০৪:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিয়ামতপুরে স্কুলের অফিসে ভে*ঙ্গে পড়ল ফ্যান, দুই শিক্ষিকা আ’হ’ত

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০২:২৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ৮৩ Time View
blank
blank

 

জাকির হোসেন,নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি

নওগাঁর নিয়ামতপুর বাদে চাকলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে মোসলেমা খাতুন (৩০) ও রশিদা পারভীন (৪৬) নামের দুই শিক্ষিকা আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শিক্ষকদের মাঝে আতংক বিরাজ করছে। দুই শিক্ষিকা বর্তমানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নিজ নিজ বাড়িতে বিশ্রামে রয়েছেন।
ঘটনাটি আজ বুধবার দুপুরে  উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের বাদে চাকলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটে।
স্কুল সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের একতলা ভবনটি ১৯৯৭-১৯৯৮ অর্থবছরে স্হানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের অধীনে নির্মিত হয়। বর্তমানে ভবনটি ক্লাস নেওয়ার অনুপযোগী। বারবার নতুন ভবনের চাহিদা দিলেও এখন পর্যন্ত পর্যন্ত আশার আলো দেখেনি প্রতিষ্ঠানটি।
আহত শিক্ষিকা মোসলেমা খাতুন বলেন, অফিস কক্ষে শিক্ষকরা পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করছিলেন। হঠাৎ বিকট শব্দ করে ফ্যানটি পলেস্তারা আমার শরীরের ওপর পড়ে। এতে আমিসহ রশিদা ম্যাডাম আহত হয়। আমাদের মাঝে এক ধরনের আতংক বিরাজ করছে।

প্রধান শিক্ষক মাহেদুর রহমান বলেন, ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে ক্লাস নেওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক দিন থেকেই ভবনটির বিষয়ে জানানো হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে সরেজমিনেও দেখানো হয়েছে। আশ্বাস ছাড়া কোন কিছুই জোটেনি এখন পর্যন্ত।
তিনি বলেন, স্কুলে প্রাক-প্রাথমিক থেকে ৫ম শ্রণি পর্যন্ত ১২৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে । বর্তমানে ভবনটির জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে, যেকোন সময় বড় দূর্ঘটনা ঘটার আশংকা রয়েছে।  ছাদের বিভিন্ন জায়গায় সামান্য বৃষ্টি দেয়াল ও ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (দায়িত্বরত) আব্দুল হান্নান বলেন, ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবনটি অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন ভবনের চাহিদাও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত নতুন তালিকায় তাদের নাম না আসায় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছাঃ মুর্শিদা খাতুন বলেন, বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো ও কার্যকর ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

নিয়ামতপুরে স্কুলের অফিসে ভে*ঙ্গে পড়ল ফ্যান, দুই শিক্ষিকা আ’হ’ত

Update Time : ০২:২৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
blank
blank

 

জাকির হোসেন,নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি

নওগাঁর নিয়ামতপুর বাদে চাকলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে মোসলেমা খাতুন (৩০) ও রশিদা পারভীন (৪৬) নামের দুই শিক্ষিকা আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শিক্ষকদের মাঝে আতংক বিরাজ করছে। দুই শিক্ষিকা বর্তমানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নিজ নিজ বাড়িতে বিশ্রামে রয়েছেন।
ঘটনাটি আজ বুধবার দুপুরে  উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের বাদে চাকলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটে।
স্কুল সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের একতলা ভবনটি ১৯৯৭-১৯৯৮ অর্থবছরে স্হানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের অধীনে নির্মিত হয়। বর্তমানে ভবনটি ক্লাস নেওয়ার অনুপযোগী। বারবার নতুন ভবনের চাহিদা দিলেও এখন পর্যন্ত পর্যন্ত আশার আলো দেখেনি প্রতিষ্ঠানটি।
আহত শিক্ষিকা মোসলেমা খাতুন বলেন, অফিস কক্ষে শিক্ষকরা পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করছিলেন। হঠাৎ বিকট শব্দ করে ফ্যানটি পলেস্তারা আমার শরীরের ওপর পড়ে। এতে আমিসহ রশিদা ম্যাডাম আহত হয়। আমাদের মাঝে এক ধরনের আতংক বিরাজ করছে।

প্রধান শিক্ষক মাহেদুর রহমান বলেন, ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে ক্লাস নেওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক দিন থেকেই ভবনটির বিষয়ে জানানো হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে সরেজমিনেও দেখানো হয়েছে। আশ্বাস ছাড়া কোন কিছুই জোটেনি এখন পর্যন্ত।
তিনি বলেন, স্কুলে প্রাক-প্রাথমিক থেকে ৫ম শ্রণি পর্যন্ত ১২৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে । বর্তমানে ভবনটির জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে, যেকোন সময় বড় দূর্ঘটনা ঘটার আশংকা রয়েছে।  ছাদের বিভিন্ন জায়গায় সামান্য বৃষ্টি দেয়াল ও ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (দায়িত্বরত) আব্দুল হান্নান বলেন, ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবনটি অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন ভবনের চাহিদাও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত নতুন তালিকায় তাদের নাম না আসায় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছাঃ মুর্শিদা খাতুন বলেন, বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো ও কার্যকর ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।