
মোঃ আহসান হাবীব সুমন,নিজস্ব প্রতিবেদক:
জামালপুর সদর দিগপাইত ইউনিয়নের গোপনীথপুর গ্রামের মো: রুবেল মিয়া (৩২) পৈত্রিক সূত্রে জমির উপর সুপারী গাছ পাশের বাড়ির মো: হামিদুল ইসলাম (৩৩), পিতা- মো: খোকা মিয়া, খোকা মিয়া (৫৫), পিতা-মৃত, কদম আলী, মো: সেলিম মিয়া (৪৫), পিতা- মৃত, শুক্কুর আলী, মো: সুজন মিয়া (৩০), পিতা- মো: নুরুল ইসলাম, মো: রাজু মিয়া (১৯), পিতা- মো: শাহীন মিয়া, মো: আ: ছালাম (৬০), পিতা- মৃত কদম আলী, সর্ব সাং গোপনীথপুর কতৃক দিনে দুপুরে সুপারী গাছ কেটে জমি বেদখল। এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।
ঘটনার তারিখ ও সময়: ২০.০৭.২০২৫ ইং রোজ রবিবার, সকাল ৯.০০ ঘটিকা।
ঘটনার স্থল: জামালপুর সদর থানাধীন গোপনীথপুর তার বসতবাড়ীর আঙিনায়।
রুবেল মিয়া বলেন, আমাদের পরিবারের ওপর ভয়াবহ ও নৃশংস সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা হয়েছে এমন হামলা, যা শুধু দেহ নয়, ভেঙে দিয়েছে আমাদের মন, তছনছ করে দিয়েছে আমাদের পরিবারিক শান্তি।
একদল সন্ত্রাসী জমি বেদখলদার হামিদুল, সেলিম, সুজন, সালাম, রানী সহ আরো অজ্ঞাত কিছু লোক পরিকল্পিতভাবে আমাদের বাড়িতে প্রবেশ করে আমাদের পরিবারের সদস্যদের ওপর মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে বেপরোয়া হামলা চালায়। বাড়িতে থাকা আমার মা, ভাবি, ভাতিজা- সবাই এই বর্বর হামলার শিকার হন। তাদের শরীরজুড়ে জমি বেদখলদের আঘাতে রক্তাক্ত ক্ষত, যন্ত্রণা আর অসহায় কান্না। মায়ের মাথায় এবং শরীরে নির্মম আঘাত করে তারা মাটিতে ফেলে দেয়, ভাবিকে ধাক্কা দিয়ে আহত করে, আর নিষ্পাপ ভাতিজার গায়েও পড়ে তাদের নিষ্ঠুরতার হাত। এ সময় তারা আমাদের বাড়ির মূল্যবান গাছপালা কেটে ফেলে, সম্পদ নষ্ট করে, আমাদের স্বপ্ন আর সংগ্রামের ফল ধ্বংস করে দেয়। তাদের তাণ্ডব শুধু এখানেই থেমে থাকেনি ঘটনার পরও তারা আমাদের পরিবারকে ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে, যেন আমরা মুখ খুলতে সাহস না করি, যেন আমরা আইনগত সহায়তার পথ বেছে না নিতে পারি।
ভোক্তভোগী রুবেল আরো বলেন আমাদের পরিবার আতঙ্কে আর নিরাপত্তাহীনতার গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত। আমাদের পরিবারকে এই অন্যায়ের হাত থেকে রক্ষা করুন। দ্রুত আইনের কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করে অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনুন।
আমাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।
আমরা ন্যায়বিচার চাই। আমরা শান্তি চাই। আমরা বেঁচে থাকার অধিকার ও নিশ্চয়তা চাই।
রুবেল মিয়া বলেন, আমাদের ফলজ ও বনজ গাছসহ এবং জমির সিমানার গাছ কেটে ফেলে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এবং এর সাথে বাসার বৈদ্যতিক লাইন ঘরের টিনের বেড়ার সাথে সংযুক্ত করে দেয়, পল্লী বিদ্যুৎ জামালপুর অফিস থেকে এসে লাইন ডিএকটিভ করে দেওয়ায় আমরা প্রাণে বেচে যাই। এই জমির মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও দিনে দুপুরে তারা সন্ত্রাসী কায়দায় সুপারি গাছগুলো কেটে ফেলেছে।
বিজ্ঞ সিনিয়র জজ ১ম আদালতে মামলা চলমান রয়েছে মোকাদ্দমা নং ১১/২০২৫ অন্য প্রকার।

















