০৮:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে এরশাদের অবদান ইতিহাস,পাটোয়ারী মহাসচিব হওয়ায় নড়েচড়ে বসেছেন তৃণমূল শক্তিশালী প্রার্থী না থাকায় নেই বদলগাছীতে কোন কর্মসূচি

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৫৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • ৫৬ Time View
blank
blank

 

এনামুল কবীর এনাম, বদলগাছী নওগাঁ

রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে এ দেশ এবং জাতির বিবেকের কাছে পল্লীবন্ধী এরশাদ ইতিহাস। ১৪ই জুলাই সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদের ৬ ষ্ট মৃত্যুবার্ষীকি উপলক্ষে, নওগাঁ জেলায় নড়েচড়ে বসেছেন জাতীয় পার্টির তৃণমূল কতিপয় নেতারা। দলের সিনিয়র নেতাদের নিজস্ব স্বার্থে বার বার রাজনৈতিক ভুল সিদ্ধান্ত , আওয়ামী লীগে জোট মহাজোট করে তৃণমূল নেতাদের দিকে না তাকিয়ে এরশাদ ও তার ভাই কে জিম্মি করে বাধ্য করা কৌশলগত রাজনৈতির সফলতার জন্য সারাদেশের ন্যায় তৃণমূল নেতারা সিনিয়র নেতাদের সম্মুখ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিরবতায় জীবন কাটিয়েছিলেন।শামীম হায়দার পাটোয়ারী সাহেব নতুন মহাসচিব শুনে নওগাঁ জেলার তথা বদলগাছী উপজেলার কতিপয় নেতারা আলোচনা ও যোগাযোগ সহ নড়েচড়ে বসেছেন।
স্বাধীন দেশের মানুষ যখন অভাব অনটনে জীবন জীবিকা নির্বাহের আপপ্রাণ চেষ্টায় দিনআতীপাত করে, তখনই এদেশের মানুষের সুখের জন্য অবিভাবকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে স্বচেষ্টায় ব্যাস্হ ছিল দেশের মানুষের জন্য সেবার মান উন্নয়নে এরশাদ । দেশের ৪২ টি মহকুমার কে ভেঙ্গে বিভিন্ন ৬৪টি জেলায় রূপান্তর করেন এরশাদ ।

১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর থেকে ১৯৮৩ সালের ৭ নভেম্বর-এর মধ্যে ৪৬০ টি উপজেলা পরিষদ সৃষ্টি করে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ করেছিলেন এরশাদ,এদেশের সাধারণ মানুষের জন্য।

সব রাজনৈতিক দলের বিরোধিতা ও বাধা অপেক্ষা করে জাতিসংঘে শান্তি মিশনে সেনাবানী পাঠিয়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিশ্বদুয়ারে উজ্জ্বল করেন এরশাদ।যাতে দেশের উন্নয়নের চলার পথ সহজ হয়েছে।

এরশাদ ক্ষমতা গ্রহণের আগে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে ও রবিবার ছিল সাপ্তাহিক ছুটি। তিনি গরিবের হজ ‘জুমার নামাজ’ কে প্রাধান্য দিয়ে শুক্রবারকে সাপ্তাহিক ছুটির দিন ঘোষণা করেন।আজও তার নজির।
সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের জন্য বাংলাদেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ঘোষণা দেন পল্লীবন্ধু এরশাদ।সেই সাথে অন্যাঅন্য ধর্মের মূল্য মর্যাদার নিতিমালা ও করেছিলেন।
সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ ও পানির বিল মওকুফ করেছিলেন।পরবর্তী সরকার সেই সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিলগুলি পকেটেস্ত করার লক্ষ্যে গ্রহনকরেন, কিন্তু এর ইতিহাসের কথা মানুষের সামনে তুলে ধরতে বিবেকের কাছে নিজেকে জিজ্ঞেস করে না।

বাঙালির জাতির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখকে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ। এ ছুটির পরই বাঙালিরা এ দিনকে আরও বর্ণিলভাবে উদযাপন করতে শুরু করে।

বিচারব্যবস্থা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে, রংপুর, যশোর, কুমিল্লা, বরিশাল, সিলেট এবং চট্টগ্রাম সহ ৬টি হাইকোর্টের বেঞ্চ সম্প্রসারণ করেন এরশাদ।

বিচারব্যবস্থা দ্রুত করতে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি দণ্ডবিধি এবং ১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধি সংশোধন করেন পল্লীবন্ধু।
বিচারব্যবস্থাকে আরও বেগবান করতে দেশের প্রতিটি উপজেলায় মুনসেফ ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট স্থাপন করেন এরশাদ।
চট্টগ্রাম পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তার এমন পদক্ষেপের পরই বাণিজ্যিক ভাবে শহরে উন্নয়নের ছোঁয়ায় বেগবান হয়।

