০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজাপুরে শীতের তীব্রতা বাড়লেও, শীতকাপড়ের বাজারে নেই ক্রেতা

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৪২:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৩৪ Time View
blank
blank

সাজ্জাত বিশ্বাস, স্টাপ রিপোর্টারঃ

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা শহরে এখনও জমেনি শীতের পোশাক বিক্রির বাজার। শীত নিবারণের হাজারো পোশাকে বাজার এখন সয়লাব নেই ক্রেতা। উপজেলার থানা এড়িয়ায় শীতবস্ত্রের পসরা সাজিয়ে বসে থাকতে দেখা যায় বিক্রেতাদের। রয়েছে ফুলপ্যান্ট, ফুলহাতা গেঞ্জি, জ্যাকেট, মাফলার, হাতমোজা, পা মোজা, টুপি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের বস্ত্র। তবে দেখা মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ক্রেতার। ব্যবসায়ীদের চোখেমুখে ফুটে উঠেছে হতাশার ছাপ। উপজেলার তারাবিবি সুপার মার্কেটর সামনের সোহেল ফ্যাশন হাউসে রয়েছে বিভিন্ন দামের শীতের পোশাক। সেখানকার কর্মী রাকিব বলেন, মানুষের চাহিদা অনুযায়ী মানুষ পন্য কিনতে হিমসিম খাচ্ছে অতিরিক্ত পন্যের দামের কারনে, শীতের মৌসুমে যতটা বিক্রি হ‌ওয়ার কথা সে তুলনায় এই বছর অনেক কম। ওই মার্কেটের আরেক দোকানি জানায় অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই শীতকালীন পোশাক আসা শুরু হয়েছে। আরো বলেন, গত কয়েকদিনে হাঁড়কাপানো শীত পড়লেও ক্রেতার সংখ্যা তেমন নয়। প্রতিদিন গড়ে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকার পোশাক বিক্রি হয়। আরেক দোকানি আলামিনের সাথে কথা বলতে গেলে তিনি বলেন, মালামাল নিয়ে বসে আছি। বেচাবিক্রি তেমন নেই। মার্কেট ঘুরে শীতের পোশাক কেনার পর টুপি-মোজার দোকানে এসেছিলেন ক্রেতা রিয়াজ বলেন গতবছরের চেয়ে পোশাকের মূল্য বেশি থাকায় কিনতে হিমসিম খাচ্ছে আমার মতো সাধারণ ক্রেতারা এবং আমাদের চাহিদার পোশাকের সরবারহ অনেক কম‌। দোকানিরা জানান, বঙ্গবাজার ও গুলিস্তান ট্রেড সেন্টার থেকে এই পোশাকের সংগ্রহ আসে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

রাজাপুরে শীতের তীব্রতা বাড়লেও, শীতকাপড়ের বাজারে নেই ক্রেতা

Update Time : ০৫:৪২:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫
blank
blank

সাজ্জাত বিশ্বাস, স্টাপ রিপোর্টারঃ

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা শহরে এখনও জমেনি শীতের পোশাক বিক্রির বাজার। শীত নিবারণের হাজারো পোশাকে বাজার এখন সয়লাব নেই ক্রেতা। উপজেলার থানা এড়িয়ায় শীতবস্ত্রের পসরা সাজিয়ে বসে থাকতে দেখা যায় বিক্রেতাদের। রয়েছে ফুলপ্যান্ট, ফুলহাতা গেঞ্জি, জ্যাকেট, মাফলার, হাতমোজা, পা মোজা, টুপি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের বস্ত্র। তবে দেখা মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ক্রেতার। ব্যবসায়ীদের চোখেমুখে ফুটে উঠেছে হতাশার ছাপ। উপজেলার তারাবিবি সুপার মার্কেটর সামনের সোহেল ফ্যাশন হাউসে রয়েছে বিভিন্ন দামের শীতের পোশাক। সেখানকার কর্মী রাকিব বলেন, মানুষের চাহিদা অনুযায়ী মানুষ পন্য কিনতে হিমসিম খাচ্ছে অতিরিক্ত পন্যের দামের কারনে, শীতের মৌসুমে যতটা বিক্রি হ‌ওয়ার কথা সে তুলনায় এই বছর অনেক কম। ওই মার্কেটের আরেক দোকানি জানায় অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই শীতকালীন পোশাক আসা শুরু হয়েছে। আরো বলেন, গত কয়েকদিনে হাঁড়কাপানো শীত পড়লেও ক্রেতার সংখ্যা তেমন নয়। প্রতিদিন গড়ে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকার পোশাক বিক্রি হয়। আরেক দোকানি আলামিনের সাথে কথা বলতে গেলে তিনি বলেন, মালামাল নিয়ে বসে আছি। বেচাবিক্রি তেমন নেই। মার্কেট ঘুরে শীতের পোশাক কেনার পর টুপি-মোজার দোকানে এসেছিলেন ক্রেতা রিয়াজ বলেন গতবছরের চেয়ে পোশাকের মূল্য বেশি থাকায় কিনতে হিমসিম খাচ্ছে আমার মতো সাধারণ ক্রেতারা এবং আমাদের চাহিদার পোশাকের সরবারহ অনেক কম‌। দোকানিরা জানান, বঙ্গবাজার ও গুলিস্তান ট্রেড সেন্টার থেকে এই পোশাকের সংগ্রহ আসে।