
মোঃ আবু ছালেহ বিপ্লব,বিশেষ প্রতিনিধি (ক্রাইম)
বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার ধানদী আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল একজন কর্মঠ ও আদর্শ শিক্ষক ধানদী আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল একসময় পোনাহুড়া প্রস্তাবিত ফাজিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হিসেবে দ্বায়িত্ব যথাযথভাবে ও সততার সাথে দীর্ঘদিন যাবত কাজ করে গিয়েছিলেন নিরলসভাবে পোনাহুড়া প্রস্তাবিত ফাজিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল থাকা অবস্থায় অল্পকিছু ছাত্রছাত্রী ছিল কিন্তু বর্তমানে ধানদী আলিয়া মাদ্রাসা প্রিন্সিপাল এর দ্বায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে আসছেন তার শিক্ষাগত যোগ্যতা দাওরায়ে হাদিসের উপর বাংলাদেশের মধ্যে ১ম প্লেজ পেয়েছিলেন এমন একজন আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল খুঁজে পাওয়া বর্তমান সময়ে বিরল ঘটনা।
পোনাহুড়া প্রস্তাবিত ফাজিল মাদ্রাসার বর্তমান প্রিন্সিপাল এর দ্বায়িত্ব পালন যিনি করে আসছেন তিনি তাতেরকাঠী এবতেদায়ী মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী ও দাখিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী হিসেবে চাকুরী করেছেন এরপর তার ভায়রার মাদ্রাসার থেকে অনেক টাকা আত্ত্বসাত করেছেন বলে জানতে পেরেছি, পোনাহুড়া প্রস্তাবিত ফাজিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল নিয়োগে দুর্নীতি ও অনিয়ম এর দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কালিশুরী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ, কালিশুরী ইউনিয়ন এর দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যান ও কালিশুরী ইউনিয়ন এর আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে তিনটি পদে মোঃ নেছার উদ্দিন সিকদার (জামাল) চেয়ারম্যান কালিশুরী ইউনিয়ন এর প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর নিয়োগ বানিজ্য চালিয়েছেন তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান পোনাহুড়া প্রস্তাবিত ফাজিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অযোগ্য প্রিন্সিপাল হয়েছেন যার শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই একটি ফাজিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হওয়ার কিন্তু মোটা অংকের ঘুশ বানিজ্য করে কালিশুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও কালিশুরী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ টানা ৮বারের এম পি ও ইউ এন ও বশির গাজীকে ঘুশের বিনিময়ে অযোগ্য প্রিন্সিপালকে প্রিন্সিপাল বানিয়েছেন এবং তার কোন ক্লাশে পড়ানোর কোন যোগ্যতা নেই বলে জানিয়েছেন মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক ও স্থানীয় জনসাধারণ।
দাখিল মাদ্রাসার পরীক্ষার ফি ও প্রবেশপত্রের জন্য অতিরিক্ত টাকা আদায় করার অভিযোগ রয়েছে অথচ পোনাহুড়া প্রস্তাবিত ফাজিল মাদ্রাসার বর্তমান এই অযোগ্য প্রিন্সিপাল এর অপসারণের অভিযোগ করেছেন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় জনসাধারণ বর্তমানের পোনাহুড়া প্রস্তাবিত ফাজিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল একজন অযোগ্য ও শিক্ষাগত যোগ্যতা সহকারী মৌলভী তাই তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে এবং পোনাহুড়া প্রস্তাবিত ফাজিল মাদ্রাসার ৩জন শিক্ষক নিয়োগ সম্পুর্ন অবৈধ বলে জানতে পেরেছি এদের বিরুদ্ধে বরিশাল বিভাগীয় ডি ডি ও সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ।
অথচ একজন দক্ষ শিক্ষিত ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট ধানদী আলিয়া মাদ্রাসা প্রিন্সিপাল এর ব্যাপারে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করেন পোনাহুড়া প্রস্তাবিত ফাজিল মাদ্রাসার নিয়োগে অবৈধ প্রিন্সিপাল সহ ৩জন শিক্ষক যার কোন প্রকার ডকুমেন্টস ও তথ্য প্রমাণিত করতে সক্ষম হয়নি শুধু মুখে মুখেই ধানদী আলিয়া মাদ্রাসা প্রিন্সিপাল মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্লাহ ধানদী আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল এর নামে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করে আসছেন একটি কুচক্রী মহল এই ব্যাপারে আমি আজ ধানদী আলিয়া মাদ্রাসা দক্ষ শিক্ষিত ও মার্জিত প্রিন্সিপাল এর নামে মিথ্যা অপবাদ দেয়ার জন্য কিছু মাদ্রাসার সুপার ও প্রিন্সিপাল ও পোনাহুড়া প্রস্তাবিত ফাজিল মাদ্রাসার অবৈধ নিয়োগকৃত প্রিন্সিপাল ও শিক্ষকগন তাই একজন কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল এর নামে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করেন যার সত্যতা আমি আজও পাইনি তাই ধানদী আলিয়া মাদ্রাসার সুযোগ্য, দক্ষ, শিক্ষিত ও অনেক জ্ঞানী একজন প্রিন্সিপাল এর নামে কেন মিথ্যা অপবাদ প্রদান করে আসছেন পোনাহুড়া প্রস্তাবিত ফাজিল মাদ্রাসার ৩জন অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল ও শিক্ষকগন বরং আমি তদন্ত করে অদ্যাবধি কোন প্রকার দুর্নীতির তথ্য পাওয়া যায়নি।
তাই আমি আমার দ্বায়িত্ব পালন ও তদন্তের মধ্যে ধানদী আলিয়া মাদ্রাসার ফার্স্ট ক্লাস পাওয়া প্রিন্সিপাল এর নামে অথচ যাদের নিয়োগ অবৈধ এবং এর সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট কিছু লোকজন শুধু শুধু ধানদী আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল এর নামে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করেই চলছেন তাই এই ব্যাপারে আমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা শিক্ষা অফিসার, ও বরিশাল বিভাগীয় জেলা শিক্ষা অফিসার সহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা এবং ধানদী আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল এর নামে যে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন সেগুলো তদন্তের মাধ্যমে শিক্ষা বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের বিধিমালা অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ধানদী আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকবৃন্দ। (চলবে)











