০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাগমারা-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দৌড়ে ডিএম জিয়া সবার চেয়ে এগিয়ে

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১২:০১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
  • ২১৭ Time View
blank
blank

 

বাগমারা(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ

রাজশাহী- ৫৫, বাগমারা-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে দৌড়ে সবার চেয়ে  এগিয়ে বাগমারা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া ।  দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির হাইকমান্ড, প্রার্থী বিবেচনায় যে মানদন্ডের হিসেব কসতাছেন তার কোনটিতেই পিছিয়ে নেই এই তরুণ উদীয়মান গণমানুষের নেতা ও বাগমারা বিএনপির আইকন ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া । জানা গেছে, ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া তাঁর ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি তার রাজনৈতিক জীবনে কখনও রাজনৈতিক নৈতিকতা নষ্ট না করে অনেক ঘাতপ্রতিঘাত সহ্য করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে আকড়ে ধরে আছেন। তিনি  ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির বাগমারা উপজেলার আহবায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দীর্ঘ স্বৈরাচার হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে নেতা কর্মিদের রাজপথে থাকার সাহস যোগিয়ে অসংখ্য নেতাকর্মীদের মামলা তার ব্যক্তিগত শ্রমের অর্থায়নে জামিন করিয়েছেন। এবং বাগমারা উপজেলা সহ পাশ্ববর্তী উপজেলা মোহনপুরের  প্রত্যন্ত গ্রামঅঞ্চল থেকে শুরু করে, দুর্দিনে দলের তৃণমূল নেতাকর্মিদের খোজ-খবর রেখেছেন। সেই সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি কেন্দ্রে জোরালো লবিং করে যাচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। দলের সু-দিন ও দুর্দিনে সামাজিক অর্থনৈতিক মেধাশ্রম দিয়ে অতুলনীয় অবদান রেখে, যেভাবে দলকে আকঁড়ে ধরে রেখেছেন,তাতে তিনিই বাগমারা-৪ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নের একমাত্র দাবিদার। বাগমারা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়ার সাথে একান্ত আলাপচারিতায়  এই প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি  বলেন, আমি সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক, দলে গ্রুপিং চাইনা, আমরা (বিএনপি) সবাই একপরিবার। ত্যাগী নেতাদের দুরে সরিয়ে, ফ্যাসিস্ট হাইব্রিড নেতার যেন দলে আগমন না ঘটে সেটাই আমার মূল লক্ষ্য। হাসিনা ফ্যাসিস্ট সরকারের দীর্ঘ শ্বাশনামলে দল ও দলের নেতাকর্মীরা যখন ঠাঁই খুঁজে পাচ্ছিলনা, তখনও তিনি হাসিনা বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে নির্যাতনসহ কারাবরণ করতে হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের দুঃসময়ে এই সাহসী রাজনৈতিক নেতা কখনো পিছপা হয়নি। তিনি কারাবন্দী  নেতাকর্মীদের ঢাকায় উচ্চ আদালত থেকে শুরু করে নিম্ন আদালত  জামিন করিয়ে দিতে আইনি লড়াইয়ে ব্যস্ত ছিলেন এই আইকন নেতা। ক্লিন ইমেজ এই নেতা, দলের দুর্দিনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অন্যতম আর্দশে আর্দশিত ছিলেন। খোঁজনিয়ে জানাগেছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১দফা বাস্তবায়নের লক্ষে এলাকায় এসে দুই উপজেলার তথা বাগমারা মোহনপুর উপজেলার সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে, বাগমারা বিএনপির আহবায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া দলের বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেন।  তিনি  বলেন, আমি দলের কোন পদ-পদবী চায় না বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে দলীয় শৃংখলা বজায়রেখে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে চান এই নেতা। বাগমারা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া  জানান, রাজশাহী-৫৫, বাগমারা -৪ আসনটি স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে যতটুকু উন্নয়ন হওয়ার কথা ছিল সে অনুপাতে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। যখন যে ক্ষমতা পেয়েছে তখন সে নিজের এবং আত্মীয়-স্বজনদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘঠিয়েছে। আর যেটুকু হয়েছে, তত্কালীন বিএনপির সাবেক এমপি মরহুম আবু হেনার এর মাধ্যমে হয়েছে, তিনি মারা যাওয়ার পরে রাজশাহী-৫৫, বাগমারা-৪ উপজেলায় দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন হয়নি। পিছিয়ে পড়া এই  উপজেলা এখনো পিছিয়ে আছে। কেন্দ্রীয় হাইকমান্ড নেতাদের প্রতি প্রত্যাশা করে বলেন, তিনি যদি মনোনয়ন পান তাহলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে,  পিছিয়ে পড়া বাগমার-৪ আসনের উপজেলাকে মডেল উপজেলা হিসেবে বাস্তবায়ন করবেন। যা স্বাধীনতার ৫৪ বছর ধরে এ উপজেলাবাসী শুধু স্বপ্ন দেখেছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

