১১:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুর উপজেলায় হাসানপুর ইউনিয়নে এক যুবকের লা*শ উ*দ্ধার

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৫৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৪১ Time View
blank
blank

রিপোর্ট, শেখ মোস্তফা কামাল✒

যশোরের কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর বাজারের পাশে থেকে কিবরিয়া হোসেন (৩২) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।নিহত কিবরিয়া হোসেন কেশবপুর থানাধীন হাসানপুর গ্রামের মশিয়ার শেখের ছেলে।

 

বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) ফজরের নামাজের পরে হাসানপুর মুক্তিযোদ্ধা কারিগরি মহাবিদ্যালয়ের পাশে কলা বাগানে লাশটি দেখতে পান বুড়িহাটি গ্রামের  নওয়াব সরদারের ছেলে মোক্তার আলী সরদার।তিনি বলেন সকালে আমি মরিচের চারা রোপণ করার উদ্দেশ্যে মাঠে যায় এক পর্যায়ে আমার কলা ক্ষেতে কিবরিয়াকে পড়ে থাকতে দেখে চেঁচামিচি করে স্থানীয়দের ডাকি।

স্থানীয়রা বলেন, কিবরিয়া এলাকায় খুবই ভালো ছেলে। খুবই সাধারণ জীবন যাপন করে সে। যতটুকু আমরা জানি তার কোন শত্রু নেই। তার মৃত্যু হয়েছে বুড়িহাটির কাছাকাছি। ওইখানেই তাদের হলুদ ও আলুর ক্ষেত পাহারা দিতে সেখানে গেছিল রাতে।

নিহতের স্ত্রী অন্তরা বলেন,আমার স্বামী রাত সাড়ে নয়টার দিকে হলুদ খেত পাহারা দিতে সেখানে গেছিল। তাছাড়া আমার স্বামীর কোনো শত্রু ছিলো না,আমরা খুব সাধারণভাবে জীবন যাপন করি আমার শাশুড়ির মৃত্যুর পর থেকে আমার স্বামী সব সময় অসুস্থ থাকতো এবং তার হার্টের সমস্যা চরম আকার ধারণ করেছিল।

নিহাতের বাবা মশিয়ার শেখ বলেন আমার ছেলে রাতে আমাদের ক্ষেত পাহারা দিতে গিয়ে সেখানে স্টক করে মারা যায় আমার ছেলের কোন শত্রু ছিল না বা কাউকে আমাদের সন্দেহ হয় না।

উক্ত ইউপি সদস্য মোঃ আশরাফুজ্জামান বলেন কিবরিয়ার হার্টের সমস্যা ছিল, সে বারবার অসুস্থ হতো, তার বুকের ব্যাথার কারণে সে মারা যেতে পারে।

ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মিলন বলেন, আমরা সকালে উঠে ঘটনা শুনেই বাসা থেকে আসলাম। মৃত্যুটা কিভাবে হয়েছে আমরা এখনো জানি না। থানাকে অবহিত করেছি উনারা এসে যে সিদ্ধান্ত নেবেন ঐ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবো আমরা।

blank

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেই তাৎক্ষণিক পুলিশ ফোর্স নিয়ে সেখানে যায় এবং প্রাথমিক তদন্ত করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেছি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

কেশবপুর উপজেলায় হাসানপুর ইউনিয়নে এক যুবকের লা*শ উ*দ্ধার

Update Time : ০৮:৫৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫
blank
blank

রিপোর্ট, শেখ মোস্তফা কামাল✒

যশোরের কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর বাজারের পাশে থেকে কিবরিয়া হোসেন (৩২) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।নিহত কিবরিয়া হোসেন কেশবপুর থানাধীন হাসানপুর গ্রামের মশিয়ার শেখের ছেলে।

 

বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) ফজরের নামাজের পরে হাসানপুর মুক্তিযোদ্ধা কারিগরি মহাবিদ্যালয়ের পাশে কলা বাগানে লাশটি দেখতে পান বুড়িহাটি গ্রামের  নওয়াব সরদারের ছেলে মোক্তার আলী সরদার।তিনি বলেন সকালে আমি মরিচের চারা রোপণ করার উদ্দেশ্যে মাঠে যায় এক পর্যায়ে আমার কলা ক্ষেতে কিবরিয়াকে পড়ে থাকতে দেখে চেঁচামিচি করে স্থানীয়দের ডাকি।

স্থানীয়রা বলেন, কিবরিয়া এলাকায় খুবই ভালো ছেলে। খুবই সাধারণ জীবন যাপন করে সে। যতটুকু আমরা জানি তার কোন শত্রু নেই। তার মৃত্যু হয়েছে বুড়িহাটির কাছাকাছি। ওইখানেই তাদের হলুদ ও আলুর ক্ষেত পাহারা দিতে সেখানে গেছিল রাতে।

নিহতের স্ত্রী অন্তরা বলেন,আমার স্বামী রাত সাড়ে নয়টার দিকে হলুদ খেত পাহারা দিতে সেখানে গেছিল। তাছাড়া আমার স্বামীর কোনো শত্রু ছিলো না,আমরা খুব সাধারণভাবে জীবন যাপন করি আমার শাশুড়ির মৃত্যুর পর থেকে আমার স্বামী সব সময় অসুস্থ থাকতো এবং তার হার্টের সমস্যা চরম আকার ধারণ করেছিল।

নিহাতের বাবা মশিয়ার শেখ বলেন আমার ছেলে রাতে আমাদের ক্ষেত পাহারা দিতে গিয়ে সেখানে স্টক করে মারা যায় আমার ছেলের কোন শত্রু ছিল না বা কাউকে আমাদের সন্দেহ হয় না।

উক্ত ইউপি সদস্য মোঃ আশরাফুজ্জামান বলেন কিবরিয়ার হার্টের সমস্যা ছিল, সে বারবার অসুস্থ হতো, তার বুকের ব্যাথার কারণে সে মারা যেতে পারে।

ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মিলন বলেন, আমরা সকালে উঠে ঘটনা শুনেই বাসা থেকে আসলাম। মৃত্যুটা কিভাবে হয়েছে আমরা এখনো জানি না। থানাকে অবহিত করেছি উনারা এসে যে সিদ্ধান্ত নেবেন ঐ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবো আমরা।

blank

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেই তাৎক্ষণিক পুলিশ ফোর্স নিয়ে সেখানে যায় এবং প্রাথমিক তদন্ত করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেছি।