১১:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সখিপুরে সা*পে কা*টা রোগী চিকিৎসা শেষে মৃ*ত্যু ব’র’ণ

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১১:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫
  • ২৭ Time View
blank
blank

 

মোঃ মেরাজ শিকদার,ঢাকা ব্যুরো প্রধানঃ

টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর উপজেলার (কালিদাস- বোয়ালী, বন্নি চালা )আজ ২১ শে জুলাই রোজ সোমবার আলাল মিয়া নামে (৬০)  সাপের কামড়ে একজন মৃত্যু বরণ করেছেন।
তার নিজ বাড়িতে তাকে সাপে কাটে পরে তাকে সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হয়। তারপর ডাক্তাররা তার পরিবারকে জানান, উনার অবস্থা আশঙ্কা মুক্ত। এবং তাকে ময়মনসিংহ হসপিটালে রের্ফাড করা হয়। ময়মনসিংহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নেওয়ার পথে আলাল মিয়ার সাথে যারা ছিল তারা অবস্থা অবনতি দেখে মনে করেন আলাল মিয়া আর পৃথিবীতে নেই। চারিদিকে মৃত্যুর রোল ছড়িয়ে পড়ে।
তখন তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। শাহাবুদ্দিন মার্কেটে এসে অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে খাটিয়ায় নেওয়ার  সময় স্থানীয় ডাক্তার তার পালস চেক করেন। এবং তার পালস তখন চলছিল। এবং আশেপাশে আমরা যারা ছিলাম সবাই দেখি আলাল মিয়া জীবিত আছেন।
সকালে তাকে আবার টাঙ্গাইল পাঠানো হয়। টাঙ্গাইল যাওয়ার সময় রাস্তায় ইন্তেকাল ফরমাইয়াছে
আলাল  মিয়ার মৃত্যু আজ একটি গোলক ধাধা। সবার মুখে নানান প্রশ্ন ঘুরপাখ খাচ্ছে?  সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ডাক্তার সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা দেওয়ার পর বললেন রোগী আশঙ্কা মুক্ত আছেন। তারপর কেন এই মৃত্যু? কেন তার সাথে যারা ছিল তারা তাকে ময়মনসিংহ নিলনা?
মানুষ  চিরঞ্জীবন বাঁচে না। জন্ম গ্রহন করলে তাকে মৃত্যুবরণ করতে হবে। কিন্তু আলাল মিয়ার মৃত্যু সত্যি অনেকটা কষ্টদায়ক।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

সখিপুরে সা*পে কা*টা রোগী চিকিৎসা শেষে মৃ*ত্যু ব’র’ণ

Update Time : ১১:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫
blank
blank

 

মোঃ মেরাজ শিকদার,ঢাকা ব্যুরো প্রধানঃ

টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর উপজেলার (কালিদাস- বোয়ালী, বন্নি চালা )আজ ২১ শে জুলাই রোজ সোমবার আলাল মিয়া নামে (৬০)  সাপের কামড়ে একজন মৃত্যু বরণ করেছেন।
তার নিজ বাড়িতে তাকে সাপে কাটে পরে তাকে সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হয়। তারপর ডাক্তাররা তার পরিবারকে জানান, উনার অবস্থা আশঙ্কা মুক্ত। এবং তাকে ময়মনসিংহ হসপিটালে রের্ফাড করা হয়। ময়মনসিংহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নেওয়ার পথে আলাল মিয়ার সাথে যারা ছিল তারা অবস্থা অবনতি দেখে মনে করেন আলাল মিয়া আর পৃথিবীতে নেই। চারিদিকে মৃত্যুর রোল ছড়িয়ে পড়ে।
তখন তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। শাহাবুদ্দিন মার্কেটে এসে অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে খাটিয়ায় নেওয়ার  সময় স্থানীয় ডাক্তার তার পালস চেক করেন। এবং তার পালস তখন চলছিল। এবং আশেপাশে আমরা যারা ছিলাম সবাই দেখি আলাল মিয়া জীবিত আছেন।
সকালে তাকে আবার টাঙ্গাইল পাঠানো হয়। টাঙ্গাইল যাওয়ার সময় রাস্তায় ইন্তেকাল ফরমাইয়াছে
আলাল  মিয়ার মৃত্যু আজ একটি গোলক ধাধা। সবার মুখে নানান প্রশ্ন ঘুরপাখ খাচ্ছে?  সখিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ডাক্তার সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা দেওয়ার পর বললেন রোগী আশঙ্কা মুক্ত আছেন। তারপর কেন এই মৃত্যু? কেন তার সাথে যারা ছিল তারা তাকে ময়মনসিংহ নিলনা?
মানুষ  চিরঞ্জীবন বাঁচে না। জন্ম গ্রহন করলে তাকে মৃত্যুবরণ করতে হবে। কিন্তু আলাল মিয়ার মৃত্যু সত্যি অনেকটা কষ্টদায়ক।