
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর ইউনিয়নের শান্ত এক গ্রাম—টিটাবাজিতপুর। এখানেই জন্ম এক স্বপ্নচারী, সংগ্রামী ও সাফল্যমুখর মানুষের—অ্যাডভোকেট এস. এম. জাকির হোসেন।
মৃত: এস. এম. অবেদ আলী ও রিজিয়া বেগমের সুযোগ্য সন্তান জাকির হোসেন সম্প্রতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন। এ এক অনন্য গৌরব কেশবপুরবাসীর জন্য, সারা দেশের জন্য।
সাগরদাঁড়ী মাইকেল মধুসূদন ইনস্টিটিউট থেকে এসএসসি ও কেশবপুর সরকারি পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে তিনি উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে যান রাজধানীর গ্রিন ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এ। সেখান থেকে এলএল.বি (অনার্স) ও এলএল.এম-এ প্রথম শ্রেণীতে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।
পরে ঢাকা জজ কোর্ট, ঢাকা ট্যাকসেস বার এবং সর্বশেষ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে যুক্ত হন তিনি।
শুধু আইনজীবী নয়, অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন সক্রিয় সমাজকর্মী হিসেবেও সুপরিচিত। তিনি গ্রিন ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সাধারণ সম্পাদক, ল-অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক, ল-ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া তিনি সাগরদাঁড়ী নিউজ 24-এর সম্মানিত আইন উপদেষ্টা এবং NBSWO এর উপদেষ্টা হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
এই গৌরবময় অর্জনের পর অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন বলেন, আমি দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই, যেন সবসময় ন্যায়ের পক্ষে, মানুষের পক্ষে, দেশের পক্ষে কাজ করতে পারি। বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করে ন্যায়বিচারের আলো ছড়িয়ে দিতে পারি।
এই কৃতি সন্তানের হাত ধরে কেশবপুরের মাটি আরও একবার উঁচু হয়ে দাঁড়াল দেশের সর্বোচ্চ আদালতের চত্বরে। তাঁর এই যাত্রা হোক সকল তরুণের অনুপ্রেরণা।