বাগমারা-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দৌড়ে ডিএম জিয়া সবার চেয়ে এগিয়ে

Update Time : ১২:০১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
blank
blank

 

বাগমারা(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ

রাজশাহী- ৫৫, বাগমারা-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে দৌড়ে সবার চেয়ে  এগিয়ে বাগমারা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া ।  দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির হাইকমান্ড, প্রার্থী বিবেচনায় যে মানদন্ডের হিসেব কসতাছেন তার কোনটিতেই পিছিয়ে নেই এই তরুণ উদীয়মান গণমানুষের নেতা ও বাগমারা বিএনপির আইকন ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া । জানা গেছে, ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া তাঁর ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি তার রাজনৈতিক জীবনে কখনও রাজনৈতিক নৈতিকতা নষ্ট না করে অনেক ঘাতপ্রতিঘাত সহ্য করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে আকড়ে ধরে আছেন। তিনি  ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির বাগমারা উপজেলার আহবায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দীর্ঘ স্বৈরাচার হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে নেতা কর্মিদের রাজপথে থাকার সাহস যোগিয়ে অসংখ্য নেতাকর্মীদের মামলা তার ব্যক্তিগত শ্রমের অর্থায়নে জামিন করিয়েছেন। এবং বাগমারা উপজেলা সহ পাশ্ববর্তী উপজেলা মোহনপুরের  প্রত্যন্ত গ্রামঅঞ্চল থেকে শুরু করে, দুর্দিনে দলের তৃণমূল নেতাকর্মিদের খোজ-খবর রেখেছেন। সেই সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি কেন্দ্রে জোরালো লবিং করে যাচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। দলের সু-দিন ও দুর্দিনে সামাজিক অর্থনৈতিক মেধাশ্রম দিয়ে অতুলনীয় অবদান রেখে, যেভাবে দলকে আকঁড়ে ধরে রেখেছেন,তাতে তিনিই বাগমারা-৪ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নের একমাত্র দাবিদার। বাগমারা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়ার সাথে একান্ত আলাপচারিতায়  এই প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি  বলেন, আমি সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক, দলে গ্রুপিং চাইনা, আমরা (বিএনপি) সবাই একপরিবার। ত্যাগী নেতাদের দুরে সরিয়ে, ফ্যাসিস্ট হাইব্রিড নেতার যেন দলে আগমন না ঘটে সেটাই আমার মূল লক্ষ্য। হাসিনা ফ্যাসিস্ট সরকারের দীর্ঘ শ্বাশনামলে দল ও দলের নেতাকর্মীরা যখন ঠাঁই খুঁজে পাচ্ছিলনা, তখনও তিনি হাসিনা বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে নির্যাতনসহ কারাবরণ করতে হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের দুঃসময়ে এই সাহসী রাজনৈতিক নেতা কখনো পিছপা হয়নি। তিনি কারাবন্দী  নেতাকর্মীদের ঢাকায় উচ্চ আদালত থেকে শুরু করে নিম্ন আদালত  জামিন করিয়ে দিতে আইনি লড়াইয়ে ব্যস্ত ছিলেন এই আইকন নেতা। ক্লিন ইমেজ এই নেতা, দলের দুর্দিনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অন্যতম আর্দশে আর্দশিত ছিলেন। খোঁজনিয়ে জানাগেছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১দফা বাস্তবায়নের লক্ষে এলাকায় এসে দুই উপজেলার তথা বাগমারা মোহনপুর উপজেলার সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে, বাগমারা বিএনপির আহবায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া দলের বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেন।  তিনি  বলেন, আমি দলের কোন পদ-পদবী চায় না বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে দলীয় শৃংখলা বজায়রেখে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে চান এই নেতা। বাগমারা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া  জানান, রাজশাহী-৫৫, বাগমারা -৪ আসনটি স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে যতটুকু উন্নয়ন হওয়ার কথা ছিল সে অনুপাতে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। যখন যে ক্ষমতা পেয়েছে তখন সে নিজের এবং আত্মীয়-স্বজনদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘঠিয়েছে। আর যেটুকু হয়েছে, তত্কালীন বিএনপির সাবেক এমপি মরহুম আবু হেনার এর মাধ্যমে হয়েছে, তিনি মারা যাওয়ার পরে রাজশাহী-৫৫, বাগমারা-৪ উপজেলায় দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন হয়নি। পিছিয়ে পড়া এই  উপজেলা এখনো পিছিয়ে আছে। কেন্দ্রীয় হাইকমান্ড নেতাদের প্রতি প্রত্যাশা করে বলেন, তিনি যদি মনোনয়ন পান তাহলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে,  পিছিয়ে পড়া বাগমার-৪ আসনের উপজেলাকে মডেল উপজেলা হিসেবে বাস্তবায়ন করবেন। যা স্বাধীনতার ৫৪ বছর ধরে এ উপজেলাবাসী শুধু স্বপ্ন দেখেছে।