০১:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেবহাটার বাজারে পাকা কলা ও শাশা তে বেড়েছে কেজি প্রতি ৩০-৩৫ টাকা

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১২:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫
  • ১৭২ Time View
blank
blank

আব্দুল্লাহ আল মামুন, দেবহাটা প্রতিনিধিঃ

আজ ২ মার্চ প্রথম রমজান। তবে এর মধেই বাজারে বেড়েছে লেবু, বেগুন ও শসার দাম। মুরগি, মাছ ও মাংসের দামও বেড়েছে। সাধারণত রোজার সময় এসব পণ্যের চাহিদা বেশি থাকে। তবে খেজুর, ছোলা, চিড়া, মুড়ি, গুড় প্রভৃতি পণ্যের দাম এখনও বাড়েনি। আগের দামেই স্থিতিশীল রয়েছে এসব পণ্য। ১ই মার্চ (শনিবার) দেবহাটা উপজেলা বিভিন্ন বাজার ঘুরে ‘রোজার পণ্যে’র দরদামের এমন চিত্র দেখা গেছে।ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন মাসের প্রথম। এই দুই কারণে ভোক্তারা বেশি করে বাজার করছেন। বাড়তি চাহিদার কারণে কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। কারণ, চাহিদার তুলনায় পণ্যের সরবরাহ কম।বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। শনিবার (১ই মার্চ) প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি আস্ত ১৮০ টাকা ও কাটা ২৫০টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা আগের সপ্তাহে আস্ত ছিলো ১৬০ টাকা ও কাটা ছিল ২৩০ টাকা একইভাবে সোনালি মুরগির দাম বেড়ে ২৮০-৩১০ টাকা হয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, রোজার শুরুতে বেশি সংখ্যায় ক্রেতারা মুরগি কেনেন, এ কারণে দাম বাড়ার প্রবণতা রয়েছে।এদিকে স্বাভিক আছে গরু ও খাশির মাংসের বাজার উপজেলার বিভিন্ন বাজারে গিয়ে দেখা যায় প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, এ ছাড়া ছাগলের মাংস বিক্রি হয়েছে ১০৫০-১১০০ টাকায়।এদিকে কিছুটা দাম বেড়েছে চিকন চালের বাজারে বর্তমান কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৬৫-৭০ টাকা যা গত এক সপ্তাহ আগে ছিলো ৬০-৬৫ টাকা তবে স্বাভাবিক আছে মোটা চালের বাজার, অন্যদিকে চাষের চিংড়ি, কই, শিং, তেলাপিয়া, রুই ও পাঙাশ মাছের দাম কেজিতে ২০-৫০ টাকা বেড়েছে। বাজারে আলু,পেঁয়াজসহ বিভিন্ন সবজির দাম আগের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে। যেমন প্রতি কেজি আলু ২০-২৫ টাকা ও পেঁয়াজ ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।দেখা গেছে গত ১৫ দিনের ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ দামে লেবু বিক্রি হচ্ছে। দুই সপ্তাহ আগে সাধারণ মানের লেবুর হালি ছিল ২০-৪০ টাকা, যা গতকাল ৪০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আর বড় লেবু বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকার আশপাশে। অন্যদিকে বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ৪৫ থেকে ৬৫ টাকা, হাইব্রিড শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা ও দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহখানেক আগে বেগুন ও শসার দাম কেজিতে ২০থেকে ৩০ টাকা কম ছিল। তবে বাজারে স্থিতিশীল রয়েছে খেজুর, ছোলা, চিড়া, মুড়ি, গুড় প্রভৃতি পণ্যের দাম। এ বছর রমজানের আগে সরকার খেজুর আমদানিতে শুল্ক-কর কমিয়েছে; যার ফলে আমদানি বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, কম শুল্ক ও সরবরাহ বেশি থাকায় গত এক মাসের মধ্যে মানভেদে খেজুরের দাম কেজিতে ২০ থেকে ২০০ টাকা কমেছে।
এদিকে বেড়েছে পাকা কলার দাম বর্তমান পাকা কলা প্রকার ভেদে ৬৫-৯০ টাকা বিক্রি হচ্ছে যা গত সপ্তাহে ছিলো ৩০-৫০ টাকা,এক মাস আগের তুলনায় ছোলার দামও কেজিতে ১৫ টাকার মতো কমে ১০৫ থেকে ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর চিড়া, মুড়ি, গুড় প্রভৃতি পণ্যের দাম আগের মতোই রয়েছে। মানভেদে প্রতি কেজি চিড়া ৭০ থেকে ৮০ টাকা, আখের গুড় ১৪০ থেকে ১৮০ টাকা, খেজুরের গুড় ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা ও মুড়ি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।এদিকে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ–সংকটের তেমন উন্নতি হয়নি। গতকাল দেবহাটার বিভিন্ন বাজার ঘুরে মাত্র কয়েকটি দোকানে স্বল্প পরিমাণে বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া গেছে।ভোক্তারা অভিযোগ করে বলেন, রোজার আগে কম-বেশি দামে অন্যান্য পণ্য কিনতে পারলেও সয়াবিন তেলের জন্য দোকানে দোকানে ঘুরতে হচ্ছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

