০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বচ্ছতা-উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে কাজি আসাদুর রহমান টিটু

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
  • ২৮ Time View
blank
blank

 

পাভেল ইসলাম মিমুল,স্টাফ রিপোর্টার

আসন্ন ২৬ এপ্রিল,শনিবার। রাজশাহী সিটি কো-অপারেটিভ সোসাইটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৫ সামনে রেখে সংগঠনজুড়ে চলছে নানা প্রস্তুতি,প্রচার ও প্রত্যাশার গল্প। নির্বাচনের সবচেয়ে আলোচিত প্রার্থী এখন কাজি আসাদুর রহমান টিটু। সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি। ভোটারদের অনেকেই বলছেন, কো-অপারেটিভের অতীত,বর্তমান ও ভবিষ্যৎ টিটুর হাত ধরেই নিরাপদ হতে পারে।

কাজি আসাদুর রহমান টিটু শুধু একজন প্রার্থী নন,তিনি দীর্ঘদিন ধরে দি রাজশাহী সিটি কো-অপারেটিভ সোসাইটির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত। প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা,সদস্যদের স্বার্থরক্ষা এবং আর্থিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সবসময় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন তিনি। তার নেতৃত্বে পরিচালিত বিভিন্ন সাব-কমিটি সময়মতো বাজেট পাস,ঋণ অনুমোদন এবং সদস্যদের কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনায় দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে।

সোসাইটির একজন সদস্য বলেন, “টিটু ভাই যখন কোনো দায়িত্বে থাকেন,আমরা নিশ্চিন্ত থাকি। কারণ তিনি কখনোই কারো টাকা-পয়সা বা দায়িত্বে গাফিলতি করেন না। উনার কাছে কোনো ফাইল দিনের পর দিন পড়ে থাকে না।” এই আস্থাই নির্বাচনে তার বড় শক্তি।

বিগত মেয়াদগুলোতে কো-অপারেটিভ সোসাইটির কিছু দুর্বলতা ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে প্রতিবাদ বা পরামর্শ সভায় স্পষ্ট বক্তব্য রেখেছেন টিটু। তিনি শুধু সমালোচনাতেই সীমাবদ্ধ থাকেননি,বরং সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের রূপরেখাও দিয়েছেন। তার এই স্পষ্টভাষী ও বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি অনেক সদস্যের মনে প্রশংসা কুড়িয়েছে।

সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হলে সোসাইটিকে ডিজিটালাইজড করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। সদস্যদের লেনদেন অনলাইনে করার সুবিধা,ঋণ গ্রহণ ও জমা সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম স্বচ্ছ ও দ্রুত করতে চাচ্ছেন তিনি। এছাড়া সদস্যদের সন্তানদের জন্য স্কলারশিপ প্রোগ্রাম চালুরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

টিটু বলেন, “আমরা যদি চাই,তাহলে এই প্রতিষ্ঠান শুধু আর্থিক সহযোগিতা নয়,একটা সামাজিক আন্দোলনের অংশ হতে পারে। আমি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে সেই পথেই সোসাইটিকে নিতে চাই।”

প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা সদস্যদের চিকিৎসা সহায়তার প্রয়োজন—টিটু সবসময় সামনের কাতারে থেকেছেন। গত বছর কয়েকজন প্রবীণ সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়লে,তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। নিজ উদ্যোগে ফান্ড গঠন করে সহযোগিতা করেছিলেন। এমন মানবিক গুণই তাকে ভোটারদের হৃদয়ে আলাদা জায়গা দিয়েছে।

এই নির্বাচনে পুরো রাজশাহী সিটি কো-অপারেটিভ সোসাইটি এলাকা নিয়ে লড়াই করছেন টিটু। তার সমর্থকরা পোস্টার,লিফলেট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছেন। ‘আম’ প্রতীকে ভোট চেয়ে তারা বলছেন, “টিটু ভাইয়ের মতো একজন অভিজ্ঞ ও নিষ্ঠাবান মানুষ সাধারণ সম্পাদক হলে আমাদের প্রতিষ্ঠান আরও শক্ত ভিত পাবে।”

সোসাইটির একজন মাঠকর্মী বলেন, “বেশিরভাগ বড় অফিসাররা আমাদের খোঁজ রাখেন না। কিন্তু টিটু ভাই মাঝেমধ্যেই খবর নেন—কোন সদস্য কেমন আছে,কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না। তিনি শুধু উপরের মানুষ নন,নিচ থেকে উঠে আসা বাস্তব অভিজ্ঞতায় গড়া নেতা।”

নির্বাচন নিয়ে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে সোসাইটির নির্বাচন কমিশন। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণে সবধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভোটগ্রহণ হবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

কাজি আসাদুর রহমান টিটু আশাবাদী,এই নির্বাচনে সদস্যরা বাছাই করবেন এমন একজনকে, যিনি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। “আমি চাই কো-অপারেটিভ হোক সবার, সবাই মিলে গড়ি একটা শক্তিশালী আর স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান,” বলছিলেন তিনি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

বিসিডিএস সভাপতিকে মুঠোফোনে হুমকি পদ বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

