০৫:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরের বিভিন্ন ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণভাবে  সরস্বতী পূজা অনু্ষ্ঠিত হয়েছে

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৪:০৬:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৪১ Time View
blank
blank

পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

কেশবপুরের মঙ্গলকোট, বিদ্যানন্দকাটি, পাঁজিয়া, সুফলাকাটি, গৌরীঘোনাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মন্দির ও গৃহবাড়িতে শান্তিপূর্ণভাবে সরস্বতী পূজা অনু্ষ্ঠিত হয়েছে। বাণী অর্চনা, বিদ্যার দেবী শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা রোববার (২ ফেব্রুয়ারী-২৫) দিনভর ও সোমবার সকাল ৬ টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত তিথি পূজা অনু্ষ্ঠিত হয়েছে। ধর্ম বিশ্বাসীদর অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা। মাঘ মাসের শুক্ল পক্ষের পঞ্চমী তিথিতে সোনাতন ধর্ম বিশ্বাসীদের ঘরে ঘরে পুজিত হন দেবী সরস্বতী। এবার দুদিন ধরে পূজা হয়েছে। রোববার (২ ফেব্রুয়ারী-২৫) সকাল ৯ টা ১৪ মিনিট থেকে শুরু করে পরদিন সোমবার সকাল ৬ টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত তিথি ছিল।
উপজেলার মঙ্গলকোট ইউনিয়ন, বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের মন্দির, বাসাবাড়ীসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরস্বতী পূজা হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সোনাতন ধর্মাবলম্বীদের মতে-সত্য, ন্যায় ও জ্ঞানলোকের প্রতিক। বিদ্যা, বাণী ও সুরের অধিষ্ঠার্থী। অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করতে কল্যাণময়ী দেবীর চরণে “সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যা কমললোচনে/ বিশ্বরুপে বিশালাক্ষী বিদ্যাংদেহী নমোস্তুতে”। এই মন্ত্র উচ্চারণ করে বিদ্যা ও জ্ঞান অর্জনের জন্য প্রনতি জানান ভক্তরা। কোন কোন সময় ছোট বাচ্চাদের হাতে খড়ি দেওয়ান হয়।
মঙ্গলকোট ইউনিয়নের পাথরা গ্রামের পূরোহীত বিমল আচার্য বলেন, ‘রোববার সারাদিন পূজা করবো এবং সোমবার সকাল ৬ টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত তিথি থাকায় তিন যায়গায় পূজা করতে হবে, ঠাকুর যেন আমাকে সুস্থ রাখেন।’
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক স্বপন চক্রবর্তী জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন বাড়ীতে পূজার সংখ্যা অন্য বছরের চেয়ে বেড়ে গেছে ফলে একটু বেশি চাপ পড়ে গেছে।
বিদ্যানন্দকাটি পূজা করতে এসেছেন ইউনিয়নের বিদ্যানন্দকাটি গাছতলা নামক স্থানে পূরোহীত অসিম কুমার ব্যানার্জি। বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন পূজা  উৎযাপন কমিটির সভাপতি নিমাই চন্দ্র ঘোষের বাড়ী সংলগ্ন গাছতলায় পূজা করতে দেখা যায়।
কেশবপুর উপজেলার ভালুকঘর গ্রামের পূরোহীত সুব্রত ভট্টাচার্য, ব্রহ্মকাটি গ্রামের পূরোহিত রবি দেবনাথ ও সদানন্দ দেবনাথ জানান, আমরা দু’জন একসাথে পূজা করি। দু’দিন ধরে আমরা ছয় যায়গায় পূজা করবো।
মঙ্গলকোট ইউনিয়নের আদর্শ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে পূজা করেছেন মঙ্গলকোট গ্রামের নন্দদুলাল চক্রবর্তী। তিনি জানান, এবার দু’দিন প্রায় সরস্বতী পূজার তিথি থাকায় গতবারের চেয়ে পূজা বেশী হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