নানাসময়ে পাবর্ত্য উপজাতিদের কেউ কেউ বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রদ্রোহী কাজে জড়িয়ে পড়েছিল। পরে তাদের অনেকেই আত্মসমর্পণ করে। হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এসব আত্মসমর্পণকারীকে পার্বত্য উপজাতিদের সাধারণ ক্ষমা এবং পুনর্বাসনে বিশ্বেষ সুবিধার ব্যবস্থা করেছিলেন।

গণমাধ্যম সাংবাদিকদের জন্য জাতীয় প্রেস কমিশন গঠন করেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। এ ছাড়া রেডিও ও টেলিভিশন একত্রীকরণের মাধ্যমে জাতীয় সম্প্রচার সেল ও গঠন করেন।

গনমাধ্যম কে সরকার নিয়ন্ত্রিত দি বাংলাদেশ অবজারভার ও চিত্রালীতে পূর্বতন মালিকানায় ফিরিয়ে দেন এরশাদ।

গণমাধ্যমের জন্য
দৈনিক বাংলা, বিচিত্রা এবং বাংলাদেশ টাইমসের স্বাধীন ব্যবস্থাপনার জন্য ‘দৈনিক বাংলা ট্রাস্ট’ ও ‘বাংলাদেশ টাইমস ট্রাস্ট’ নামে দুটি ট্রাস্ট গঠন করেন।
দেশের সড়ক সহ উন্নয়ন গতি বাড়ানোর লক্ষে এলজিডি দপ্তর প্রষ্ঠিত করেন। তিনি যমুনা সেতুর নাম দিয়েছিলেন যমুনা বহুমূখী সেতু। দেশের সাধারণ মানুষের খাদ্য চাহিদা মেটাতে ততকালীন মহকূমার আলী ইমামের পরিকল্পনার অন্যতম চেতনা বরেন্দ্র প্রকল্পের সার্বিক উপকারিতা মহান সংসদে নওগাঁর সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বি এস এ হুমায়ুন কবির চৌধুরী উপস্থাপন করেন, তিনি বরেন্দ্র প্রকল্পের আওতায় গভীর নলকূপ স্হাপন করে কৃষকের ভাগ্য বদল করে মূখে হাসি ফুটিয়েছেন। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবারের আত্মমর্যাদা রক্ষার্থে দুটি বাসা দিয়েছিলেন একটি বসবাসের জন্য, অপরটি তাদের ব্যায়ভার খরচ বহনের জন্য।
সেই বাসা থেকে আইন করে বের করে দিয়েছেন শেখ হাসিনা সরকার। এটি কি আপনি মনে করেন হিংসাত্মক রাজনীতি নয়। হৃদয় কথা বলুক মনটা শুনুক বিবেচিত হোক হৃদয়।
দেশের গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য টনকে টন গম চার বরাদ্দের মাধ্যমে জেলা থেকে উপজেলা, উপজেলা থেকে ইউনিয়ন, ইউনিয়ন থেকে গ্রাম পাড়া মহল্লার রাস্তা গুলি নির্মান করে পল্লী বন্ধু উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। ৪৬০ টি উপজেলার ন্যায় বদলগাছী সরকারি ডিগ্রি কলেজ করেছিলেন, নৌকায় পারারে দূর্ভোগের হাত উপজেলা বাসী কে রক্ষার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বেলি ব্রিজ নির্মান করেন। দেশের মহাসড়ক গুলো তার হাতে গড়া অবদান। বদলগাছী উপজেলার পাহাড় পুর বৌদ্ধ বিহারের উন্নয়নে প্রথম বাউন্ডারি সহ যাদুঘর সহ সরকারি কোয়ার্টার তৈরি করেছেন।
তিনি কৃষি উন্নয়নে প্রতিটি ইউনিয়নে কৃষি উপসহকারী কেন্দ্র ও বি,এস, কোয়ার্টার স্হাপন করেন। বিনা জামানতে কৃষি লোন চালু করেছিলেন। তিনি দেশ ও জাতির স্বার্থে ঔষধনীতি নীতিমালা করেছিলেন যার ফলে বাংলাদেশের ঔষধ বিদেশে গিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকার আয় করে বাংলাদেশ।
আজকে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার জাতীয় পার্টি নেতারা নিজেকে বাঁচাতে বিভিন্ন দলে গেছে ১৯৯৪ সালে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে এরশাদের অবদান ইতিহাস,পাটোয়ারী মহাসচিব হওয়ায় নড়েচড়ে বসেছেন তৃণমূল শক্তিশালী প্রার্থী না থাকায় নেই বদলগাছীতে কোন কর্মসূচি

