিয়া সংস্কৃতিক সম্পাদক সম্পাদক সার্জেন্ট আব্দুল জলিল, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক সম্পাদক সার্জেন্ট রেজাউল ইসলাম, সদস্য সার্জেন্ট মাহাবুর রহমান, সার্জেন্ট মিজানুর রহমান, কর্পোরাল জালাল কর্পোরাল আবু কাসেম, সার্জেন্ট সুভাষ চন্দ্র মন্ডল, সার্জেন্ট মিজান, সার্জেন্ট রেজাউল, সার্জন শামছুর রহমান, সার্জেন্ট শফিকুল ইসলাম, সার্জেন্ট শরিফুল ইসলামসহ সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

কেশবপুরে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে দোয়া ও প্রীতিভোজ যশোরের কেশবপুরে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার (২১ নভেম্বর) জুমার নামাজ বাদ কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার আয়োজনে পৌর শহরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের হলরুমে দোয়া ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার উপদেষ্টা মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিস মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, উপদেষ্টা ডক্টর হাবিবুর রহমান। বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর এমনই একটা দিন-যে দিনটিকে বলা হয় সম্মান, সাহস আর দেশরক্ষার প্রতীক। এই দিনে বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণের সূচনা করে। সেদিন একসাথে যুদ্ধ করাটাই মুক্তিযুদ্ধ কে নিয়ে যায় বিজয়ের আরও কাছে। এরপর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ-ভারতের সেনাদের নিয়ে গড়া মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর প্রায় তিরানব্বই হাজার সেনা আনুষ্ঠানিকভাবে রেসকোর্স ময়দানে আত্মসমর্পণ করে। এই আত্মসমর্পণের মধ্যে দিয়েই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে এবং বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন স্বাধীন-সার্বভৌমত্ব বাংলাদেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাড়াতে পেরেছি। আলোচনা শেষে মুক্তিযুদ্ধে সকল বীর শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কর্পোরাল মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু। পরিশেষে কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী সংস্থার সম্মানিত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান উপস্থিত সকলের সুস্বাস্থ্য দীর্ঘায়ূ কামনা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার সহ-সভাপতি ওয়ারেন্ট অফিসার রবিউল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক সার্জেন্ট আনিসুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক কর্পোরাল রেজাউল ইসলাম, সহ-সংগঠনিক সম্পাদক সার্জেন্ট মাহবুবুর রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদক সার্জেন্ট আব্দুল মোমিন, সহ আইন সম্পাদক সার্জেন্ট রুস্তম আলী, দপ্তর সম্পাদক সার্জেন্ট মাসুদ, প্রচার সম্পাদক সার্জেন্ট শওকত আলী, সহ প্রচার সম্পাদক সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর কবির মিন্টু, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সার্জেন্ট শাহিনুর রহমান, ক্রিয়া সংস্কৃতিক সম্পাদক সম্পাদক সার্জেন্ট আব্দুল জলিল, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক সম্পাদক সার্জেন্ট রেজাউল ইসলাম, সদস্য সার্জেন্ট মাহাবুর রহমান, সার্জেন্ট মিজানুর রহমান, কর্পোরাল জালাল কর্পোরাল আবু কাসেম, সার্জেন্ট সুভাষ চন্দ্র মন্ডল, সার্জেন্ট মিজান, সার্জেন্ট রেজাউল, সার্জন শামছুর রহমান, সার্জেন্ট শফিকুল ইসলাম, সার্জেন্ট শরিফুল ইসলামসহ সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ

Update Time : ১২:৫৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
blank
blank

শামীম আখতার মুকুল(নিজস্ব প্রতিবেদক)

যশোরের কেশবপুরে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার (২১ নভেম্বর) জুমার নামাজ বাদ কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার আয়োজনে পৌর শহরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের হলরুমে দোয়া ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন
কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার উপদেষ্টা মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিস মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, উপদেষ্টা ডক্টর হাবিবুর রহমান।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর এমনই একটা দিন-যে দিনটিকে বলা হয় সম্মান, সাহস আর দেশরক্ষার প্রতীক। এই দিনে বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণের সূচনা করে। সেদিন একসাথে যুদ্ধ করাটাই মুক্তিযুদ্ধ কে নিয়ে যায় বিজয়ের আরও কাছে। এরপর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ-ভারতের সেনাদের নিয়ে গড়া মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর প্রায় তিরানব্বই হাজার সেনা আনুষ্ঠানিকভাবে রেসকোর্স ময়দানে আত্মসমর্পণ করে। এই আত্মসমর্পণের মধ্যে দিয়েই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে এবং
বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন স্বাধীন-সার্বভৌমত্ব বাংলাদেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাড়াতে পেরেছি।

আলোচনা শেষে মুক্তিযুদ্ধে সকল বীর শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কর্পোরাল মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু।
পরিশেষে কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী সংস্থার সম্মানিত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান উপস্থিত সকলের সুস্বাস্থ্য দীর্ঘায়ূ কামনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার সহ-সভাপতি ওয়ারেন্ট অফিসার রবিউল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক সার্জেন্ট আনিসুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক কর্পোরাল রেজাউল ইসলাম, সহ-সংগঠনিক সম্পাদক সার্জেন্ট মাহবুবুর রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদক সার্জেন্ট আব্দুল মোমিন, সহ আইন সম্পাদক সার্জেন্ট রুস্তম আলী, দপ্তর সম্পাদক সার্জেন্ট মাসুদ, প্রচার সম্পাদক সার্জেন্ট শওকত আলী, সহ প্রচার সম্পাদক সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর কবির মিন্টু, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সার্জেন্ট শাহিনুর রহমান, ক্রিয়া সংস্কৃতিক সম্পাদক সম্পাদক সার্জেন্ট আব্দুল জলিল, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক সম্পাদক সার্জেন্ট রেজাউল ইসলাম, সদস্য সার্জেন্ট মাহাবুর রহমান, সার্জেন্ট মিজানুর রহমান, কর্পোরাল জালাল কর্পোরাল আবু কাসেম, সার্জেন্ট সুভাষ চন্দ্র মন্ডল, সার্জেন্ট মিজান, সার্জেন্ট রেজাউল, সার্জন শামছুর রহমান, সার্জেন্ট শফিকুল ইসলাম, সার্জেন্ট শরিফুল ইসলামসহ সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।