স্বচ্ছতা-উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে কাজি আসাদুর রহমান টিটু

Update Time : ১২:৩২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
blank
blank

 

পাভেল ইসলাম মিমুল,স্টাফ রিপোর্টার

আসন্ন ২৬ এপ্রিল,শনিবার। রাজশাহী সিটি কো-অপারেটিভ সোসাইটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৫ সামনে রেখে সংগঠনজুড়ে চলছে নানা প্রস্তুতি,প্রচার ও প্রত্যাশার গল্প। নির্বাচনের সবচেয়ে আলোচিত প্রার্থী এখন কাজি আসাদুর রহমান টিটু। সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি। ভোটারদের অনেকেই বলছেন, কো-অপারেটিভের অতীত,বর্তমান ও ভবিষ্যৎ টিটুর হাত ধরেই নিরাপদ হতে পারে।

কাজি আসাদুর রহমান টিটু শুধু একজন প্রার্থী নন,তিনি দীর্ঘদিন ধরে দি রাজশাহী সিটি কো-অপারেটিভ সোসাইটির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত। প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষা,সদস্যদের স্বার্থরক্ষা এবং আর্থিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সবসময় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন তিনি। তার নেতৃত্বে পরিচালিত বিভিন্ন সাব-কমিটি সময়মতো বাজেট পাস,ঋণ অনুমোদন এবং সদস্যদের কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনায় দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে।

সোসাইটির একজন সদস্য বলেন, “টিটু ভাই যখন কোনো দায়িত্বে থাকেন,আমরা নিশ্চিন্ত থাকি। কারণ তিনি কখনোই কারো টাকা-পয়সা বা দায়িত্বে গাফিলতি করেন না। উনার কাছে কোনো ফাইল দিনের পর দিন পড়ে থাকে না।” এই আস্থাই নির্বাচনে তার বড় শক্তি।

বিগত মেয়াদগুলোতে কো-অপারেটিভ সোসাইটির কিছু দুর্বলতা ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে প্রতিবাদ বা পরামর্শ সভায় স্পষ্ট বক্তব্য রেখেছেন টিটু। তিনি শুধু সমালোচনাতেই সীমাবদ্ধ থাকেননি,বরং সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের রূপরেখাও দিয়েছেন। তার এই স্পষ্টভাষী ও বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি অনেক সদস্যের মনে প্রশংসা কুড়িয়েছে।

সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হলে সোসাইটিকে ডিজিটালাইজড করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। সদস্যদের লেনদেন অনলাইনে করার সুবিধা,ঋণ গ্রহণ ও জমা সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম স্বচ্ছ ও দ্রুত করতে চাচ্ছেন তিনি। এছাড়া সদস্যদের সন্তানদের জন্য স্কলারশিপ প্রোগ্রাম চালুরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

টিটু বলেন, “আমরা যদি চাই,তাহলে এই প্রতিষ্ঠান শুধু আর্থিক সহযোগিতা নয়,একটা সামাজিক আন্দোলনের অংশ হতে পারে। আমি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে সেই পথেই সোসাইটিকে নিতে চাই।”

প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা সদস্যদের চিকিৎসা সহায়তার প্রয়োজন—টিটু সবসময় সামনের কাতারে থেকেছেন। গত বছর কয়েকজন প্রবীণ সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়লে,তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। নিজ উদ্যোগে ফান্ড গঠন করে সহযোগিতা করেছিলেন। এমন মানবিক গুণই তাকে ভোটারদের হৃদয়ে আলাদা জায়গা দিয়েছে।

এই নির্বাচনে পুরো রাজশাহী সিটি কো-অপারেটিভ সোসাইটি এলাকা নিয়ে লড়াই করছেন টিটু। তার সমর্থকরা পোস্টার,লিফলেট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছেন। ‘আম’ প্রতীকে ভোট চেয়ে তারা বলছেন, “টিটু ভাইয়ের মতো একজন অভিজ্ঞ ও নিষ্ঠাবান মানুষ সাধারণ সম্পাদক হলে আমাদের প্রতিষ্ঠান আরও শক্ত ভিত পাবে।”

সোসাইটির একজন মাঠকর্মী বলেন, “বেশিরভাগ বড় অফিসাররা আমাদের খোঁজ রাখেন না। কিন্তু টিটু ভাই মাঝেমধ্যেই খবর নেন—কোন সদস্য কেমন আছে,কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না। তিনি শুধু উপরের মানুষ নন,নিচ থেকে উঠে আসা বাস্তব অভিজ্ঞতায় গড়া নেতা।”

নির্বাচন নিয়ে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে সোসাইটির নির্বাচন কমিশন। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণে সবধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভোটগ্রহণ হবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

কাজি আসাদুর রহমান টিটু আশাবাদী,এই নির্বাচনে সদস্যরা বাছাই করবেন এমন একজনকে, যিনি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। “আমি চাই কো-অপারেটিভ হোক সবার, সবাই মিলে গড়ি একটা শক্তিশালী আর স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান,” বলছিলেন তিনি।