০৪:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অটোরিকশার যাত্রীদের গাছে বেঁধে ডাকাতি, ৭ ডাকাত সদস্য গ্রে/প্তার

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০১:১১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মার্চ ২০২৫
  • ৩৫ Time View
blank
blank

 

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার এনায়েতপুর-নজরপুর সড়কে ডাকাতির ঘটনায় ৭ জন ডাকাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে তিন জন ব্যক্তি ডাকাতির সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে৷ এছাড়াও ডাকাতি হওয়া একটি অটোরিকশা ও একটি মোবাইলফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ।

জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা-ডিবি পুলিশ ও গোমস্তাপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে গত কয়েকদিনে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, শিবগঞ্জ উপজেলার রানিবাড়ি চাঁদপুর গ্রামের এনামুক হকের ছেলে মো. দেলোয়ার হেসেন (২৪), একই গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে মো. ওয়াসিম (২৮), তহরুল ইসলামের ছেলে তৌহিদ আলী সুজন (২৬), পলাশবাড়ী গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মো. লালচান (৩২), গঙ্গারামপুর মোবারকপুর ইউনিয়নের মৃত সাইফুদ্দিন আহম্মেদের ছেলে মো. দিনুল ইসলাম (৪৩), দানিয়ালপুর মোবারকপুর গ্রামের মৃত সাজেমান আলীর ছেলে মো. আনারুল (৫২), বাটাগ্রাম এলাকার সেরাজুল ইসলামের ছেলে মো. কাজল (৩২)।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা পেশাদার ডাকাত ও ছিনতাইকারী। তাদের বিরুদ্ধে প্রত্যেকের নামে একাধিক ছিনতাই-চুরির মামলা রয়েছে। এমনকি একজন ডাকাত দলের সদস্য ঘটনার দুই দিন আগে জামিনে মুক্ত হয়ে এসে পুণরায় ডাকাতিতে অংশ নিয়েছে। ছিনতাইয়ের শিকার ব্যক্তিরা সকলে একটি বিয়ে বাড়ি থেকে অটোরিকশায় ফেরার পথে এই ডাকাতির শিকার হন।

পুলিশ সুপার আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বেশিরভাগই কিশোর। ডাকাতি হওয়া সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে। সেই সাথে যেকোন এলাকায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতির ঘটনা ঘটলে সাথে সাথে পুলিশকে অবহিত করতে জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ঘটনার সাথে জড়িত বাকি সদস্যদেরকেও আটক ও ছিনতাইয়ের মালমাল উদ্ধার করতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১১ মার্চ) রাত ৯টার দিকে গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর-আড্ডা আঞ্চলিক সড়কের নজরপুর এলাকায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসময় ডাকাতরা একটি বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে অটোরিকশার যাত্রীদের গাছের সাথে বেঁধে রেখে তাদের কাছে থাকা নগদ টাকা, মোবাইল ও সোনার অলংকার এবং অটোরিকশাটি নিয়ে যায়। পরে এ ঘটনায় গোমস্তাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অটোরিকশার যাত্রীদের গাছে বেঁধে ডাকাতি, ৭ ডাকাত সদস্য গ্রে/প্তার

Update Time : ০১:১১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মার্চ ২০২৫
blank
blank

 

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার এনায়েতপুর-নজরপুর সড়কে ডাকাতির ঘটনায় ৭ জন ডাকাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে তিন জন ব্যক্তি ডাকাতির সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে৷ এছাড়াও ডাকাতি হওয়া একটি অটোরিকশা ও একটি মোবাইলফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ।

জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা-ডিবি পুলিশ ও গোমস্তাপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে গত কয়েকদিনে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, শিবগঞ্জ উপজেলার রানিবাড়ি চাঁদপুর গ্রামের এনামুক হকের ছেলে মো. দেলোয়ার হেসেন (২৪), একই গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে মো. ওয়াসিম (২৮), তহরুল ইসলামের ছেলে তৌহিদ আলী সুজন (২৬), পলাশবাড়ী গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মো. লালচান (৩২), গঙ্গারামপুর মোবারকপুর ইউনিয়নের মৃত সাইফুদ্দিন আহম্মেদের ছেলে মো. দিনুল ইসলাম (৪৩), দানিয়ালপুর মোবারকপুর গ্রামের মৃত সাজেমান আলীর ছেলে মো. আনারুল (৫২), বাটাগ্রাম এলাকার সেরাজুল ইসলামের ছেলে মো. কাজল (৩২)।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা পেশাদার ডাকাত ও ছিনতাইকারী। তাদের বিরুদ্ধে প্রত্যেকের নামে একাধিক ছিনতাই-চুরির মামলা রয়েছে। এমনকি একজন ডাকাত দলের সদস্য ঘটনার দুই দিন আগে জামিনে মুক্ত হয়ে এসে পুণরায় ডাকাতিতে অংশ নিয়েছে। ছিনতাইয়ের শিকার ব্যক্তিরা সকলে একটি বিয়ে বাড়ি থেকে অটোরিকশায় ফেরার পথে এই ডাকাতির শিকার হন।

পুলিশ সুপার আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বেশিরভাগই কিশোর। ডাকাতি হওয়া সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে। সেই সাথে যেকোন এলাকায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতির ঘটনা ঘটলে সাথে সাথে পুলিশকে অবহিত করতে জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ঘটনার সাথে জড়িত বাকি সদস্যদেরকেও আটক ও ছিনতাইয়ের মালমাল উদ্ধার করতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১১ মার্চ) রাত ৯টার দিকে গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর-আড্ডা আঞ্চলিক সড়কের নজরপুর এলাকায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসময় ডাকাতরা একটি বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে অটোরিকশার যাত্রীদের গাছের সাথে বেঁধে রেখে তাদের কাছে থাকা নগদ টাকা, মোবাইল ও সোনার অলংকার এবং অটোরিকশাটি নিয়ে যায়। পরে এ ঘটনায় গোমস্তাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।