০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোন ভাবেই থামানো যাচ্ছে না ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দুর্নীতি উল্টো আমার ঘর লুটপাট করিয়েছেন !!!! (২য় পর্ব)

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৪১:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৩৭ Time View
blank
blank

মোঃ আবু ছালেহ বিপ্লব //বিশেষ প্রতিনিধি (ক্রাইম)

বরিশাল বিভাগের বাউফল, বাকেরগঞ্জ, গলাচিপা, রাজাপুর, দশমিনা, ঝালকাঠি সহ প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলেছেন অযোগ্য প্রধান শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগন এর নীরব ভুমিকা পালনই প্রমাণিত করে যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগন নীরব ভুমিকা পালন করে ৮৫% শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে দুর্নীতির শীর্ষে দেখার মতো কেউ নেই এবং এই দুর্নীতির শেষ কোথায় কেউ জানে না।

বিশেষ করে আমি বরিশাল বিভাগীয় প্রধান হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখেছি যে ৮৫% শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর পড়াশোনার মান ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকদের থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে আসছেন প্রধান শিক্ষক এর অনুমতিক্রমে এরমধ্যে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৫নং দুর্গাপাশা, লক্ষীবর্ধন, গোবিন্দপুর ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অযোগ্য প্রধান শিক্ষক সাজেদা আক্তার সাজু ম্যাডাম এর দুর্নীতি বাকেরগঞ্জ উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর দুর্নীতির উর্ধে অবস্থান করছেন তার অনেক ফিরিস্তি এবং প্রমাণ রয়েছে।

১ম সাময়িক, ২য় সাময়িক ও ফাইনাল পরীক্ষার জন্য ফরম ফিলাপ এর জন্য গড়ে (৪,০০০) চার হাজার করে টাকা তুলে নিয়ে আসছেন প্রধান শিক্ষক হওয়ার পর থেকেই ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মোট ছাত্রছাত্রী সংখ্যা ৮,৫০+ প্রতিজন ছাত্রছাত্রীদের থেকে সাধারণ পরীক্ষার ফরম ফিলাপ এর জন্য গড়ে তুলেছেন (৪,০০০) চার হাজার টাকা করে তাতে প্রতি পরীক্ষায় টাকা উত্তোলন করে (১,৩৪,০০০) এক লক্ষ চৌত্রিশ হাজার টাকা তিন পরীক্ষায় গিয়ে দ্বারায় (১,৩৪,০০০ × ৩ = ৪০,২০০০) চল্লিশ লক্ষ দুই হাজার টাকা।

প্রতিটি স্কুলের যে সকল সরকারী অনুদান পান তার হিসাব নিকাশ উপজেলা শিক্ষা অফিসার থেকে বিভাগীয় জেলা শিক্ষা অফিসার পর্যন্ত ভাগবাটোয়ারা হয় বলে মনে হয় অন্যথায় এই ধরনের দুর্নীতি কিভাবে করে আমি বরিশাল বিভাগীয় শিক্ষা অফিসার এর ডি ডি মহোদয় এর কাছে এই ব্যাপারে অভিযোগ করেছি কিন্তু সেটা প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়েছে আসা করি ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অযোগ্য প্রধান শিক্ষক সাজেদা আক্তার সাজু ম্যাডাম একান্ত সহযোগী মাওলানা আলাউদ্দিন এর জন্য একটি প্রধান শিক্ষক এর মতো রুম দিয়েছেন দ্বিতীয় তলায় অথচ মাওলানা আলাউদ্দিন একজন অযোগ্য মাওলানা যিনি ধর্মীয় শিক্ষক হওয়ার অযোগ্য নেই কার তার লেখাপড়ার মধ্যে প্রচুর ভুল প্রমাণিত করতে সক্ষম হয়েছি এবং আরও ৫ জন অযোগ্য শিক্ষক যারা আওয়ামী লীগের আমলে মোটা অংকের ঘুশ বানিজ্য করে চাকুরী নিয়েছেন তাদের কোয়ালিটি পরীক্ষা নিয়ে পুনরায় নিয়োগ প্রদান করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।

ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয় এস এস সি পরীক্ষার্থীদের থেকে ৪,৫০০-৫,০০০ টাকা ফরম ফিলাপ বাবদ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন অথচ বোর্ড ফি মাত্র (২,২৪০) দুই হাজার দুই শত চল্লিশ টাকা সেখানে (২,৫০০) দুই হাজার পাচ শত টাকা নিতে পারেন কিন্তু ডবল টাকা ফরম ফিলাপ বাবদ প্রতি মাসের বেতন উৎসব ভাতা সহ স্কুল সঠিক ভাবে সরকারী নিয়ম অনুযায়ী পরিচালনা না করা প্রধান শিক্ষক সাজেদা আক্তার সাজু ম্যাডাম ও মাওলানা মোঃ আলাউদ্দিন এর নিয়ম অনুযায়ী পরিচালনা করা ১২:৩০ এর সময় স্কুল ছুটি দেয়া আর অন্যান্য রেগুলার ২:০০-২:৩০ এর মধ্যে ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছুটে প্রদান করা সহ নানান রকমের দুর্নীতি, অনিয়ম ও (৩২,০০,০০) বত্রিশ লক্ষ টাকা স্কুলের ঘাটতি রয়েছে এবং স্কুল ফান্ডের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন অযোগ্য প্রধান শিক্ষিক এর সকল তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহণ করা সহ অযোগ্য প্রধান শিক্ষক সাজেদা আক্তার সাজু ম্যাডাম ও মাওলানা মোঃ আলাউদ্দিন সহ সকল শিক্ষকগন পিকনিক এর জন্য (৪০০) চারশত টাকা করে নিচ্ছেন এবং যে সকল ছাত্রছাত্রীগন পিকনিকে যাবে না তাকেও (২০০) টাকা করে দিতে হবে বাধ্যতামূলক অন্যথায় বেঞ্চে কান ধরিয়ে দ্বার করিয়ে রাখেন যেমন পরশুদিন ক্লাস সেভেন এর এক ছাত্রীকে এই শাস্তি দিয়েছে ব জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবক তাই এই ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে স্কুলকে একটি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলেছেন অযোগ্য শিক্ষক সাজেদা আক্তার সাজু তাই এই অযোগ্য প্রধান শিক্ষক সাজেদা আক্তার সাজু ম্যাডামকে দ্রুত সাসপেন্ড করে নতুন শিক্ষক নিয়োগ প্রদান করার জন্য সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন স্কুলের ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকগন।

