০৯:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মনিরামপুরে ইরি রোপনে দেরী হলেও সফলের চেষ্টায় কৃষকেরা

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৩:২৩:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৪৩ Time View
blank
blank

 

মোঃ মাসুম বিল্লাল, মনিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ

যশোরের মনিরামপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত,ইরি ধান চাষের জন্য দেরী হলেও সফলতা আসবে বলে মনে করেন কৃষকেরা, বাংলাদেশ সোনার ফসল উৎপাদনের দেশ, উপজেলার কিছু কিছু অঞ্চলে বন্যায় প্লাবিত হওয়ার কারণে ইরি ধান চাষের জন্য চাষীরা হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে ,আবার অনেক সময় পার হয়ে গেছে বলে মনে করতেন কৃষকেরা, কৃষকেরা আশাবাদী না ইরি ধান চাষের জন্য।

উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের জামলা গ্রামের মোঃ ইউনুস আলী রতনদিয়া গ্রামের মতিয়ার রহমান ও হাসাডাঙ্গা গ্রামের লুৎফর রহমান বলেন আমরা এবার ইরি ধান চাষের জন্য উপযোগী ছিলাম না বন্যায় প্লাবিত হওয়ার কারণে, ইরি লাগাতে দেরি হয় তবুও আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে ধান চাষে সফল আসবে।

উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের ট্যাগ অফিসার জ্যোতি প্রসাদ বলেন, ধানের মৌসুম প্রায় শেষ পর্যায়ে কিন্তু বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিভিন্ন গ্রামে এখনো বন্যায় পানি জমাট বেঁধে আছে সে কারণে অনেক জায়গায় ইরি ধান চাষ করতে পারেনি কিছু কিছু এলাকায় ইরি ধান চাষ হয়েছে কিন্তু ধান পর্যাপ্ত পরিমাণে সফলতা আসবে বলে মনে করেন। এবং তিনি আরো বলেন ১৫০-২০০ বিঘা জমিতে বোরো ধানের মৌসুম হবে না, নাবিতে ইরি ধান চাষের যোগ্য না তবে সঠিক সময়ে সকল চাষের পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদিত হয় ভালো।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

মনিরামপুরে ইরি রোপনে দেরী হলেও সফলের চেষ্টায় কৃষকেরা

Update Time : ০৩:২৩:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
blank
blank

 

মোঃ মাসুম বিল্লাল, মনিরামপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ

যশোরের মনিরামপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত,ইরি ধান চাষের জন্য দেরী হলেও সফলতা আসবে বলে মনে করেন কৃষকেরা, বাংলাদেশ সোনার ফসল উৎপাদনের দেশ, উপজেলার কিছু কিছু অঞ্চলে বন্যায় প্লাবিত হওয়ার কারণে ইরি ধান চাষের জন্য চাষীরা হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে ,আবার অনেক সময় পার হয়ে গেছে বলে মনে করতেন কৃষকেরা, কৃষকেরা আশাবাদী না ইরি ধান চাষের জন্য।

উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের জামলা গ্রামের মোঃ ইউনুস আলী রতনদিয়া গ্রামের মতিয়ার রহমান ও হাসাডাঙ্গা গ্রামের লুৎফর রহমান বলেন আমরা এবার ইরি ধান চাষের জন্য উপযোগী ছিলাম না বন্যায় প্লাবিত হওয়ার কারণে, ইরি লাগাতে দেরি হয় তবুও আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে ধান চাষে সফল আসবে।

উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের ট্যাগ অফিসার জ্যোতি প্রসাদ বলেন, ধানের মৌসুম প্রায় শেষ পর্যায়ে কিন্তু বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিভিন্ন গ্রামে এখনো বন্যায় পানি জমাট বেঁধে আছে সে কারণে অনেক জায়গায় ইরি ধান চাষ করতে পারেনি কিছু কিছু এলাকায় ইরি ধান চাষ হয়েছে কিন্তু ধান পর্যাপ্ত পরিমাণে সফলতা আসবে বলে মনে করেন। এবং তিনি আরো বলেন ১৫০-২০০ বিঘা জমিতে বোরো ধানের মৌসুম হবে না, নাবিতে ইরি ধান চাষের যোগ্য না তবে সঠিক সময়ে সকল চাষের পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদিত হয় ভালো।