০১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে বিএনপি নেতা শহীদ আবু বকর আবু’র স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০১:১২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩৩ Time View
blank
blank

 

শামীম আখতার (নিজস্ব প্রতিবেদক)

যশোর জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি, কেশবপুর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ও মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান শহীদ আবুবকর আবু’র ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিকেলে শহীদ আবু বকর আবু হত্যার বিচারের দাবিতে সমন্বয়ক পরিষদের আয়োজনে পৌর শহরের কেশবপুর সরকারি পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে ওই স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজার-হাজার নেতাকর্মীদের আগমনে অডিটোরিয়াম কানাই কানাই পূর্ণ ছিল।

স্মরণ সভায় বিএনপির জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হোসেন আজাদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, যশোর-৬ কেশবপুর আসনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, কেশবপুর পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক, কেশবপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম শহীদ, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর মশিয়ার রহমান, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক আলাউদ্দিন আলা, মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবির পলাশ, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মাসুদুজ্জামান মাসুদ, রেজাউল ইসলাম, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক মাষ্টার মকবুল হোসেন মুকুল, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি কুতুবউদ্দিন বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান চৌধুরী, কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ন-আহ্বায়ক সাকিবুল হাসান।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও শহীদ আবু বকর আবু হত্যার বিচারের দাবিতে সমন্বয়ক পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির সুমন।

বক্তারা বলেন, শহীদ আবু বকর আবু ছিলেন জাতীয়তাবাদী আদর্শের আপোষহীন নেতা এবং কেশবপুরের সর্বস্তরের মানুষের কাছে খুবই জনপ্রিয় ছিলেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৬ কেশবপুর আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী আবু বকর আবু ২০১৮ সালের ১২ নভেম্বর দলীয় ফরম ক্রয় করেন। ১৯ নভেম্বর সাক্ষাৎকার বোর্ডে অংশ নেওয়ার জন্য রাজধানীর পল্টন এলাকায় মেট্রোপলিটন হোটেলের ৪র্থ তলায় ৪১৩ নম্বর রুমে অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকেই তিনি নিখোঁজ হওয়ার পর ১৯ নভেম্বর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার তেলঘাট এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীতে লাশ ভাসতে দেখে পুলিশ তার মৃতদেহ উদ্ধার করে অজ্ঞাতনামা হিসেবে ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠান। সেখানে অনুমান রাত ৮টার দিকে আবু বকর আবু’র মরদেহ শনাক্ত করেন তারই আপন ভাইপো হুমায়ুন কবির। জনপ্রিয়তায় শীর্ষে থাকায় ২০১৮ সালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ তাকে হত্যা করেছে। সেদিন পুলিশের দেয়া রিপোর্ট আওয়ামী লীগের সাজানো ছিলো। সেদিনের সেই রিপোর্ট ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। এমন মহান নেতা খুন হওয়ার ৭টি বছর অতিবাহিত হলেও আজও পর্যন্ত পুলিশ কোন রহস্য উদঘাটন করতে পারিনি। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে এই হত্যা মামলা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

স্মরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন, শহীদ আবু বকর আবুর আপন ছোট ভাই আবুল কাসেম, মরহুম আবু বকর আবু’র ভাইপো হুমায়ূন কবির, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ফারুক হোসেন, ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক আবু নাঈম, মজিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহমান, বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাস্টার কে এম খলিলুর রহমান, সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান, ত্রিমোহিনী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম হোসেন, উপজেলা যুবনেতা আব্দুল গফুর, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মেহেদী বিশ্বাস, কেশবপুর উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শামসুল আলম বুলবুল, সদস্য সচিব বাবুল রানা বাবু, পৌর সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ইকবাল হোসেন, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক নজরুল ইসলাম, সদস্য সচিব কেএম আজিজুর রহমান আজিজ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান হিমেল, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আজিজুর রহমান আজিজ, যুগ্ম আহবায়ক অহেদুর রহমান অন্তু, সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান, পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম, কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাহাদুল ইসলাম সুজন-সহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, মহিলা দল, সেচ্ছাসেবক দল, কৃষকদল, শ্রমিক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের হাজার হাজার নেতাকর্মীবৃন্দ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

