১২:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সখিপুরে সবার মুখে এখন ফুটবলার রুপা

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ৯৩ Time View
blank
blank

 

মোঃ মেরাজ শিকদার,ঢাকা ব্যুরো প্রধানঃ

টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার তালত্বলা চত্বর থেকে ২কি:মি পূর্বে সখিপুর সরকারি কলেজ মাঠের পাশে জাতীয় দলের মাঝ মাঠ দাপিয়ে বেড়ানো রুপা আক্তারের বাড়ি।
বাবা পেশায় একজন ভ্যান চালক।রুপা আক্তার কাদের নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের মাধ্যমে নজরে আসে জেলা ক্রীড়া সংস্থার পরিচালক কামরুন্নাহারের।তারপর আর রুপা আক্তারের আর পিছনে তাকাতে হয়নি।৩ ভাই বোনের মেঝ রুপা ভর্তি হয়ে যান বিকেএসপিতে।রুপা দশম শ্রেণিতে আছে।এবার এসএসসি পরীক্ষা দিবে।রুপা এখন বাবা-মা ও পরিবারের সকলের অনুপ্রেরণায় মাত্র সতেরো বছর বয়সে জাতীয় নারী ফুটবল দলের মধ্যমনি।
রহিম মিয়ার বড় মেয়ে রত্নাও ফুটবলার ছিলেন।রুপার মতো ছোট মেয়ে আফরিন ভালো ফুটবল খেলে।রুপা ২০২২সালের বিকেএসপির মাধ্যমে পদযাত্রা ২০২৩সালে ভারতে আন্ডার ১৭ সুব্রত কাপেও অংশ নেয়।২০২৪সালের জাতীয় দলের জন্য অনুশীলন শুরু করে।
২০২৫সালের মার্চ মাসে জাতীয় দলের হয়ে সাফ গেমস্ ও এ এফসিতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি অর্জন করে।রুপার আশা ২০২৬ সালের নারী বিশ্বকাপে বিশ্বের বুকে নিজেকে মেলে ধরবে।রুপা পরিবার ও ভাইবোনদেরকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখে।আপাতত তেমন কোন কিছু চাওয়া নেই।শুরুতেই এলাকার সকলের সহযোগিতা পেয়েছে রুপা।তাই তার স্বপ্ন দেশের হয়ে কিছু করার।রুপার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়,একটি মাত্র আধা পাকা টিনের ঘরে পরিবারের সকলের বসবাস।রুপা এক সপ্তাহের ছুটিতে এসে বাড়ির উঠোনে ফুটবলের অনুশীলন করছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

সখিপুরে সবার মুখে এখন ফুটবলার রুপা

Update Time : ১০:৩৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
blank
blank

 

মোঃ মেরাজ শিকদার,ঢাকা ব্যুরো প্রধানঃ

টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার তালত্বলা চত্বর থেকে ২কি:মি পূর্বে সখিপুর সরকারি কলেজ মাঠের পাশে জাতীয় দলের মাঝ মাঠ দাপিয়ে বেড়ানো রুপা আক্তারের বাড়ি।
বাবা পেশায় একজন ভ্যান চালক।রুপা আক্তার কাদের নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের মাধ্যমে নজরে আসে জেলা ক্রীড়া সংস্থার পরিচালক কামরুন্নাহারের।তারপর আর রুপা আক্তারের আর পিছনে তাকাতে হয়নি।৩ ভাই বোনের মেঝ রুপা ভর্তি হয়ে যান বিকেএসপিতে।রুপা দশম শ্রেণিতে আছে।এবার এসএসসি পরীক্ষা দিবে।রুপা এখন বাবা-মা ও পরিবারের সকলের অনুপ্রেরণায় মাত্র সতেরো বছর বয়সে জাতীয় নারী ফুটবল দলের মধ্যমনি।
রহিম মিয়ার বড় মেয়ে রত্নাও ফুটবলার ছিলেন।রুপার মতো ছোট মেয়ে আফরিন ভালো ফুটবল খেলে।রুপা ২০২২সালের বিকেএসপির মাধ্যমে পদযাত্রা ২০২৩সালে ভারতে আন্ডার ১৭ সুব্রত কাপেও অংশ নেয়।২০২৪সালের জাতীয় দলের জন্য অনুশীলন শুরু করে।
২০২৫সালের মার্চ মাসে জাতীয় দলের হয়ে সাফ গেমস্ ও এ এফসিতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি অর্জন করে।রুপার আশা ২০২৬ সালের নারী বিশ্বকাপে বিশ্বের বুকে নিজেকে মেলে ধরবে।রুপা পরিবার ও ভাইবোনদেরকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখে।আপাতত তেমন কোন কিছু চাওয়া নেই।শুরুতেই এলাকার সকলের সহযোগিতা পেয়েছে রুপা।তাই তার স্বপ্ন দেশের হয়ে কিছু করার।রুপার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়,একটি মাত্র আধা পাকা টিনের ঘরে পরিবারের সকলের বসবাস।রুপা এক সপ্তাহের ছুটিতে এসে বাড়ির উঠোনে ফুটবলের অনুশীলন করছে।