১০:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‌এনামুল ও আসলামকে জড়িয়ে চরমপন্থী মৃনাল বাহিনীর সহযোগী সত্যজিতের ভুয়া মামলার বি*রুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০১:০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
  • ২৭ Time View
blank
blank

 

পাইকগাছা, খুলনা প্রতিনিধি

“খুলনার পাইকগাছায় জমির মালিকদের ইজারার টাকা না দিয়ে জোর পূর্ব দখল করে ঘেরে মাছ চাষ করে আসছিল জেলা পুলিশের তালিকাভুক্ত এক সময়ের অন্ধকার জগতের ত্রাস চরমপন্থী মৃনাল বাহিনীর অন্যতম সহযোগী সত্যজিৎ সরদার।যার আওয়াজে এক সময় দক্ষিণ অঞ্চলে শিশুদেরকে তার নাম বলে ঘুমাত। মৃনালের মৃত্যু হলেও বিগত সরকারের সময়ে তিনি ছিলেন এলাকার মুর্তিমান আতংক। দখল করে নেয় এলাকার সাধারণ মানুষের জায়গা জমি। হারির টাকা না দিয়ে হাজার হাজার একর জমিতে করতে থাকে চিংড়ী চাষ।

তবে গত ৫ আগষ্ট দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হওয়ার পর সে নিজেকে সামান্য গুটিয়ে রাখে। এ সুযোগে এলাকার দরিদ্র জমির মালিকরা,তাদের জমি উদ্ধার করে সম্মিলিত ভাবে সেখানে মাছ চাষ করেছেন।এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে গোপনে তাদের উপর নানাভাবে অত্যাচার নির্যাতন শুরু করে। বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময়ে  সে ছিল আওয়ামী লীগের দোসর। যিনি আওয়ামী লীগের এমপি আকতারুজ্জামান বাবুসহ অনেকের অর্থ যোগানদাতাও ছিলেন। সম্প্রতি তিনি পুনরায় জমি দখলের জন্য নানান পন্থা অবলম্বন করছেন।

তারই ধারাবাহিকতায় ওই জমি উদ্ধারের জন্য এলাকাবাসীর পক্ষ নেয়া বিএনপি নেতাদের নামে মামলা দিয়ে হয়রাণী করছে। সংবাদ সম্মেলনে কাল্পনিক বক্তব্য এনে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষন্নকরতে উঠে পড়ে লেগেছে।তবে নেপথ্যে রয়েছে একটি স্বার্থেন্বেষী গোষ্ঠী।

মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার মাসফিয়ার রহমান সবুজ বলেন এই ঘেরে বছরের অর্ধেক সময় মাছ ও পরবর্তীতে ধান চাষ হয়। মাছের লভ্যাংশ ঘের মালিকের এবং পরবর্তী ধান চাষের সম্পূর্ণ ফসল জমির মালিকগণ ভোগ দখল করে থাকেন। যেটা আওয়ামী লীগের আমলে সম্ভব ছিল না। দরিদ্র মাছ চাষী ও সাধারণ মানুষ তাদের অধিকার ফিরে পাক বা উপকৃত হোক এটা তারা হতে দিতে চায়না।তারা ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নিতে মাছের ঘেরে লুট বা হামলা অভিযোগ এনে প্রতিপক্ষ ভেবে গ্রামবাসীর পক্ষ নেয়ায় বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এস এম এনামূল হক, বিএনপি নেতা আসলাম পারভেজ,মোঃ ইমরান সরদার,মোঃ ইব্রাহিম গাজীসহ ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১৫/২০ জনকে আসামী করে মামলা দিয়ে হয়রানী করছে।  ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে দলের।

গত ২০ এপ্রিল দেলুটি ইউনিয়নের দিঘলিয়া গ্রামের মৃত নিরোদ সরদারের সন্ত্রাসী পুত্র সত্যজিৎ সরদার খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে। সেখানে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে এবং আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে জমির মালিকদের ঠকিয়ে ঘের দখলের চেষ্টা করতে সে স্থানীয় বিএনপির নামে দুর্নাম করেছে।

মাসফিয়ার রহমান সবুজ আরও বলেন,পাইকগাছার এলাকাধীন মৌজা ১৬৮ নং লতা পুতলাখালীতে মাছের ঘের আছে। আবার পিতা মরহুম ফসিয়ার রহমান ৫টি দলিলমূলে ৩০ বছর ঘের করেন। পরবর্তীতে তার মৃত্যুর পর তারই সন্তান আমি ২০২০ সালের ১লা জানুয়ারী হতে ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫ বছর মেয়াদী ইজারা নিয়েছি। ২০২৩ সালে রেজিস্ট্রি:অফিসের মাধ্যমে শিবপদ সরদারকে পার্টনারশীপ দলিল দেন,যার অংশ থাকে ৫০ শতাংশ। কিন্তু ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তৎকালীন সংসদ সদস্য মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু ও মোঃ রশিদুজ্জামানের ভয় দেখিয়ে বাকী অর্ধেকের ৪৯অংশ জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। ৫ই আগস্ট ফ্যাসিষ্ট সরকারের পতনের পর আমি ১২ নভেম্বর নোটারী দলিলের বিরুদ্ধে (সত্যজিৎ) সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছিলাম।এছাড়া প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে মাছ না পেয়ে শিপে কামড় দিচ্ছে।

অহেতুক বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এস এম এনামুল হক ও আসলাম পারভেজকে জড়িয়ে মিথ্যা প্রপাগান্ডা করছে।আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।সাথে সাথে সন্ত্রাসী সত্যজিৎ কে গ্রেপ্তারের দাবী জানাচ্ছি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