আমি এই ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অযোগ্য প্রধান শিক্ষক সাজেদা আক্তার সাজু ম্যাডাম ও মাওলানা মোঃ আলাউদ্দিন এর দুর্নীতির নিউজ করায় ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অযোগ্য শিক্ষকগন ও নুরুল আলম ওরফে নুরু হাজী (নুর মঞ্জিল এর মালিক) গোবিন্দপুর ৭ নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা গোবিন্দপুর কৃষি ব্যাংক সড়ক এর দ্বিতীয়তলা বাড়ীর মালিক এবং তার দোকানের কর্মচারী মোঃ ইমরান (বাজেমহল, বাউফল, পটুয়াখালী) গত ২৬/১২/ ২০২৪ তারিখ আমার ঘড় লুটপাট করিয়েছেন এবং আমার ছোট বোন, ছেলে, ভাগ্নেদের প্রচুর মারধর করেছেন এবং এরা সবাই ঢাকায় থাকে আমিও বাড়ীতে না থাকায় খুনী সন্ত্রাসীদের কাউকেই চিনতে পারা যায়নি তারা ৩০-৩৫ জন লোকজন আমার ঘরে ঢুকে আমাকে খুঁজেছে এবং আমার ঘরে ঢুকে বলেছে যে সাংবাদিক কোথায় এবং দুজনের নামে সংবাদ প্রচারিত করে এই বলে আমার ঘরে ঢুকে সবাইকে মারধর করে ৭লক্ষ নগদ টাকা এবং প্রায় ৫লক্ষ টাকার স্বর্নলংকার সন্ত্রাসীগন নিয়ে যায় তাদের কাউকেই চিনতে পারেনি, কারন তারা তো বাড়ীতে থাকেনা এবং সবাই আমার স্বজন এবং তার আমার বাড়ীতে ঢুকেছিল আমাকে খুন করার উদ্দেশ্য আমি তখন গোবিন্দপুর বাজারে ছিলাম তাই মহান রাব্বুল আল-আমিন আল্লাহ তায়ালা আমাকে বাচিঁয়ে রেখেছেন এবং তারা আমার বাড়ীতে ঢুকে মারধর করার পরে পাশের বাড়ীতে আশ্রয় নিলে সেখানেও ঢুকে মারধর করেছেন এবং এও ববলেছ যে সাংবাদিক কোথায় তাকে পেলে কুচি কুচি করে কেটে ফেলবে বলে জানিয়েছেন খুনী, সন্ত্রাসীগন ও মাদক ব্যাবসায়ীগন। আমার বাবা ক্বারী মাওলানা মোঃ আব্দুল রশীদ ( রাজ্জাক মুন্সী) গত ১৬ই ডিসেম্বর-২০২৪খ্রী ইন্তেকাল করেছেন তার রেশ যেতে না যেয়েই এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়েছে উপরোক্ত ব্যাক্তিবর্গগন এবং এই খুনী সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যগন যে কোন সময় পুনরায় আমাকে যে কোন স্থানে খুন জখম করতে পারে এবং আমি এখন জীবন নাশতায় ভুগছি এবং জীবন নিয়ে হুমকির মধ্যে জীবন পার করছি তাই উপরোক্ত খুনী সন্ত্রাসীদের খুঁজে খুঁজে বের করার জন্য সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। (চলবে)

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

কোন ভাবেই থামানো যাচ্ছে না ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দুর্নীতি উল্টো আমার ঘর লুটপাট করিয়েছেন !!!! (২য় পর্ব)

Update Time : ০৯:৪১:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫
blank
blank

মোঃ আবু ছালেহ বিপ্লব //বিশেষ প্রতিনিধি (ক্রাইম)

বরিশাল বিভাগের বাউফল, বাকেরগঞ্জ, গলাচিপা, রাজাপুর, দশমিনা, ঝালকাঠি সহ প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলেছেন অযোগ্য প্রধান শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগন এর নীরব ভুমিকা পালনই প্রমাণিত করে যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগন নীরব ভুমিকা পালন করে ৮৫% শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে দুর্নীতির শীর্ষে দেখার মতো কেউ নেই এবং এই দুর্নীতির শেষ কোথায় কেউ জানে না।

বিশেষ করে আমি বরিশাল বিভাগীয় প্রধান হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখেছি যে ৮৫% শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর পড়াশোনার মান ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকদের থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে আসছেন প্রধান শিক্ষক এর অনুমতিক্রমে এরমধ্যে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৫নং দুর্গাপাশা, লক্ষীবর্ধন, গোবিন্দপুর ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অযোগ্য প্রধান শিক্ষক সাজেদা আক্তার সাজু ম্যাডাম এর দুর্নীতি বাকেরগঞ্জ উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর দুর্নীতির উর্ধে অবস্থান করছেন তার অনেক ফিরিস্তি এবং প্রমাণ রয়েছে।

