০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেবহাটায় চুরি করে টাকা না দিয়ে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১২:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫
  • ৩২ Time View
blank
blank

আব্দুল্লাহ আল মামুন,দেবহাটা প্রতিনিধিঃ

দেবহাটায় বাড়ি থেকে টাকা চুরি করে নিয়ে যাওয়ার পরে আবার সেই টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো মিথ্যা থানায় অভিযোগ করে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১০ মার্চ) দুপুরে দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে দেবহাটা উপজেলা ঘলঘলিয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের পুত্র সরফ রাজ এই অভিযোগ করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমাদের দুই তলার ঘরের টিনের বাক্সের নীচে মেঝের উপরে শপিং ব্যাগের মধ্যে ২০ হাজার টাকা রাখা ছিল। ১৫/০২/২৫ তারিখ রাতে উক্ত টাকা গুলো রাখা ছিল। ২০/০২/২৫ তারিখ বেলা অনুমান ১০.০০ টার সময় আমার পিতা আনোয়ার হোসেনের টাকার প্রয়োজনে বাক্সের নীচে দেখে টাকার ব্যাগটি নাই।স্বাক্ষী হাসানুল বান্না,আনারুল মোল্যা, আশরাফুল আলম সর্ব সাং-ঘলঘলিয়া, থানা-দেবহাটা, জেলা-সাতাক্ষীরাসহ আরও অনেককে ডাকিয়া উক্ত চুরির ঘটনার বিষয় অবগত করানো হয়। পরবর্তীতে তথ্য অনুসন্ধানের একপর্যায়ে আমাদের প্রতিবেশী আছমা খাতুন (২৫), স্বামী-মোঃ নূর আহম্মদ, সাং-ঘলঘলিয়া, থানা-দেবহাটা, জেলা-সাতক্ষীরা লোক জনের সাথে গল্প করে জিনে তাদের বাড়ীতে ২০ হাজার কোটি টাকা দিয়ে গেছে। এরপর আমাদের সন্দেহ হওয়ায় উক্ত আছমার বড় ছেলে আসিক (৯ বঃ) কে আমার মা বলে,” তুই আমাদের দুই তলার ঘরে গিয়েছিলি কেন? তখন আসিক বলে, “আমি যাইনি, আমার মেজ ভাই শাওন দুই তলা ঘরে যাইয়া একটি লাল শপিং ব্যাগের মধ্যে থাকা টাকার ব্যাগ নিয়া আমার মায়ের কাছে দিয়াছে” শাওনকে জিজ্ঞাসা করলে শাওন স্বীকার করে সে আমাদের বিল্ডিং ঘরের উত্তর পূর্ব কোনায় থাকা সফেদা গাছ দিয়ে ছাদের উপরে উঠে ঘরের মধ্য থেকে টাকার ব্যাগটি চুরি করিয়া নিয়া তার মায়ের নিকট দিয়াছে। এরপর আমরা তার মাকে টাকার ব্যাপারে বললে সে এই ঘটনার কথা স্বীকার করছে না। এছাড়াও উক্ত আসিক ও শাওন আরও অনেকের সাথে এই টাকা চুরির কথা স্বীকার করে। ওই চুরির টাকা তারা দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন তাল বাহানা করে আসছিলো। তারা টাকা না দেওয়ার জন্য উল্টো আমাদের কে মেরে ঘটনার মোড় ঘুরানোর জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়ে আমাদের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ করে ও বিভিন্ন প্রত্রিকায় আমাদের নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে। তিনি সরোজিতের রোষানাল থেকে রেহাই পেতে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

দেবহাটায় চুরি করে টাকা না দিয়ে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

Update Time : ১২:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫
blank
blank

আব্দুল্লাহ আল মামুন,দেবহাটা প্রতিনিধিঃ

দেবহাটায় বাড়ি থেকে টাকা চুরি করে নিয়ে যাওয়ার পরে আবার সেই টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো মিথ্যা থানায় অভিযোগ করে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১০ মার্চ) দুপুরে দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে দেবহাটা উপজেলা ঘলঘলিয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের পুত্র সরফ রাজ এই অভিযোগ করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমাদের দুই তলার ঘরের টিনের বাক্সের নীচে মেঝের উপরে শপিং ব্যাগের মধ্যে ২০ হাজার টাকা রাখা ছিল। ১৫/০২/২৫ তারিখ রাতে উক্ত টাকা গুলো রাখা ছিল। ২০/০২/২৫ তারিখ বেলা অনুমান ১০.০০ টার সময় আমার পিতা আনোয়ার হোসেনের টাকার প্রয়োজনে বাক্সের নীচে দেখে টাকার ব্যাগটি নাই।স্বাক্ষী হাসানুল বান্না,আনারুল মোল্যা, আশরাফুল আলম সর্ব সাং-ঘলঘলিয়া, থানা-দেবহাটা, জেলা-সাতাক্ষীরাসহ আরও অনেককে ডাকিয়া উক্ত চুরির ঘটনার বিষয় অবগত করানো হয়। পরবর্তীতে তথ্য অনুসন্ধানের একপর্যায়ে আমাদের প্রতিবেশী আছমা খাতুন (২৫), স্বামী-মোঃ নূর আহম্মদ, সাং-ঘলঘলিয়া, থানা-দেবহাটা, জেলা-সাতক্ষীরা লোক জনের সাথে গল্প করে জিনে তাদের বাড়ীতে ২০ হাজার কোটি টাকা দিয়ে গেছে। এরপর আমাদের সন্দেহ হওয়ায় উক্ত আছমার বড় ছেলে আসিক (৯ বঃ) কে আমার মা বলে,” তুই আমাদের দুই তলার ঘরে গিয়েছিলি কেন? তখন আসিক বলে, “আমি যাইনি, আমার মেজ ভাই শাওন দুই তলা ঘরে যাইয়া একটি লাল শপিং ব্যাগের মধ্যে থাকা টাকার ব্যাগ নিয়া আমার মায়ের কাছে দিয়াছে” শাওনকে জিজ্ঞাসা করলে শাওন স্বীকার করে সে আমাদের বিল্ডিং ঘরের উত্তর পূর্ব কোনায় থাকা সফেদা গাছ দিয়ে ছাদের উপরে উঠে ঘরের মধ্য থেকে টাকার ব্যাগটি চুরি করিয়া নিয়া তার মায়ের নিকট দিয়াছে। এরপর আমরা তার মাকে টাকার ব্যাপারে বললে সে এই ঘটনার কথা স্বীকার করছে না। এছাড়াও উক্ত আসিক ও শাওন আরও অনেকের সাথে এই টাকা চুরির কথা স্বীকার করে। ওই চুরির টাকা তারা দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন তাল বাহানা করে আসছিলো। তারা টাকা না দেওয়ার জন্য উল্টো আমাদের কে মেরে ঘটনার মোড় ঘুরানোর জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়ে আমাদের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ করে ও বিভিন্ন প্রত্রিকায় আমাদের নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে। তিনি সরোজিতের রোষানাল থেকে রেহাই পেতে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।