০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামালপুর জেলা পুলিশের বিশেষ অ/ভি/যা/নে রাষ্ট্রবিরোধী চ’ক্রে’র দুই সদস্য গ্রে/প্তা/র

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১২:৪২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩৫ Time View
blank
blank

 

মোঃ আহসান হাবীব সুমন,নিজস্ব প্রতিবেদক :

এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, জামালপুর জেলা পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত চক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

৫ ই আগস্ট ২০২৪ এর পর থেকে জামালপুর জেলার শীর্ষ পর্যায়ে ফ্যাসিষ্টের দোসররা পলাতক হয়ে যায়। তাদের গ্রেফতারে জামালপুর জেলা পুলিশের অভিযান চলমান আছে। সম্প্রতি লক্ষ্য করা যায় ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের ব্যানারে কতিপয় দুষ্কৃতিকারী ঝটিকা মিছিল করে রাষ্ট্র বিরোধী চক্রান্তে লিপ্ত আছে। বিভিন্ন মিডিয়া ও সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায় মোঃ শাহেদ আলী (সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জামালপুর জেলা শাখা) ও মোঃ জামাল পাশা (সাবেক কাউন্সিলর, ৬ নং ওয়ার্ড,জামালপুর পৌরসভা) উক্ত মিছিলে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। এরই প্রেক্ষিতে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রেখে বিশেষ গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে মোঃ শাহেদ আলী ও মোঃ জামাল পাশাকে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি-১) এর অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ নাজমুস সাকিব তার দিকনির্দেশনায় এসআই আব্দুল্লাহ আল আজাদের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম ঢাকা মহানগরীর উত্তরা ও ফার্মগেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেফতার করে।

উল্লেখ্য যে, আসামি মোঃ শাহেদ আলী (২১),সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জামালপুর জেলা শাখা, গত ০৩-০৮-২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ রাতে নিজের চোখ বেঁধে নিজেকে অপহৃত দেখানোর নাটক সাজিয়ে তার নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে উক্ত একটি ভিডিও সম্প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করে। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার তথাকথিত “অপহরণ” সংক্রান্ত ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে প্রশাসন ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা চালায়।

তদন্তে স্পষ্ট হয়েছে যে, শাহেদ আলী ও তার সহযোগীরা ফ্যাসিস্টের দোসর হিসেবে কাজ করছিল এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের ছত্র ছায়ায় থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী মিটিং-মিছিল এবং নাশকতা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছিল।

জামালপুর জেলার পুলিশ সুপার জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম পিপিএম-সেবা বলেন, দেশবিরোধী, রাষ্ট্রবিরোধী বা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত যেকোনো চক্রের বিরুদ্ধে জামালপুর জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে বিশৃঙ্খলা ছড়ানো কিংবা নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষ নিয়ে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া, এসব কর্মকাণ্ডের জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।

এই অভিযানের মাধ্যমে জামালপুর জেলা পুলিশ আবারো প্রমাণ করেছে যে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তারা অটল এবং দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সর্বদা প্রস্তুত।

প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বক্তব্য দেন জামালপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মোঃ সোহেল মাহমুদ পিপিএম।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

জামালপুর জেলা পুলিশের বিশেষ অ/ভি/যা/নে রাষ্ট্রবিরোধী চ’ক্রে’র দুই সদস্য গ্রে/প্তা/র

Update Time : ১২:৪২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
blank
blank

 

মোঃ আহসান হাবীব সুমন,নিজস্ব প্রতিবেদক :

এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, জামালপুর জেলা পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত চক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

৫ ই আগস্ট ২০২৪ এর পর থেকে জামালপুর জেলার শীর্ষ পর্যায়ে ফ্যাসিষ্টের দোসররা পলাতক হয়ে যায়। তাদের গ্রেফতারে জামালপুর জেলা পুলিশের অভিযান চলমান আছে। সম্প্রতি লক্ষ্য করা যায় ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের ব্যানারে কতিপয় দুষ্কৃতিকারী ঝটিকা মিছিল করে রাষ্ট্র বিরোধী চক্রান্তে লিপ্ত আছে। বিভিন্ন মিডিয়া ও সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায় মোঃ শাহেদ আলী (সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জামালপুর জেলা শাখা) ও মোঃ জামাল পাশা (সাবেক কাউন্সিলর, ৬ নং ওয়ার্ড,জামালপুর পৌরসভা) উক্ত মিছিলে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। এরই প্রেক্ষিতে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রেখে বিশেষ গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে মোঃ শাহেদ আলী ও মোঃ জামাল পাশাকে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি-১) এর অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ নাজমুস সাকিব তার দিকনির্দেশনায় এসআই আব্দুল্লাহ আল আজাদের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম ঢাকা মহানগরীর উত্তরা ও ফার্মগেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেফতার করে।

উল্লেখ্য যে, আসামি মোঃ শাহেদ আলী (২১),সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জামালপুর জেলা শাখা, গত ০৩-০৮-২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ রাতে নিজের চোখ বেঁধে নিজেকে অপহৃত দেখানোর নাটক সাজিয়ে তার নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে উক্ত একটি ভিডিও সম্প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করে। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার তথাকথিত “অপহরণ” সংক্রান্ত ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে প্রশাসন ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা চালায়।

তদন্তে স্পষ্ট হয়েছে যে, শাহেদ আলী ও তার সহযোগীরা ফ্যাসিস্টের দোসর হিসেবে কাজ করছিল এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের ছত্র ছায়ায় থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী মিটিং-মিছিল এবং নাশকতা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছিল।

জামালপুর জেলার পুলিশ সুপার জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম পিপিএম-সেবা বলেন, দেশবিরোধী, রাষ্ট্রবিরোধী বা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত যেকোনো চক্রের বিরুদ্ধে জামালপুর জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে বিশৃঙ্খলা ছড়ানো কিংবা নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষ নিয়ে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া, এসব কর্মকাণ্ডের জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।

এই অভিযানের মাধ্যমে জামালপুর জেলা পুলিশ আবারো প্রমাণ করেছে যে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তারা অটল এবং দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সর্বদা প্রস্তুত।

প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বক্তব্য দেন জামালপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মোঃ সোহেল মাহমুদ পিপিএম।