কেশবপুরের বিভিন্ন ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণভাবে  সরস্বতী পূজা অনু্ষ্ঠিত হয়েছে

Update Time : ০৪:০৬:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
blank
blank

পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

কেশবপুরের মঙ্গলকোট, বিদ্যানন্দকাটি, পাঁজিয়া, সুফলাকাটি, গৌরীঘোনাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মন্দির ও গৃহবাড়িতে শান্তিপূর্ণভাবে সরস্বতী পূজা অনু্ষ্ঠিত হয়েছে। বাণী অর্চনা, বিদ্যার দেবী শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা রোববার (২ ফেব্রুয়ারী-২৫) দিনভর ও সোমবার সকাল ৬ টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত তিথি পূজা অনু্ষ্ঠিত হয়েছে। ধর্ম বিশ্বাসীদর অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা। মাঘ মাসের শুক্ল পক্ষের পঞ্চমী তিথিতে সোনাতন ধর্ম বিশ্বাসীদের ঘরে ঘরে পুজিত হন দেবী সরস্বতী। এবার দুদিন ধরে পূজা হয়েছে। রোববার (২ ফেব্রুয়ারী-২৫) সকাল ৯ টা ১৪ মিনিট থেকে শুরু করে পরদিন সোমবার সকাল ৬ টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত তিথি ছিল।
উপজেলার মঙ্গলকোট ইউনিয়ন, বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের মন্দির, বাসাবাড়ীসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরস্বতী পূজা হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সোনাতন ধর্মাবলম্বীদের মতে-সত্য, ন্যায় ও জ্ঞানলোকের প্রতিক। বিদ্যা, বাণী ও সুরের অধিষ্ঠার্থী। অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করতে কল্যাণময়ী দেবীর চরণে “সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যা কমললোচনে/ বিশ্বরুপে বিশালাক্ষী বিদ্যাংদেহী নমোস্তুতে”। এই মন্ত্র উচ্চারণ করে বিদ্যা ও জ্ঞান অর্জনের জন্য প্রনতি জানান ভক্তরা। কোন কোন সময় ছোট বাচ্চাদের হাতে খড়ি দেওয়ান হয়।
মঙ্গলকোট ইউনিয়নের পাথরা গ্রামের পূরোহীত বিমল আচার্য বলেন, ‘রোববার সারাদিন পূজা করবো এবং সোমবার সকাল ৬ টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত তিথি থাকায় তিন যায়গায় পূজা করতে হবে, ঠাকুর যেন আমাকে সুস্থ রাখেন।’
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক স্বপন চক্রবর্তী জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন বাড়ীতে পূজার সংখ্যা অন্য বছরের চেয়ে বেড়ে গেছে ফলে একটু বেশি চাপ পড়ে গেছে।
বিদ্যানন্দকাটি পূজা করতে এসেছেন ইউনিয়নের বিদ্যানন্দকাটি গাছতলা নামক স্থানে পূরোহীত অসিম কুমার ব্যানার্জি। বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন পূজা  উৎযাপন কমিটির সভাপতি নিমাই চন্দ্র ঘোষের বাড়ী সংলগ্ন গাছতলায় পূজা করতে দেখা যায়।
কেশবপুর উপজেলার ভালুকঘর গ্রামের পূরোহীত সুব্রত ভট্টাচার্য, ব্রহ্মকাটি গ্রামের পূরোহিত রবি দেবনাথ ও সদানন্দ দেবনাথ জানান, আমরা দু’জন একসাথে পূজা করি। দু’দিন ধরে আমরা ছয় যায়গায় পূজা করবো।
মঙ্গলকোট ইউনিয়নের আদর্শ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে পূজা করেছেন মঙ্গলকোট গ্রামের নন্দদুলাল চক্রবর্তী। তিনি জানান, এবার দু’দিন প্রায় সরস্বতী পূজার তিথি থাকায় গতবারের চেয়ে পূজা বেশী হয়েছে।