বিসিডিএস সভাপতিকে মুঠোফোনে হুমকি পদ বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

‌এনামুল ও আসলামকে জড়িয়ে চরমপন্থী মৃনাল বাহিনীর সহযোগী সত্যজিতের ভুয়া মামলার বি*রুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

Update Time : ০১:০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
blank
blank

 

পাইকগাছা, খুলনা প্রতিনিধি

“খুলনার পাইকগাছায় জমির মালিকদের ইজারার টাকা না দিয়ে জোর পূর্ব দখল করে ঘেরে মাছ চাষ করে আসছিল জেলা পুলিশের তালিকাভুক্ত এক সময়ের অন্ধকার জগতের ত্রাস চরমপন্থী মৃনাল বাহিনীর অন্যতম সহযোগী সত্যজিৎ সরদার।যার আওয়াজে এক সময় দক্ষিণ অঞ্চলে শিশুদেরকে তার নাম বলে ঘুমাত। মৃনালের মৃত্যু হলেও বিগত সরকারের সময়ে তিনি ছিলেন এলাকার মুর্তিমান আতংক। দখল করে নেয় এলাকার সাধারণ মানুষের জায়গা জমি। হারির টাকা না দিয়ে হাজার হাজার একর জমিতে করতে থাকে চিংড়ী চাষ।

তবে গত ৫ আগষ্ট দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হওয়ার পর সে নিজেকে সামান্য গুটিয়ে রাখে। এ সুযোগে এলাকার দরিদ্র জমির মালিকরা,তাদের জমি উদ্ধার করে সম্মিলিত ভাবে সেখানে মাছ চাষ করেছেন।এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে গোপনে তাদের উপর নানাভাবে অত্যাচার নির্যাতন শুরু করে। বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময়ে  সে ছিল আওয়ামী লীগের দোসর। যিনি আওয়ামী লীগের এমপি আকতারুজ্জামান বাবুসহ অনেকের অর্থ যোগানদাতাও ছিলেন। সম্প্রতি তিনি পুনরায় জমি দখলের জন্য নানান পন্থা অবলম্বন করছেন।

তারই ধারাবাহিকতায় ওই জমি উদ্ধারের জন্য এলাকাবাসীর পক্ষ নেয়া বিএনপি নেতাদের নামে মামলা দিয়ে হয়রাণী করছে। সংবাদ সম্মেলনে কাল্পনিক বক্তব্য এনে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষন্নকরতে উঠে পড়ে লেগেছে।তবে নেপথ্যে রয়েছে একটি স্বার্থেন্বেষী গোষ্ঠী।

মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার মাসফিয়ার রহমান সবুজ বলেন এই ঘেরে বছরের অর্ধেক সময় মাছ ও পরবর্তীতে ধান চাষ হয়। মাছের লভ্যাংশ ঘের মালিকের এবং পরবর্তী ধান চাষের সম্পূর্ণ ফসল জমির মালিকগণ ভোগ দখল করে থাকেন। যেটা আওয়ামী লীগের আমলে সম্ভব ছিল না। দরিদ্র মাছ চাষী ও সাধারণ মানুষ তাদের অধিকার ফিরে পাক বা উপকৃত হোক এটা তারা হতে দিতে চায়না।তারা ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নিতে মাছের ঘেরে লুট বা হামলা অভিযোগ এনে প্রতিপক্ষ ভেবে গ্রামবাসীর পক্ষ নেয়ায় বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এস এম এনামূল হক, বিএনপি নেতা আসলাম পারভেজ,মোঃ ইমরান সরদার,মোঃ ইব্রাহিম গাজীসহ ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১৫/২০ জনকে আসামী করে মামলা দিয়ে হয়রানী করছে।  ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে দলের।

গত ২০ এপ্রিল দেলুটি ইউনিয়নের দিঘলিয়া গ্রামের মৃত নিরোদ সরদারের সন্ত্রাসী পুত্র সত্যজিৎ সরদার খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে। সেখানে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে এবং আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে জমির মালিকদের ঠকিয়ে ঘের দখলের চেষ্টা করতে সে স্থানীয় বিএনপির নামে দুর্নাম করেছে।

মাসফিয়ার রহমান সবুজ আরও বলেন,পাইকগাছার এলাকাধীন মৌজা ১৬৮ নং লতা পুতলাখালীতে মাছের ঘের আছে। আবার পিতা মরহুম ফসিয়ার রহমান ৫টি দলিলমূলে ৩০ বছর ঘের করেন। পরবর্তীতে তার মৃত্যুর পর তারই সন্তান আমি ২০২০ সালের ১লা জানুয়ারী হতে ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫ বছর মেয়াদী ইজারা নিয়েছি। ২০২৩ সালে রেজিস্ট্রি:অফিসের মাধ্যমে শিবপদ সরদারকে পার্টনারশীপ দলিল দেন,যার অংশ থাকে ৫০ শতাংশ। কিন্তু ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তৎকালীন সংসদ সদস্য মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু ও মোঃ রশিদুজ্জামানের ভয় দেখিয়ে বাকী অর্ধেকের ৪৯অংশ জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। ৫ই আগস্ট ফ্যাসিষ্ট সরকারের পতনের পর আমি ১২ নভেম্বর নোটারী দলিলের বিরুদ্ধে (সত্যজিৎ) সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছিলাম।এছাড়া প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে মাছ না পেয়ে শিপে কামড় দিচ্ছে।

অহেতুক বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এস এম এনামুল হক ও আসলাম পারভেজকে জড়িয়ে মিথ্যা প্রপাগান্ডা করছে।আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।সাথে সাথে সন্ত্রাসী সত্যজিৎ কে গ্রেপ্তারের দাবী জানাচ্ছি।