০৯:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডুমুরিয়ায় মধুমাস জ্যৈষ্ঠের শুরু

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৪:০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫
  • ৩৮ Time View
blank
blank

 

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া খুলনা

জ্যৈষ্ঠ মাসের আজ পহেলা। বাংলা বর্ষের দ্বিতীয় মাসের প্রথম দিন আজ। যেভাবেই বলি না কেন গ্রীষ্মের  মাঝে   এই জৈষ্ঠই এখন মধুমাস। তীব্র তাপদহে প্রাণটা ওষ্ঠাগত হলেও প্রকৃতিতে এখন অন্য রূপ। নানা স্বাদের বাহারি সব ফলের ম ম গন্ধে মাতোয়ারা বাংলার প্রান্তর।

বাংলা অভিধানে  চৈত্রকে মধুমাস বলা হলেও  রসালো আর মিষ্টি ফলের প্রাচুর্যে কালের পরিক্রমায় জৈষ্ঠ মাস  এখন মধুমাস হিসেবেই সমাদৃত।

ডুমুরিয়া বাজার জুড়ে ফলের বাহার রসেতে টলমল, আম, কাঁঠাল আর জাম জামরুল নানা রকম ফল।

 

মেঘের গর্জন তর্জন যায় হোক না কেন, বলা যায় আজ থেকেই  অনানুষ্ঠানিকভাবেই বাজারে আসতে শুরু করছে  গ্রীষ্মকালীন ফলের সম্ভার। আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, তরমুজসহ নানা জাতের পাকা ফলের ঘ্রাণে ভরে ওঠছে হাটবাজার। রসালো ফলের এই সমাহার বাঙালির রসনা তৃপ্তির পাশাপাশি অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে উৎপাদিত ফল এই সময়েই পুরোদমে বাজারে আসে, যা কৃষকদের জন্য নতুন ঋতুর আশীর্বাদ।

 

জৈষ্ঠ্য আসার সাথে সাথেই  শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত সর্বত্রই যেন আনন্দের ঢেউ লাগে।

 

শুধু বাসা বাড়িতে নয়  অফিসে আদালতে ও  ফলই হয়ে ওঠে আপ্যায়নের প্রধান উপকরণ। তাপের তীব্রতা মাঝে  প্রকৃতির পক্ষ থেকে  ফল হচ্ছে মধুর উপহার।

 

ডুমুরিয়া উপজেলা  প্রাণকেন্দ্র ডুমুরিয়া বাজার, চুকনগর বাজার, আঠারো মাইল বাজার, খর্নিয়া বাজার, সব খানেই ফলের পসরা  নিয়েই বসে আছে দোকানী।

অফিস শেষে কর্তা বাসায় ফিরছে  ফলের ব্যাগ হাতে, দিনমজুর কিংবা ইজিবাইক চালকের  রি হাতেও থাকে  ফল।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

ডুমুরিয়ায় মধুমাস জ্যৈষ্ঠের শুরু

Update Time : ০৪:০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫
blank
blank

 

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া খুলনা

জ্যৈষ্ঠ মাসের আজ পহেলা। বাংলা বর্ষের দ্বিতীয় মাসের প্রথম দিন আজ। যেভাবেই বলি না কেন গ্রীষ্মের  মাঝে   এই জৈষ্ঠই এখন মধুমাস। তীব্র তাপদহে প্রাণটা ওষ্ঠাগত হলেও প্রকৃতিতে এখন অন্য রূপ। নানা স্বাদের বাহারি সব ফলের ম ম গন্ধে মাতোয়ারা বাংলার প্রান্তর।

বাংলা অভিধানে  চৈত্রকে মধুমাস বলা হলেও  রসালো আর মিষ্টি ফলের প্রাচুর্যে কালের পরিক্রমায় জৈষ্ঠ মাস  এখন মধুমাস হিসেবেই সমাদৃত।

ডুমুরিয়া বাজার জুড়ে ফলের বাহার রসেতে টলমল, আম, কাঁঠাল আর জাম জামরুল নানা রকম ফল।

 

মেঘের গর্জন তর্জন যায় হোক না কেন, বলা যায় আজ থেকেই  অনানুষ্ঠানিকভাবেই বাজারে আসতে শুরু করছে  গ্রীষ্মকালীন ফলের সম্ভার। আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, তরমুজসহ নানা জাতের পাকা ফলের ঘ্রাণে ভরে ওঠছে হাটবাজার। রসালো ফলের এই সমাহার বাঙালির রসনা তৃপ্তির পাশাপাশি অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে উৎপাদিত ফল এই সময়েই পুরোদমে বাজারে আসে, যা কৃষকদের জন্য নতুন ঋতুর আশীর্বাদ।

 

জৈষ্ঠ্য আসার সাথে সাথেই  শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত সর্বত্রই যেন আনন্দের ঢেউ লাগে।

 

শুধু বাসা বাড়িতে নয়  অফিসে আদালতে ও  ফলই হয়ে ওঠে আপ্যায়নের প্রধান উপকরণ। তাপের তীব্রতা মাঝে  প্রকৃতির পক্ষ থেকে  ফল হচ্ছে মধুর উপহার।

 

ডুমুরিয়া উপজেলা  প্রাণকেন্দ্র ডুমুরিয়া বাজার, চুকনগর বাজার, আঠারো মাইল বাজার, খর্নিয়া বাজার, সব খানেই ফলের পসরা  নিয়েই বসে আছে দোকানী।

অফিস শেষে কর্তা বাসায় ফিরছে  ফলের ব্যাগ হাতে, দিনমজুর কিংবা ইজিবাইক চালকের  রি হাতেও থাকে  ফল।