১ম সাময়িক, ২য় সাময়িক ও ফাইনাল পরীক্ষার জন্য ফরম ফিলাপ এর জন্য গড়ে (৪,০০০) চার হাজার করে টাকা তুলে নিয়ে আসছেন প্রধান শিক্ষক হওয়ার পর থেকেই ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মোট ছাত্রছাত্রী সংখ্যা ৮,৫০+ প্রতিজন ছাত্রছাত্রীদের থেকে সাধারণ পরীক্ষার ফরম ফিলাপ এর জন্য গড়ে তুলেছেন (৪,০০০) চার হাজার টাকা করে তাতে প্রতি পরীক্ষায় টাকা উত্তোলন করে (১,৩৪,০০০) এক লক্ষ চৌত্রিশ হাজার টাকা তিন পরীক্ষায় গিয়ে দ্বারায় (১,৩৪,০০০ × ৩ = ৪০,২০০০) চল্লিশ লক্ষ দুই হাজার টাকা।

প্রতিটি স্কুলের যে সকল সরকারী অনুদান পান তার হিসাব নিকাশ উপজেলা শিক্ষা অফিসার থেকে বিভাগীয় জেলা শিক্ষা অফিসার পর্যন্ত ভাগবাটোয়ারা হয় বলে মনে হয় অন্যথায় এই ধরনের দুর্নীতি কিভাবে করে আমি বরিশাল বিভাগীয় শিক্ষা অফিসার এর ডি ডি মহোদয় এর কাছে এই ব্যাপারে অভিযোগ করেছি কিন্তু সেটা প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়েছে আসা করি ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অযোগ্য প্রধান শিক্ষক সাজেদা আক্তার সাজু ম্যাডাম একান্ত সহযোগী মাওলানা আলাউদ্দিন এর জন্য একটি প্রধান শিক্ষক এর মতো রুম দিয়েছেন দ্বিতীয় তলায় অথচ মাওলানা আলাউদ্দিন একজন অযোগ্য মাওলানা যিনি ধর্মীয় শিক্ষক হওয়ার অযোগ্য নেই কার তার লেখাপড়ার মধ্যে প্রচুর ভুল প্রমাণিত করতে সক্ষম হয়েছি এবং আরও ৫ জন অযোগ্য শিক্ষক যারা আওয়ামী লীগের আমলে মোটা অংকের ঘুশ বানিজ্য করে চাকুরী নিয়েছেন তাদের কোয়ালিটি পরীক্ষা নিয়ে পুনরায় নিয়োগ প্রদান করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।

ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয় এস এস সি পরীক্ষার্থীদের থেকে ৪,৫০০-৫,০০০ টাকা ফরম ফিলাপ বাবদ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন অথচ বোর্ড ফি মাত্র (২,২৪০) দুই হাজার দুই শত চল্লিশ টাকা সেখানে (২,৫০০) দুই হাজার পাচ শত টাকা নিতে পারেন কিন্তু ডবল টাকা ফরম ফিলাপ বাবদ প্রতি মাসের বেতন উৎসব ভাতা সহ স্কুল সঠিক ভাবে সরকারী নিয়ম অনুযায়ী পরিচালনা না করা প্রধান শিক্ষক সাজেদা আক্তার সাজু ম্যাডাম ও মাওলানা মোঃ আলাউদ্দিন এর নিয়ম অনুযায়ী পরিচালনা করা ১২:৩০ এর সময় স্কুল ছুটি দেয়া আর অন্যান্য রেগুলার ২:০০-২:৩০ এর মধ্যে ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছুটে প্রদান করা সহ নানান রকমের দুর্নীতি, অনিয়ম ও (৩২,০০,০০) বত্রিশ লক্ষ টাকা স্কুলের ঘাটতি রয়েছে এবং স্কুল ফান্ডের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন অযোগ্য প্রধান শিক্ষিক এর সকল তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহণ করা সহ অযোগ্য প্রধান শিক্ষক সাজেদা আক্তার সাজু ম্যাডাম ও মাওলানা মোঃ আলাউদ্দিন সহ সকল শিক্ষকগন পিকনিক এর জন্য (৪০০) চারশত টাকা করে নিচ্ছেন এবং যে সকল ছাত্রছাত্রীগন পিকনিকে যাবে না তাকেও (২০০) টাকা করে দিতে হবে বাধ্যতামূলক অন্যথায় বেঞ্চে কান ধরিয়ে দ্বার করিয়ে রাখেন যেমন পরশুদিন ক্লাস সেভেন এর এক ছাত্রীকে এই শাস্তি দিয়েছে ব জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবক তাই এই ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে স্কুলকে একটি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলেছেন অযোগ্য শিক্ষক সাজেদা আক্তার সাজু তাই এই অযোগ্য প্রধান শিক্ষক সাজেদা আক্তার সাজু ম্যাডামকে দ্রুত সাসপেন্ড করে নতুন শিক্ষক নিয়োগ প্রদান করার জন্য সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন স্কুলের ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকগন।

