
মো: মোস্তাফিজুর রহমান নিজস্ব প্রতিবেদক
আমাদি ইউনিয়নে হরীকাঠি গ্রামের বিলে গিয়ে দেখা যায় দুই’শ বিঘার জমিতে তরমুজ চাষ করেছে। শভিতা রাণী নামে এক কৃষাণী বলেন এ বছর বৃষ্টি না হওয়ায় তরমুজের ভালো গ্রথ হয়নি তিনি আরো বলেন আমি ৫ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছি সার-পাউডার দিয়েছি কিন্তু সরকারি রেট থেকে সারের দাম বেশি ধরছে ডিলাররা তবে ভালো পানি হলে তরমুজ সাইজ আরো বড় হতো। মনোতোষ সরকার নামে অপার এক কৃষক বলেন আমি ৯ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। খেতে তিন বার পানি সেচ দিয়েছি এখন আর এক বার পানি সেচ দেয়া দরকার কিন্তু তরমুজের গায়ে সাদা গাদ হওয়ার আশঙ্কায় আর পানি সেচ দিতে পারছি না। আমার খেতে তরমুজের ওজন ৩ থেকে ৪ কেজি হয়েছে যদি বৃষ্টি হত তাহলে ৫ থেকে ৭ সাত কেজি ওজন হত। তিনি আরো বলেন ভালো বিজ না পাওয়ার কারনে তেমন ভালো ফসল হয়নি তবে ১২ কাঠায় জমিতে (অগ্নী বিচ) পুতেছিলাম এই ১২ কাঠায় ভালো ফলন পেয়েছি। তবে বৃষ্টি হলে বাম্পার ফসল পেতাম।
কয়রা উপজেলায় এবার তরমুজের আবাদ হয়েছে ৩৫/৪০ টন হেক্টর। বিঘা প্রতি ৫০/৮০ হাজার টাকা বিক্রি হবে বলে যানান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার মন্ডল।











