১১:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডুমুরিয়ায় কয়েক দিন ধরেই পুড়ছে জনজীবন, গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা মানুষের

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১০:৫২:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫
  • ৩৬ Time View
blank
blank

 

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া খুলনা

খুলনার ডুমুরিয়ায় তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ। প্রখর রোদ আর অসহনীয় তাপমাত্রার কারনে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বসন্তের দিন ফুরিয়ে রুক্ষ প্রকৃতিতে এখন কেবলই সূর্যের সীমাহীন উত্তাপ। অসহনীয় গরমে সবচেয়ে কষ্টে আছেন দিনমজুর সহ খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। রৌদ্র ও গরমের তীব্রতা এতটাই বেশি যে, বাইরে কাজে বের হয়ে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। জীবিকার তাগিদে উপায়ান্ত না পেয়ে তীব্র রোদেই কাজে বের হতে হয় খেটে খাওয়া মানুষদের। দিনমজুর থেকে শুরু করে নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে অন্য সবার চেয়ে বেশি। উপজেলার বালিয়া খালি এলাকার ভ্যানচালক আলী আহমদ বলেন, আমাদের মতো গরিবদের আর গরম, মরলে কি? বাঁচলেইবা কি? জীবিকার তাগিদে রাস্তায় বের হতেই হয়। উপজেলার ইজিবাইক, সিএনজি, ভ্যানচালক, দিনমজুরসহ নিম্ন আয়ের মানুষদের মন্তব্য প্রায় একই। গত কয়েক দিন ধরেই পুড়ছে জনজীবন। গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা মানুষের। দিনে তীব্র গরমের পর রাতেও নেই স্বস্তি। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটে। আগের মতো বড় বড় গাছ নেই, পুকুর নেই, খাল নেই। এসব কারণে বাতাসের সঙ্গে ময়েশ্চার বহন করে না, সবকিছু শুষ্ক হয়ে যাওয়ায় গরমের তীব্রতা বাড়ছে। যেখানে সেখানে ছায়া মানুষ বিশ্রাম নিচ্ছে, স্বস্তি পেতে ঠান্ডা সরবত বা ডাব খাচ্ছে। রাস্তায় বের হলে সাথে ছাতা নিয়ে বের হচ্ছেন পথচারিরা। উপজেলা সদরের দোকান পাটেও কমে গেছে ভিড়। ঠান্ডা পানীয় সরবত ও আইক্রিমের দোকানে কিছুটা ভিড় দেখা গেলেও অন্যান্য দোকানে চলছে নীবরতা। প্রচন্ড গরমে কৃষি কাজেও প্রভাব পড়ছে। চাষিরা বলছেন মাঠে কাজ করাটা এখন চরম কষ্টকর হয়ে পড়েছে। গরমে পানিশূন্যতাসহ নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হঠাৎ গরম বেড়ে যাওয়ায় পেশাজীবী, শ্রমজীবী মানুষ, বিশেষ করে ইজিবাইক-ভ্যানচালকদের অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তীব্র গরমে পানিশূন্যতা কিংবা হিটস্ট্রোক এড়াতে একটানা কাজ না করে বিশ্রাম নিয়ে কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা। তারা বলেন, প্রচন্ড গরমে শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। আমরা সবাইকে স্যালাইন খাওয়া ও ছায়াযুক্ত স্থানে থাকার পরামর্শ দিচ্ছি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

বিসিডিএস সভাপতিকে মুঠোফোনে হুমকি পদ বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

ডুমুরিয়ায় কয়েক দিন ধরেই পুড়ছে জনজীবন, গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা মানুষের

Update Time : ১০:৫২:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫
blank
blank

 

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া খুলনা

খুলনার ডুমুরিয়ায় তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন, বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ। প্রখর রোদ আর অসহনীয় তাপমাত্রার কারনে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বসন্তের দিন ফুরিয়ে রুক্ষ প্রকৃতিতে এখন কেবলই সূর্যের সীমাহীন উত্তাপ। অসহনীয় গরমে সবচেয়ে কষ্টে আছেন দিনমজুর সহ খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। রৌদ্র ও গরমের তীব্রতা এতটাই বেশি যে, বাইরে কাজে বের হয়ে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। জীবিকার তাগিদে উপায়ান্ত না পেয়ে তীব্র রোদেই কাজে বের হতে হয় খেটে খাওয়া মানুষদের। দিনমজুর থেকে শুরু করে নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে অন্য সবার চেয়ে বেশি। উপজেলার বালিয়া খালি এলাকার ভ্যানচালক আলী আহমদ বলেন, আমাদের মতো গরিবদের আর গরম, মরলে কি? বাঁচলেইবা কি? জীবিকার তাগিদে রাস্তায় বের হতেই হয়। উপজেলার ইজিবাইক, সিএনজি, ভ্যানচালক, দিনমজুরসহ নিম্ন আয়ের মানুষদের মন্তব্য প্রায় একই। গত কয়েক দিন ধরেই পুড়ছে জনজীবন। গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা মানুষের। দিনে তীব্র গরমের পর রাতেও নেই স্বস্তি। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটে। আগের মতো বড় বড় গাছ নেই, পুকুর নেই, খাল নেই। এসব কারণে বাতাসের সঙ্গে ময়েশ্চার বহন করে না, সবকিছু শুষ্ক হয়ে যাওয়ায় গরমের তীব্রতা বাড়ছে। যেখানে সেখানে ছায়া মানুষ বিশ্রাম নিচ্ছে, স্বস্তি পেতে ঠান্ডা সরবত বা ডাব খাচ্ছে। রাস্তায় বের হলে সাথে ছাতা নিয়ে বের হচ্ছেন পথচারিরা। উপজেলা সদরের দোকান পাটেও কমে গেছে ভিড়। ঠান্ডা পানীয় সরবত ও আইক্রিমের দোকানে কিছুটা ভিড় দেখা গেলেও অন্যান্য দোকানে চলছে নীবরতা। প্রচন্ড গরমে কৃষি কাজেও প্রভাব পড়ছে। চাষিরা বলছেন মাঠে কাজ করাটা এখন চরম কষ্টকর হয়ে পড়েছে। গরমে পানিশূন্যতাসহ নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হঠাৎ গরম বেড়ে যাওয়ায় পেশাজীবী, শ্রমজীবী মানুষ, বিশেষ করে ইজিবাইক-ভ্যানচালকদের অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তীব্র গরমে পানিশূন্যতা কিংবা হিটস্ট্রোক এড়াতে একটানা কাজ না করে বিশ্রাম নিয়ে কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা। তারা বলেন, প্রচন্ড গরমে শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। আমরা সবাইকে স্যালাইন খাওয়া ও ছায়াযুক্ত স্থানে থাকার পরামর্শ দিচ্ছি।