Update Time : ০৫:৫৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
blank
blank

 

এনামুল কবীর এনাম, বদলগাছী নওগাঁ

রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে এ দেশ এবং জাতির বিবেকের কাছে পল্লীবন্ধী এরশাদ ইতিহাস। ১৪ই জুলাই সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদের ৬ ষ্ট মৃত্যুবার্ষীকি উপলক্ষে, নওগাঁ জেলায় নড়েচড়ে বসেছেন জাতীয় পার্টির তৃণমূল কতিপয় নেতারা। দলের সিনিয়র নেতাদের নিজস্ব স্বার্থে বার বার রাজনৈতিক ভুল সিদ্ধান্ত , আওয়ামী লীগে জোট মহাজোট করে তৃণমূল নেতাদের দিকে না তাকিয়ে এরশাদ ও তার ভাই কে জিম্মি করে বাধ্য করা কৌশলগত রাজনৈতির সফলতার জন্য সারাদেশের ন্যায় তৃণমূল নেতারা সিনিয়র নেতাদের সম্মুখ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিরবতায় জীবন কাটিয়েছিলেন।শামীম হায়দার পাটোয়ারী সাহেব নতুন মহাসচিব শুনে নওগাঁ জেলার তথা বদলগাছী উপজেলার কতিপয় নেতারা আলোচনা ও যোগাযোগ সহ নড়েচড়ে বসেছেন।
স্বাধীন দেশের মানুষ যখন অভাব অনটনে জীবন জীবিকা নির্বাহের আপপ্রাণ চেষ্টায় দিনআতীপাত করে, তখনই এদেশের মানুষের সুখের জন্য অবিভাবকের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে স্বচেষ্টায় ব্যাস্হ ছিল দেশের মানুষের জন্য সেবার মান উন্নয়নে এরশাদ । দেশের ৪২ টি মহকুমার কে ভেঙ্গে বিভিন্ন ৬৪টি জেলায় রূপান্তর করেন এরশাদ ।

১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর থেকে ১৯৮৩ সালের ৭ নভেম্বর-এর মধ্যে ৪৬০ টি উপজেলা পরিষদ সৃষ্টি করে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ করেছিলেন এরশাদ,এদেশের সাধারণ মানুষের জন্য।

সব রাজনৈতিক দলের বিরোধিতা ও বাধা অপেক্ষা করে জাতিসংঘে শান্তি মিশনে সেনাবানী পাঠিয়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিশ্বদুয়ারে উজ্জ্বল করেন এরশাদ।যাতে দেশের উন্নয়নের চলার পথ সহজ হয়েছে।

এরশাদ ক্ষমতা গ্রহণের আগে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে ও রবিবার ছিল সাপ্তাহিক ছুটি। তিনি গরিবের হজ ‘জুমার নামাজ’ কে প্রাধান্য দিয়ে শুক্রবারকে সাপ্তাহিক ছুটির দিন ঘোষণা করেন।আজও তার নজির।
সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের জন্য বাংলাদেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ঘোষণা দেন পল্লীবন্ধু এরশাদ।সেই সাথে অন্যাঅন্য ধর্মের মূল্য মর্যাদার নিতিমালা ও করেছিলেন।
সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ ও পানির বিল মওকুফ করেছিলেন।পরবর্তী সরকার সেই সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিলগুলি পকেটেস্ত করার লক্ষ্যে গ্রহনকরেন, কিন্তু এর ইতিহাসের কথা মানুষের সামনে তুলে ধরতে বিবেকের কাছে নিজেকে জিজ্ঞেস করে না।

বাঙালির জাতির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখকে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ। এ ছুটির পরই বাঙালিরা এ দিনকে আরও বর্ণিলভাবে উদযাপন করতে শুরু করে।

বিচারব্যবস্থা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে, রংপুর, যশোর, কুমিল্লা, বরিশাল, সিলেট এবং চট্টগ্রাম সহ ৬টি হাইকোর্টের বেঞ্চ সম্প্রসারণ করেন এরশাদ।

বিচারব্যবস্থা দ্রুত করতে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি দণ্ডবিধি এবং ১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধি সংশোধন করেন পল্লীবন্ধু।
বিচারব্যবস্থাকে আরও বেগবান করতে দেশের প্রতিটি উপজেলায় মুনসেফ ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট স্থাপন করেন এরশাদ।
চট্টগ্রাম পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তার এমন পদক্ষেপের পরই বাণিজ্যিক ভাবে শহরে উন্নয়নের ছোঁয়ায় বেগবান হয়।