আমি এই ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অযোগ্য প্রধান শিক্ষক সাজেদা আক্তার সাজু ম্যাডাম ও মাওলানা মোঃ আলাউদ্দিন এর দুর্নীতির নিউজ করায় ডি জি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অযোগ্য শিক্ষকগন ও নুরুল আলম ওরফে নুরু হাজী (নুর মঞ্জিল এর মালিক) গোবিন্দপুর ৭ নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা গোবিন্দপুর কৃষি ব্যাংক সড়ক এর দ্বিতীয়তলা বাড়ীর মালিক এবং তার দোকানের কর্মচারী মোঃ ইমরান (বাজেমহল, বাউফল, পটুয়াখালী) গত ২৬/১২/ ২০২৪ তারিখ আমার ঘড় লুটপাট করিয়েছেন এবং আমার ছোট বোন, ছেলে, ভাগ্নেদের প্রচুর মারধর করেছেন এবং এরা সবাই ঢাকায় থাকে আমিও বাড়ীতে না থাকায় খুনী সন্ত্রাসীদের কাউকেই চিনতে পারা যায়নি তারা ৩০-৩৫ জন লোকজন আমার ঘরে ঢুকে আমাকে খুঁজেছে এবং আমার ঘরে ঢুকে বলেছে যে সাংবাদিক কোথায় এবং দুজনের নামে সংবাদ প্রচারিত করে এই বলে আমার ঘরে ঢুকে সবাইকে মারধর করে ৭লক্ষ নগদ টাকা এবং প্রায় ৫লক্ষ টাকার স্বর্নলংকার সন্ত্রাসীগন নিয়ে যায় তাদের কাউকেই চিনতে পারেনি, কারন তারা তো বাড়ীতে থাকেনা এবং সবাই আমার স্বজন এবং তার আমার বাড়ীতে ঢুকেছিল আমাকে খুন করার উদ্দেশ্য আমি তখন গোবিন্দপুর বাজারে ছিলাম তাই মহান রাব্বুল আল-আমিন আল্লাহ তায়ালা আমাকে বাচিঁয়ে রেখেছেন এবং তারা আমার বাড়ীতে ঢুকে মারধর করার পরে পাশের বাড়ীতে আশ্রয় নিলে সেখানেও ঢুকে মারধর করেছেন এবং এও ববলেছ যে সাংবাদিক কোথায় তাকে পেলে কুচি কুচি করে কেটে ফেলবে বলে জানিয়েছেন খুনী, সন্ত্রাসীগন ও মাদক ব্যাবসায়ীগন। আমার বাবা ক্বারী মাওলানা মোঃ আব্দুল রশীদ ( রাজ্জাক মুন্সী) গত ১৬ই ডিসেম্বর-২০২৪খ্রী ইন্তেকাল করেছেন তার রেশ যেতে না যেয়েই এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়েছে উপরোক্ত ব্যাক্তিবর্গগন এবং এই খুনী সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যগন যে কোন সময় পুনরায় আমাকে যে কোন স্থানে খুন জখম করতে পারে এবং আমি এখন জীবন নাশতায় ভুগছি এবং জীবন নিয়ে হুমকির মধ্যে জীবন পার করছি তাই উপরোক্ত খুনী সন্ত্রাসীদের খুঁজে খুঁজে বের করার জন্য সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। (চলবে)