০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাসাইলে পহেলা বৈশাখে দিন ধর্ষ/ণের শিকার স্কুলছাত্রী, প্রেমিক কারাগারে

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৯:০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫
  • ২৭ Time View
blank
blank

 

মোঃ মেরাজ শিকদার,ঢাকা ব্যুরো প্রধানঃ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তাদের পরিচয়। একপর্যায়ে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। গত ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের দিন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বেড়ানোর কথা বলে পরিত্যক্ত একটি ঘরে জোরপূর্বক ধর্ষণের শিকার হন এক স্কুলছাত্রী। এ সময় বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা প্রেমিককে আটকে রেখে মারধরের পর পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।সোমবার (১৪ এপ্রিল) বিকালে টাঙ্গাইলের বাসাইলে এমন ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত প্রেমিকের নাম ফয়সাল মিয়া। তিনি মির্জাপুুর উপজেলার হাটফতেহপুর উত্তরপাড়া গ্রামের আব্দুল কাদের মিয়ার ছেলে।ঘটনায় মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) বিকালে ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রী নিজেই বাদী হয়ে ফয়সাল মিয়ার বিরুদ্ধে বাসাইল থানায় মামলা দায়ের করেন।এরপর বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে অভিযুুক্ত ফয়সাল মিয়াকে বাসাইল থানা পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে। এদিন রাতে বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জালাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রী বাসাইল পৌর এলাকার একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের বাসিন্দা।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ মাস আগে ওই শিক্ষার্থীর সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুুকে পরিচয় হয় ফয়সালের। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।গত পহেলা বৈশাখ সোমবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে ওই ছাত্রীকে বেড়ানোর কথা বলে মোটরসাইকেলযোগে বাসাইল পূর্ব-মধ্যপাড়া এলাকায় বাসাইল মুজিব হাবিব ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসার পেছনে নিয়ে যায়। সেখানে মজিবুুর রহমানের পুকুরের পূূর্বপাশে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।এসময় স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে প্রেমিক ফয়সাল মিয়াকে আটকে রেখে মারধর করে। পরে অভিযুক্ত প্রেমিক ফয়সাল মিয়াকে পুুলিশের কাছে সোপর্দ করে স্থানীয়রা।এ ব্যাপারে বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, অভিযুক্তকে আটক করে থানায় সোপর্দ করে স্থানীয়রা। এ ঘটনায় একটি মামলা হওয়ার পর অভিযুক্ত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

বাসাইলে পহেলা বৈশাখে দিন ধর্ষ/ণের শিকার স্কুলছাত্রী, প্রেমিক কারাগারে

Update Time : ০৯:০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫
blank
blank

 

মোঃ মেরাজ শিকদার,ঢাকা ব্যুরো প্রধানঃ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তাদের পরিচয়। একপর্যায়ে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। গত ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের দিন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বেড়ানোর কথা বলে পরিত্যক্ত একটি ঘরে জোরপূর্বক ধর্ষণের শিকার হন এক স্কুলছাত্রী। এ সময় বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা প্রেমিককে আটকে রেখে মারধরের পর পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।সোমবার (১৪ এপ্রিল) বিকালে টাঙ্গাইলের বাসাইলে এমন ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত প্রেমিকের নাম ফয়সাল মিয়া। তিনি মির্জাপুুর উপজেলার হাটফতেহপুর উত্তরপাড়া গ্রামের আব্দুল কাদের মিয়ার ছেলে।ঘটনায় মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) বিকালে ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রী নিজেই বাদী হয়ে ফয়সাল মিয়ার বিরুদ্ধে বাসাইল থানায় মামলা দায়ের করেন।এরপর বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে অভিযুুক্ত ফয়সাল মিয়াকে বাসাইল থানা পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে। এদিন রাতে বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জালাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রী বাসাইল পৌর এলাকার একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের বাসিন্দা।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ মাস আগে ওই শিক্ষার্থীর সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুুকে পরিচয় হয় ফয়সালের। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।গত পহেলা বৈশাখ সোমবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে ওই ছাত্রীকে বেড়ানোর কথা বলে মোটরসাইকেলযোগে বাসাইল পূর্ব-মধ্যপাড়া এলাকায় বাসাইল মুজিব হাবিব ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসার পেছনে নিয়ে যায়। সেখানে মজিবুুর রহমানের পুকুরের পূূর্বপাশে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।এসময় স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে প্রেমিক ফয়সাল মিয়াকে আটকে রেখে মারধর করে। পরে অভিযুক্ত প্রেমিক ফয়সাল মিয়াকে পুুলিশের কাছে সোপর্দ করে স্থানীয়রা।এ ব্যাপারে বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, অভিযুক্তকে আটক করে থানায় সোপর্দ করে স্থানীয়রা। এ ঘটনায় একটি মামলা হওয়ার পর অভিযুক্ত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।