নানাসময়ে পাবর্ত্য উপজাতিদের কেউ কেউ বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রদ্রোহী কাজে জড়িয়ে পড়েছিল। পরে তাদের অনেকেই আত্মসমর্পণ করে। হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এসব আত্মসমর্পণকারীকে পার্বত্য উপজাতিদের সাধারণ ক্ষমা এবং পুনর্বাসনে বিশ্বেষ সুবিধার ব্যবস্থা করেছিলেন।

গণমাধ্যম সাংবাদিকদের জন্য জাতীয় প্রেস কমিশন গঠন করেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। এ ছাড়া রেডিও ও টেলিভিশন একত্রীকরণের মাধ্যমে জাতীয় সম্প্রচার সেল ও গঠন করেন।

গনমাধ্যম কে সরকার নিয়ন্ত্রিত দি বাংলাদেশ অবজারভার ও চিত্রালীতে পূর্বতন মালিকানায় ফিরিয়ে দেন এরশাদ।

গণমাধ্যমের জন্য
দৈনিক বাংলা, বিচিত্রা এবং বাংলাদেশ টাইমসের স্বাধীন ব্যবস্থাপনার জন্য ‘দৈনিক বাংলা ট্রাস্ট’ ও ‘বাংলাদেশ টাইমস ট্রাস্ট’ নামে দুটি ট্রাস্ট গঠন করেন।
দেশের সড়ক সহ উন্নয়ন গতি বাড়ানোর লক্ষে এলজিডি দপ্তর প্রষ্ঠিত করেন। তিনি যমুনা সেতুর নাম দিয়েছিলেন যমুনা বহুমূখী সেতু। দেশের সাধারণ মানুষের খাদ্য চাহিদা মেটাতে ততকালীন মহকূমার আলী ইমামের পরিকল্পনার অন্যতম চেতনা বরেন্দ্র প্রকল্পের সার্বিক উপকারিতা মহান সংসদে নওগাঁর সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বি এস এ হুমায়ুন কবির চৌধুরী উপস্থাপন করেন, তিনি বরেন্দ্র প্রকল্পের আওতায় গভীর নলকূপ স্হাপন করে কৃষকের ভাগ্য বদল করে মূখে হাসি ফুটিয়েছেন। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবারের আত্মমর্যাদা রক্ষার্থে দুটি বাসা দিয়েছিলেন একটি বসবাসের জন্য, অপরটি তাদের ব্যায়ভার খরচ বহনের জন্য।
সেই বাসা থেকে আইন করে বের করে দিয়েছেন শেখ হাসিনা সরকার। এটি কি আপনি মনে করেন হিংসাত্মক রাজনীতি নয়। হৃদয় কথা বলুক মনটা শুনুক বিবেচিত হোক হৃদয়।
দেশের গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য টনকে টন গম চার বরাদ্দের মাধ্যমে জেলা থেকে উপজেলা, উপজেলা থেকে ইউনিয়ন, ইউনিয়ন থেকে গ্রাম পাড়া মহল্লার রাস্তা গুলি নির্মান করে পল্লী বন্ধু উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। ৪৬০ টি উপজেলার ন্যায় বদলগাছী সরকারি ডিগ্রি কলেজ করেছিলেন, নৌকায় পারারে দূর্ভোগের হাত উপজেলা বাসী কে রক্ষার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বেলি ব্রিজ নির্মান করেন। দেশের মহাসড়ক গুলো তার হাতে গড়া অবদান। বদলগাছী উপজেলার পাহাড় পুর বৌদ্ধ বিহারের উন্নয়নে প্রথম বাউন্ডারি সহ যাদুঘর সহ সরকারি কোয়ার্টার তৈরি করেছেন।
তিনি কৃষি উন্নয়নে প্রতিটি ইউনিয়নে কৃষি উপসহকারী কেন্দ্র ও বি,এস, কোয়ার্টার স্হাপন করেন। বিনা জামানতে কৃষি লোন চালু করেছিলেন। তিনি দেশ ও জাতির স্বার্থে ঔষধনীতি নীতিমালা করেছিলেন যার ফলে বাংলাদেশের ঔষধ বিদেশে গিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকার আয় করে বাংলাদেশ।
আজকে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার জাতীয় পার্টি নেতারা নিজেকে বাঁচাতে বিভিন্ন দলে গেছে ১৯৯৪ সালে।