কেশবপুরে বিএনপি নেতা শহীদ আবু বকর আবু’র স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

Update Time : ০১:১২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
blank
blank

 

শামীম আখতার (নিজস্ব প্রতিবেদক)

যশোর জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি, কেশবপুর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ও মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান শহীদ আবুবকর আবু’র ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিকেলে শহীদ আবু বকর আবু হত্যার বিচারের দাবিতে সমন্বয়ক পরিষদের আয়োজনে পৌর শহরের কেশবপুর সরকারি পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে ওই স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজার-হাজার নেতাকর্মীদের আগমনে অডিটোরিয়াম কানাই কানাই পূর্ণ ছিল।

স্মরণ সভায় বিএনপির জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হোসেন আজাদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, যশোর-৬ কেশবপুর আসনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, কেশবপুর পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক, কেশবপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম শহীদ, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর মশিয়ার রহমান, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক আলাউদ্দিন আলা, মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবির পলাশ, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মাসুদুজ্জামান মাসুদ, রেজাউল ইসলাম, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক মাষ্টার মকবুল হোসেন মুকুল, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি কুতুবউদ্দিন বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান চৌধুরী, কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ন-আহ্বায়ক সাকিবুল হাসান।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও শহীদ আবু বকর আবু হত্যার বিচারের দাবিতে সমন্বয়ক পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির সুমন।

বক্তারা বলেন, শহীদ আবু বকর আবু ছিলেন জাতীয়তাবাদী আদর্শের আপোষহীন নেতা এবং কেশবপুরের সর্বস্তরের মানুষের কাছে খুবই জনপ্রিয় ছিলেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৬ কেশবপুর আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী আবু বকর আবু ২০১৮ সালের ১২ নভেম্বর দলীয় ফরম ক্রয় করেন। ১৯ নভেম্বর সাক্ষাৎকার বোর্ডে অংশ নেওয়ার জন্য রাজধানীর পল্টন এলাকায় মেট্রোপলিটন হোটেলের ৪র্থ তলায় ৪১৩ নম্বর রুমে অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকেই তিনি নিখোঁজ হওয়ার পর ১৯ নভেম্বর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার তেলঘাট এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীতে লাশ ভাসতে দেখে পুলিশ তার মৃতদেহ উদ্ধার করে অজ্ঞাতনামা হিসেবে ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠান। সেখানে অনুমান রাত ৮টার দিকে আবু বকর আবু’র মরদেহ শনাক্ত করেন তারই আপন ভাইপো হুমায়ুন কবির। জনপ্রিয়তায় শীর্ষে থাকায় ২০১৮ সালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ তাকে হত্যা করেছে। সেদিন পুলিশের দেয়া রিপোর্ট আওয়ামী লীগের সাজানো ছিলো। সেদিনের সেই রিপোর্ট ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। এমন মহান নেতা খুন হওয়ার ৭টি বছর অতিবাহিত হলেও আজও পর্যন্ত পুলিশ কোন রহস্য উদঘাটন করতে পারিনি। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে এই হত্যা মামলা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

স্মরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন, শহীদ আবু বকর আবুর আপন ছোট ভাই আবুল কাসেম, মরহুম আবু বকর আবু’র ভাইপো হুমায়ূন কবির, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ফারুক হোসেন, ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক আবু নাঈম, মজিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহমান, বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাস্টার কে এম খলিলুর রহমান, সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান, ত্রিমোহিনী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম হোসেন, উপজেলা যুবনেতা আব্দুল গফুর, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মেহেদী বিশ্বাস, কেশবপুর উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক শামসুল আলম বুলবুল, সদস্য সচিব বাবুল রানা বাবু, পৌর সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ইকবাল হোসেন, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক নজরুল ইসলাম, সদস্য সচিব কেএম আজিজুর রহমান আজিজ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান হিমেল, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আজিজুর রহমান আজিজ, যুগ্ম আহবায়ক অহেদুর রহমান অন্তু, সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান, পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম, কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাহাদুল ইসলাম সুজন-সহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, মহিলা দল, সেচ্ছাসেবক দল, কৃষকদল, শ্রমিক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের হাজার হাজার নেতাকর্মীবৃন্দ।