০৯:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বালুরঘাটে চাঁ*দা দাবির অ/ভি/যো/গে থানায় মা’ম’লা দায়ের

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৫৭:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬৬ Time View
blank
blank

 

রাজশাহী প্রতিনিধি :

 

রাজশাহীর গোদাগাড়ী এলাকার বালুর ঘাট মালিকের কাছে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে গোদাগাড়ী মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলায় । ৩ জনের নাম উল্লেখ করে আরো ২০/২৫ জনকে অজ্ঞাতনানা আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন বালুরঘাট ইজারাদার আব্দুল মান্নাফ। যার মামলা নং ৩১ তাং ২৬/৯/২০২৫ মামলায় আসামী মোঃ আসাদুল ইসলাম (৪২), মোঃ ইয়াহিয়া (২২), ও তাদের পিতা মোঃ আজাদ।

বালুরঘাট ইজারাদার আব্দুল মান্নাফ মামলার উল্লেখ করেছেন। আমি গোদাগাড়ী ছয় মৌজা সরকারী বালি মহলের ইজারাদার। উল্লেখিত আসামীগণ প্রায়ই আমার নিকট থেকে চাঁদা বাবদ বিভিন্ন পরিমান অর্থ দাবী করে আসছিল। আমি বিবাদীদের চাঁদা অস্বীকার করলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এরই জের ধরে ঘটনার দিন ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল অনুমান ১০ টার সময় শ্রমিকেরা আমার ড্রেজার বোট নিয়ে বালি তুলতে যায়।

একই তারিখ সকাল অনুমান ১১ টার সময় শ্রমিকেরা বালি ভর্তি বাল্কহেড নিয়ে নৌ পথে সুলতানগঞ্জ ইয়ার্ড এ যাওয়ার সময় ঘটনাস্থল গোদাগাড়ী থানাধীন গোদাগাড়ী পৌরসভার কুঠিপাড়া গ্রাম এলাকায় ইহাহিয়া মিয়া চেয়ারম্যান এর বাড়ীর সামনে পদ্মা নদীর ভিতর পৌছালে উল্লেখিত আসামীরা একই উদ্দেশ্যে বে-আইনি দলবদ্ধ হয়ে আমার বালি ভর্তি বাক্লহেডের পথ রোধ করে অন্যায় ভাবে আটক করে আমার পার্টনার মোঃ সেলিম (৫০), পিতা-মৃত আলতাব মেম্বার, সাং-সারাংপুর, থানা-গোদাগাড়ী, জেলা-রাজশাহীর কাছ থেকে ২০,০০,০০০/- (বিশ লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবী করে। তখন আমার পার্টনার মোঃ সেলিম মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমাকে বিষয়টি জানালে আমি ঘটনাস্থলে এসে উক্ত আসামীদের বালি ভর্তি বাল্কহেড আটক করার কারন জানতে চাই। তখন তারা আমার কাছ থেকেও ২০,০০,০০০/- (বিশ লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবী করে। আমি যদি উক্ত আসামীদের চাঁদা না দিই তাহলে আমার বাল্কহেড আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিবে মর্মে জানায়।

আমি উক্ত আসামীদের চাঁদা না দেওয়ায় আসামীগণ আমার বালি ভর্তি বাল্কহেড আটক করে রাখে। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামীদের আমার বালি ভর্তি বাল্কহেড ছেড়ে দেওয়ার কথা বললে উল্লেখিত আসামীগণ আমাকে খুন জখমের ভয়-ভীতি ও হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। বিষয়টি ঘটনাস্থলে স্বাক্ষীরা প্রতক্ষ করেছেন।

জানতে চাইলে গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি ( ভারপ্রাপ্ত) মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, মামলা হয়েছে। আমর আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বালুরঘাটে চাঁ*দা দাবির অ/ভি/যো/গে থানায় মা’ম’লা দায়ের

Update Time : ০৪:৫৭:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
blank
blank

 

রাজশাহী প্রতিনিধি :

 

রাজশাহীর গোদাগাড়ী এলাকার বালুর ঘাট মালিকের কাছে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে গোদাগাড়ী মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলায় । ৩ জনের নাম উল্লেখ করে আরো ২০/২৫ জনকে অজ্ঞাতনানা আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন বালুরঘাট ইজারাদার আব্দুল মান্নাফ। যার মামলা নং ৩১ তাং ২৬/৯/২০২৫ মামলায় আসামী মোঃ আসাদুল ইসলাম (৪২), মোঃ ইয়াহিয়া (২২), ও তাদের পিতা মোঃ আজাদ।

বালুরঘাট ইজারাদার আব্দুল মান্নাফ মামলার উল্লেখ করেছেন। আমি গোদাগাড়ী ছয় মৌজা সরকারী বালি মহলের ইজারাদার। উল্লেখিত আসামীগণ প্রায়ই আমার নিকট থেকে চাঁদা বাবদ বিভিন্ন পরিমান অর্থ দাবী করে আসছিল। আমি বিবাদীদের চাঁদা অস্বীকার করলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এরই জের ধরে ঘটনার দিন ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল অনুমান ১০ টার সময় শ্রমিকেরা আমার ড্রেজার বোট নিয়ে বালি তুলতে যায়।

একই তারিখ সকাল অনুমান ১১ টার সময় শ্রমিকেরা বালি ভর্তি বাল্কহেড নিয়ে নৌ পথে সুলতানগঞ্জ ইয়ার্ড এ যাওয়ার সময় ঘটনাস্থল গোদাগাড়ী থানাধীন গোদাগাড়ী পৌরসভার কুঠিপাড়া গ্রাম এলাকায় ইহাহিয়া মিয়া চেয়ারম্যান এর বাড়ীর সামনে পদ্মা নদীর ভিতর পৌছালে উল্লেখিত আসামীরা একই উদ্দেশ্যে বে-আইনি দলবদ্ধ হয়ে আমার বালি ভর্তি বাক্লহেডের পথ রোধ করে অন্যায় ভাবে আটক করে আমার পার্টনার মোঃ সেলিম (৫০), পিতা-মৃত আলতাব মেম্বার, সাং-সারাংপুর, থানা-গোদাগাড়ী, জেলা-রাজশাহীর কাছ থেকে ২০,০০,০০০/- (বিশ লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবী করে। তখন আমার পার্টনার মোঃ সেলিম মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমাকে বিষয়টি জানালে আমি ঘটনাস্থলে এসে উক্ত আসামীদের বালি ভর্তি বাল্কহেড আটক করার কারন জানতে চাই। তখন তারা আমার কাছ থেকেও ২০,০০,০০০/- (বিশ লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবী করে। আমি যদি উক্ত আসামীদের চাঁদা না দিই তাহলে আমার বাল্কহেড আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিবে মর্মে জানায়।

আমি উক্ত আসামীদের চাঁদা না দেওয়ায় আসামীগণ আমার বালি ভর্তি বাল্কহেড আটক করে রাখে। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামীদের আমার বালি ভর্তি বাল্কহেড ছেড়ে দেওয়ার কথা বললে উল্লেখিত আসামীগণ আমাকে খুন জখমের ভয়-ভীতি ও হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। বিষয়টি ঘটনাস্থলে স্বাক্ষীরা প্রতক্ষ করেছেন।

জানতে চাইলে গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি ( ভারপ্রাপ্ত) মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, মামলা হয়েছে। আমর আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছি।