০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে পরিত্রাণ এর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবস পালিত

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৯:১৪:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মার্চ ২০২৫
  • ৩৪ Time View
blank
blank

 

শামীম আখতার (নিজস্ব প্রতিবেদক)

যশোরের কেশবপুরে আন্তর্জাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ-২০২৫ দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে গত শুক্রবার (২১ মার্চ) সকালে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পরিত্রাণ এর উদ্যোগে ও বাংলাদেশ দলিত পরিষদের অংশগ্রহণে পৌরশহরের শহীদ দৌলত বিশ্বাস সড়কে মানববন্ধন ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটির এবারের প্রতিবাদ্য হলো “বর্ণবাদ নিপাত যাক, মানবতা মুক্তি পাক”।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দলিত পরিষদ কেশবপুর উপজেলার শাখার সভাপতি সুজন কুমার দাসের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থা কেশবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি শামীম আখতার মুকুল, কেশবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস আর সাঈদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেশবপুরের প্রতিনিধি মিরাজুল ইসলাম, মাসফি চৌধুরী অরিন, বাংলাদেশ খ্রীষ্টান এসোসিয়েশন কেশবপুর উপজেলার সহ-সভাপতি অসীম সরকার, বাংলাদেশ দলিত পরিষদ কেশবপুর উপজেলা শাখার সম্পাদক মিলন দাস, সহ-সম্পাদক শংকর দাস, পরিত্রাণ এর ফিল্ড ভলেন্টিয়ার সুমন দাস, সমাজকর্মী তপন বালা, সুফিয়া পারভিন শিখা প্রমূখ।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন পরিত্রান এর প্রকল্প সমন্বয়কারী যোসেফ সরকার।

মানববন্ধনে দেশব্যাপী অব্যাহতভাবে নারী ও শিশু ধর্ষন, নির্যাতন ও হত্যা এবং সম্প্রতি কেশবপুর পৌরশহরের সাহাপাড়া খ্রিস্টান মিশনের হোস্টেলে আদিবাসী রাজেরুং ত্রিপুরা নামে ৯ম শ্রেণির ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যুর সঠিক তদন্ত ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা। এছাড়াও দলিত জনগোষ্ঠীর ভূমিহীনদের মাঝে সরকারি জমি বন্দোবস্ত, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে দলিত নারীদের জন্য বরাদ্দ, অনতিবিলম্বে বৈষম্য বিলোপ আইন প্রয়োজনীয় সংস্কার পাশ করে দলিত জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক মর্যাদা রক্ষা করতে হবে, দলিত সম্প্রদায় বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থার মাধ্যমে অধিকার প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানানো হয়। মানববন্ধন শেষে একটি র‌্যালি বের করে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করা হয়। মানববন্ধন ও র‌্যালিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দলিত সম্প্রদায়ের প্রায় দেড় শতাধিক নারীপুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

বিসিডিএস সভাপতিকে মুঠোফোনে হুমকি পদ বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

কেশবপুরে পরিত্রাণ এর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবস পালিত

Update Time : ০৯:১৪:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ মার্চ ২০২৫
blank
blank

 

শামীম আখতার (নিজস্ব প্রতিবেদক)

যশোরের কেশবপুরে আন্তর্জাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ-২০২৫ দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে গত শুক্রবার (২১ মার্চ) সকালে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পরিত্রাণ এর উদ্যোগে ও বাংলাদেশ দলিত পরিষদের অংশগ্রহণে পৌরশহরের শহীদ দৌলত বিশ্বাস সড়কে মানববন্ধন ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটির এবারের প্রতিবাদ্য হলো “বর্ণবাদ নিপাত যাক, মানবতা মুক্তি পাক”।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দলিত পরিষদ কেশবপুর উপজেলার শাখার সভাপতি সুজন কুমার দাসের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি, গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থা কেশবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি শামীম আখতার মুকুল, কেশবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস আর সাঈদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেশবপুরের প্রতিনিধি মিরাজুল ইসলাম, মাসফি চৌধুরী অরিন, বাংলাদেশ খ্রীষ্টান এসোসিয়েশন কেশবপুর উপজেলার সহ-সভাপতি অসীম সরকার, বাংলাদেশ দলিত পরিষদ কেশবপুর উপজেলা শাখার সম্পাদক মিলন দাস, সহ-সম্পাদক শংকর দাস, পরিত্রাণ এর ফিল্ড ভলেন্টিয়ার সুমন দাস, সমাজকর্মী তপন বালা, সুফিয়া পারভিন শিখা প্রমূখ।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন পরিত্রান এর প্রকল্প সমন্বয়কারী যোসেফ সরকার।

মানববন্ধনে দেশব্যাপী অব্যাহতভাবে নারী ও শিশু ধর্ষন, নির্যাতন ও হত্যা এবং সম্প্রতি কেশবপুর পৌরশহরের সাহাপাড়া খ্রিস্টান মিশনের হোস্টেলে আদিবাসী রাজেরুং ত্রিপুরা নামে ৯ম শ্রেণির ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যুর সঠিক তদন্ত ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা। এছাড়াও দলিত জনগোষ্ঠীর ভূমিহীনদের মাঝে সরকারি জমি বন্দোবস্ত, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে দলিত নারীদের জন্য বরাদ্দ, অনতিবিলম্বে বৈষম্য বিলোপ আইন প্রয়োজনীয় সংস্কার পাশ করে দলিত জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক মর্যাদা রক্ষা করতে হবে, দলিত সম্প্রদায় বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থার মাধ্যমে অধিকার প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানানো হয়। মানববন্ধন শেষে একটি র‌্যালি বের করে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করা হয়। মানববন্ধন ও র‌্যালিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দলিত সম্প্রদায়ের প্রায় দেড় শতাধিক নারীপুরুষ অংশগ্রহণ করেন।