দেবহাটার বাজারে পাকা কলা ও শাশা তে বেড়েছে কেজি প্রতি ৩০-৩৫ টাকা

Update Time : ১২:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫
blank
blank

আব্দুল্লাহ আল মামুন, দেবহাটা প্রতিনিধিঃ

আজ ২ মার্চ প্রথম রমজান। তবে এর মধেই বাজারে বেড়েছে লেবু, বেগুন ও শসার দাম। মুরগি, মাছ ও মাংসের দামও বেড়েছে। সাধারণত রোজার সময় এসব পণ্যের চাহিদা বেশি থাকে। তবে খেজুর, ছোলা, চিড়া, মুড়ি, গুড় প্রভৃতি পণ্যের দাম এখনও বাড়েনি। আগের দামেই স্থিতিশীল রয়েছে এসব পণ্য। ১ই মার্চ (শনিবার) দেবহাটা উপজেলা বিভিন্ন বাজার ঘুরে ‘রোজার পণ্যে’র দরদামের এমন চিত্র দেখা গেছে।ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন মাসের প্রথম। এই দুই কারণে ভোক্তারা বেশি করে বাজার করছেন। বাড়তি চাহিদার কারণে কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। কারণ, চাহিদার তুলনায় পণ্যের সরবরাহ কম।বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। শনিবার (১ই মার্চ) প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি আস্ত ১৮০ টাকা ও কাটা ২৫০টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা আগের সপ্তাহে আস্ত ছিলো ১৬০ টাকা ও কাটা ছিল ২৩০ টাকা একইভাবে সোনালি মুরগির দাম বেড়ে ২৮০-৩১০ টাকা হয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, রোজার শুরুতে বেশি সংখ্যায় ক্রেতারা মুরগি কেনেন, এ কারণে দাম বাড়ার প্রবণতা রয়েছে।এদিকে স্বাভিক আছে গরু ও খাশির মাংসের বাজার উপজেলার বিভিন্ন বাজারে গিয়ে দেখা যায় প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, এ ছাড়া ছাগলের মাংস বিক্রি হয়েছে ১০৫০-১১০০ টাকায়।এদিকে কিছুটা দাম বেড়েছে চিকন চালের বাজারে বর্তমান কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৬৫-৭০ টাকা যা গত এক সপ্তাহ আগে ছিলো ৬০-৬৫ টাকা তবে স্বাভাবিক আছে মোটা চালের বাজার, অন্যদিকে চাষের চিংড়ি, কই, শিং, তেলাপিয়া, রুই ও পাঙাশ মাছের দাম কেজিতে ২০-৫০ টাকা বেড়েছে। বাজারে আলু,পেঁয়াজসহ বিভিন্ন সবজির দাম আগের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে। যেমন প্রতি কেজি আলু ২০-২৫ টাকা ও পেঁয়াজ ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।দেখা গেছে গত ১৫ দিনের ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ দামে লেবু বিক্রি হচ্ছে। দুই সপ্তাহ আগে সাধারণ মানের লেবুর হালি ছিল ২০-৪০ টাকা, যা গতকাল ৪০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আর বড় লেবু বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকার আশপাশে। অন্যদিকে বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ৪৫ থেকে ৬৫ টাকা, হাইব্রিড শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা ও দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহখানেক আগে বেগুন ও শসার দাম কেজিতে ২০থেকে ৩০ টাকা কম ছিল। তবে বাজারে স্থিতিশীল রয়েছে খেজুর, ছোলা, চিড়া, মুড়ি, গুড় প্রভৃতি পণ্যের দাম। এ বছর রমজানের আগে সরকার খেজুর আমদানিতে শুল্ক-কর কমিয়েছে; যার ফলে আমদানি বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, কম শুল্ক ও সরবরাহ বেশি থাকায় গত এক মাসের মধ্যে মানভেদে খেজুরের দাম কেজিতে ২০ থেকে ২০০ টাকা কমেছে।
এদিকে বেড়েছে পাকা কলার দাম বর্তমান পাকা কলা প্রকার ভেদে ৬৫-৯০ টাকা বিক্রি হচ্ছে যা গত সপ্তাহে ছিলো ৩০-৫০ টাকা,এক মাস আগের তুলনায় ছোলার দামও কেজিতে ১৫ টাকার মতো কমে ১০৫ থেকে ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর চিড়া, মুড়ি, গুড় প্রভৃতি পণ্যের দাম আগের মতোই রয়েছে। মানভেদে প্রতি কেজি চিড়া ৭০ থেকে ৮০ টাকা, আখের গুড় ১৪০ থেকে ১৮০ টাকা, খেজুরের গুড় ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা ও মুড়ি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।এদিকে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ–সংকটের তেমন উন্নতি হয়নি। গতকাল দেবহাটার বিভিন্ন বাজার ঘুরে মাত্র কয়েকটি দোকানে স্বল্প পরিমাণে বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া গেছে।ভোক্তারা অভিযোগ করে বলেন, রোজার আগে কম-বেশি দামে অন্যান্য পণ্য কিনতে পারলেও সয়াবিন তেলের জন্য দোকানে দোকানে ঘুরতে হচ্ছে।