
রিপোর্ট, এম এ রহমান
কেশবপুরে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এক শ্রেণীর প্রতারক চক্ররা স্বক্রীয় হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যে পল্লী এলাকা থেকে মোবাইলে প্রতারণা করে তারা হাতিয়ে নিয়েছে হাজার হাজার টাকা। থানায় অভিযোগ করলেও প্রতারক চক্ররা আইন শৃংখলা বাহিনীর ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অফিসের ইন্জ্ঞিনিয়ার জাহাঙ্গীর নামের পরিচয় দিয়ে সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা ৩ নং ওয়াডের সদস্য মাসুদা বেগমের নিকট ০১৭০১০১০৪৭৩ নাম্বার থেকে ফোন করে ডিবটিউবয়েলের আবেদন করেছে কি-না জানতে চাই। তখন সে তার ওয়াডের চালতিয়াবাড়িয়া গ্রামের মৃত অজেদ আলী দফাদারের ছেলে আব্দুল মালেকের টিউবওয়েলর আবেদন আছে বলে জানান। তখন তাকে বলা হয় উপজেলায় তিন টি টিউবওয়েল আসছে। যদি আপনি নিতে চান তাহলে উল্লেখিত নাম্বারে ১০ হাজার ৬শত ২০ টাকা পাঠিয়ে দিন। আব্দুল মালেকের জরুরি টিউবওয়েলর প্রয়োজন মনে করে তার ওই নাম্বারে ১০ হাজার ৬শ২০ টাকা পাঠিয়ে দিয়েছে। তারপর আর কোনো খবর না পেয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অফিসে যোগাযোগ করে জানতে পারে কেশবপুর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অফিসের ইন্জ্ঞিনিয়ার জাহাঙ্গীর নামের কেউ নেই। তখন বুঝে ফেলেছে তার সাথে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
এদিকে উপজেলার নির্বাচন অফিসার মোঃ রবিউল ইসলামের মোবাইল নম্বর হ্যাক হয়ে যাওয়ায় ০১৮৭৭৫৯৪১৪৬ নাম্বার থেকে চট্টগ্রাম জেলার এসপি রাকিবুল হাসান পরিচয়ে তাঁর নিকট থেকে ১৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ার চেষ্টা করে। এবিষয়ে উপজেলার নির্বাচন অফিসার মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন আমার সাথে প্রতারণা করে ১৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি কেশবপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন উপজেলার নির্বাচন অফিসারের একটি অভিযোগ আছে। প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যহত আছে। ইতিপূর্বে গত ২৩ মার্চ ওই চক্র শহরের মেইন সড়ক থেকে দিনের বেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের নিকট থেকে ৩ লাখ টাকা প্রতারনা করে নিয়ে যায়।











