০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কপিলমুনিতে সাধ্যের মধ্যে স্বল্প মূল্যে ঈদ কেনাকাটায় সবার শীর্ষে পপি ইন্টারপ্রাইজ

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০১:২৯:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
  • ৩১ Time View
blank
blank

 

মোঃ ফসিয়ার রহমান, পাইকগাছা(খুলনা)প্রতিনিধি

ঈদের খুশি ম্লান না হয় দামের কাছে’ মাথায় রেখে সাধ্যের মধ্যে ঈদের জামা কাপড় কিনতে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনিতে অবস্থিত পপি ইন্টারপ্রাইজ। সবার মাঝে ছড়িয়ে যাক ঈদের আনন্দ’ শ্লোগানকে সামনে রেখে ঈদের প্রতিবছরের ন্যায় এবারেও পাইকগাছার কপিলমুনিতে অবিশ্বাস্য কম মূল্যে ঈদের কেনাকাটার সুযোগ করে দিয়েছে মানবাধিকার ও সাংবাদিক ব্যক্তিত্ব পারভেজ মুহাম্মদের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান মেসার্স পপি এন্টার প্রাইজ। ২০ তম রমজান থেকে উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন মেসার্স পপি এন্টারপ্রাইজের শোরুম ছাড়াও ক্রেতাদের বাড়তি সুবিধার্থে গার্লস স্কুল সংলগ্ন ড্রিম টাচ শপিং কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় বর্ধিত কলেবরে দ্বিতীয় শাখায় সর্বনিম্ন নির্ধারিত মূল্যে পোশাক বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। যা চলবে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের দিন পর্যন্ত।

বুধবার সকালে সন্তানদের জন্য জামাকাপড় কিনতে আসা মরিয়ম বেগম জানান, বাজেটের মধ্যে পাওয়া খুব কষ্টকর। তবে সব জায়গা ঘুরে পপি ইন্টারপ্রাইজ এসে বাজেটের মধ্যে সন্তানদের পোশাক কিনে িতে পেরে ভালো লাগছে।

কেনাকাটা করতে আসা কয়েকজনের সাথে আলাপ করে জানা যায়, সর্বনিন্ম নির্ধারিত মূল্যে সন্তানদের জন্য নতুন কাপড় কিনতে পারায় বেজায় খুশি তারা। স্বল্প পরিসরে পরিবার নিয়ে ঈদ উদযাপন করতে পারবেন বলেও জানান অনেকেই। আর তাই আয়োজকদের জন্য প্রাণ ভরে দোয়াও করছেন অনেকে।

এ ব্যাপারে মেসার্স পপি এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধিকারী সিনিয়র সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী এস এম মুস্তাফিজুর রহমান পারভেজ জানান, মধ্যবিত্ত ও নিন্মবিত্ত পরিবারের মানুষেরা যেন আর্থিক সংকটে ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়, সে জন্যই বরাবরের ন্যায় সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই তার এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন। প্রিয় সন্তানের আবদার মেটাতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পিতা-মাতার পাশে দাঁড়াতে যার যার অবস্থান থেকে চেষ্টা করলে অসহায়-ছিন্নমূল মানুষের মুখে হাঁসি ফোটানো সম্ভব। বিক্রয় বেশি হওয়াতে লসের পরিমাণ বাড়লেও ভবিষ্যতেও এমন কাজের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবেন বলে জানান বিশিষ্ট এ কলম যোদ্ধা।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

বিসিডিএস সভাপতিকে মুঠোফোনে হুমকি পদ বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

কপিলমুনিতে সাধ্যের মধ্যে স্বল্প মূল্যে ঈদ কেনাকাটায় সবার শীর্ষে পপি ইন্টারপ্রাইজ

Update Time : ০১:২৯:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
blank
blank

 

মোঃ ফসিয়ার রহমান, পাইকগাছা(খুলনা)প্রতিনিধি

ঈদের খুশি ম্লান না হয় দামের কাছে’ মাথায় রেখে সাধ্যের মধ্যে ঈদের জামা কাপড় কিনতে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনিতে অবস্থিত পপি ইন্টারপ্রাইজ। সবার মাঝে ছড়িয়ে যাক ঈদের আনন্দ’ শ্লোগানকে সামনে রেখে ঈদের প্রতিবছরের ন্যায় এবারেও পাইকগাছার কপিলমুনিতে অবিশ্বাস্য কম মূল্যে ঈদের কেনাকাটার সুযোগ করে দিয়েছে মানবাধিকার ও সাংবাদিক ব্যক্তিত্ব পারভেজ মুহাম্মদের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান মেসার্স পপি এন্টার প্রাইজ। ২০ তম রমজান থেকে উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন মেসার্স পপি এন্টারপ্রাইজের শোরুম ছাড়াও ক্রেতাদের বাড়তি সুবিধার্থে গার্লস স্কুল সংলগ্ন ড্রিম টাচ শপিং কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় বর্ধিত কলেবরে দ্বিতীয় শাখায় সর্বনিম্ন নির্ধারিত মূল্যে পোশাক বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। যা চলবে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের দিন পর্যন্ত।

বুধবার সকালে সন্তানদের জন্য জামাকাপড় কিনতে আসা মরিয়ম বেগম জানান, বাজেটের মধ্যে পাওয়া খুব কষ্টকর। তবে সব জায়গা ঘুরে পপি ইন্টারপ্রাইজ এসে বাজেটের মধ্যে সন্তানদের পোশাক কিনে িতে পেরে ভালো লাগছে।

কেনাকাটা করতে আসা কয়েকজনের সাথে আলাপ করে জানা যায়, সর্বনিন্ম নির্ধারিত মূল্যে সন্তানদের জন্য নতুন কাপড় কিনতে পারায় বেজায় খুশি তারা। স্বল্প পরিসরে পরিবার নিয়ে ঈদ উদযাপন করতে পারবেন বলেও জানান অনেকেই। আর তাই আয়োজকদের জন্য প্রাণ ভরে দোয়াও করছেন অনেকে।

এ ব্যাপারে মেসার্স পপি এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধিকারী সিনিয়র সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী এস এম মুস্তাফিজুর রহমান পারভেজ জানান, মধ্যবিত্ত ও নিন্মবিত্ত পরিবারের মানুষেরা যেন আর্থিক সংকটে ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়, সে জন্যই বরাবরের ন্যায় সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই তার এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন। প্রিয় সন্তানের আবদার মেটাতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পিতা-মাতার পাশে দাঁড়াতে যার যার অবস্থান থেকে চেষ্টা করলে অসহায়-ছিন্নমূল মানুষের মুখে হাঁসি ফোটানো সম্ভব। বিক্রয় বেশি হওয়াতে লসের পরিমাণ বাড়লেও ভবিষ্যতেও এমন কাজের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবেন বলে জানান বিশিষ্ট এ কলম যোদ্ধা।