০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আমানুল্লাহ হত্যাকা*ণ্ডের ঘটনা উদঘাটিত করল পুলিশ

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১২:৪৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫
  • ১৬১ Time View
blank
blank

সাইফুল ইসলাম রাজশাহী (গোদাগাড়ী) প্রতিনিধি :

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আমানুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা উদঘাটিত করেছে প লিশ, ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে আসামি।

রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানার নারায়ণপুর গ্রামের কামরুজ্জামানের পুত্র আমানুল্লাহ ইমন (২২) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলো আরাফাত হোসেন নাহিদ (২৪) আবু বক্কর সিদ্দিক আলিফ (২৫)। আমানুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আবু বক্করকে সম্পৃক্ত করে আরাফাত হোসেন নাহিদ হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তি মুলক রাজশাহীর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।

আরাফাত হোসেন নাহিদ রাজশাহীর গোদাগাড়ীর নলত্রী গ্রামের আজিজুর রহমানের পুত্র আবু বক্কর সিদ্দিক আরিফ চাঁপাই নবাবগঞ্জের সদর থানার সাতনইল দক্ষিণপাড়ার আব্দুল হান্নানের পুত্র।
আরাফাত হোসেন নাহিদ পেশায় একজন ট্রাক ড্রাইভার আবু বক্কর সিদ্দিক আলিফ ট্রাক ড্রাইভার এর হেলপার।

এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সংবাদ প্রাপ্তির পরই রাজশাহীর গোদাগাড়ী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করে লাশের পোস্টমর্টেমের ব্যবস্থা করে। রাজশাহীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অফস্) খায়রুল আলমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারি উপরিদর্শক (এসআই) এম এ কুদ্দুস এই ক্লুলেস খুনের ঘটনায় ২ জনের সন্দেহানিত হবে জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে আরাফাত হোসেন নাহিদকে গোদাগাড়ী ও আবু বক্কর সিদ্দিক আলিফকে চাঁপাই নবাবগঞ্জের সদর থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গত ৩১ ডিসেম্বর রাজশাহীর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে

আরাফাত হোসেন নাহিদ রাজশাহীর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আমানুল্লাহকে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করে। আদালতে নাহিদের জবানবন্দিত অনুযায়ী জানা যায়, গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর ভিকটিম আমানুল্লাহর নিকট পাওনা ১০,০০০ টাকা সংগ্রহের জন্য সে তার হেলপার আবু বক্কর সিদ্দিক আলিফকে পাঠালে তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

এতে রাগান্বিত হয়ে সে ও আবু বক্কর সিদ্দিক আলিফ আমানুল্লাহকে হত্যার উদ্দেশ্যে একটি জুতার ফিতা, একটি ব্লেড ও একটি সাদা গেঞ্জি সংগ্রহ করে।

আমানুল্লাহ রাজশাহীর গোদাগাড়ীর নলত্রী গ্রামের আব্দুল খালেকের ভিটায় আসলে পিছন থেকে নাহিদ জাপটে ধরে এবং আবু বক্কর গেঞ্জি দিয়ে মুখ বেঁধে জুতার ফিতা দিয়ে গলায় ফাঁস দিলে ভিকটিমের শ্বাস বন্ধ হয়।

এরপর আবু বক্কর ব্লেড দিয়ে ভিকটিম আমানুল্লাহর গলায় পোচ দিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ডিসেম্বর আমানুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বাদি হয়ে ৩০ ডিসেম্বর নিহতের বাবা কামরুজ্জামান রাজশাহীর গোদাগাড়ী মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আমানুল্লাহ হত্যাকা*ণ্ডের ঘটনা উদঘাটিত করল পুলিশ

Update Time : ১২:৪৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫
blank
blank

সাইফুল ইসলাম রাজশাহী (গোদাগাড়ী) প্রতিনিধি :

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আমানুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা উদঘাটিত করেছে প লিশ, ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে আসামি।

রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানার নারায়ণপুর গ্রামের কামরুজ্জামানের পুত্র আমানুল্লাহ ইমন (২২) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলো আরাফাত হোসেন নাহিদ (২৪) আবু বক্কর সিদ্দিক আলিফ (২৫)। আমানুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আবু বক্করকে সম্পৃক্ত করে আরাফাত হোসেন নাহিদ হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তি মুলক রাজশাহীর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।

আরাফাত হোসেন নাহিদ রাজশাহীর গোদাগাড়ীর নলত্রী গ্রামের আজিজুর রহমানের পুত্র আবু বক্কর সিদ্দিক আরিফ চাঁপাই নবাবগঞ্জের সদর থানার সাতনইল দক্ষিণপাড়ার আব্দুল হান্নানের পুত্র।
আরাফাত হোসেন নাহিদ পেশায় একজন ট্রাক ড্রাইভার আবু বক্কর সিদ্দিক আলিফ ট্রাক ড্রাইভার এর হেলপার।

এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সংবাদ প্রাপ্তির পরই রাজশাহীর গোদাগাড়ী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করে লাশের পোস্টমর্টেমের ব্যবস্থা করে। রাজশাহীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অফস্) খায়রুল আলমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারি উপরিদর্শক (এসআই) এম এ কুদ্দুস এই ক্লুলেস খুনের ঘটনায় ২ জনের সন্দেহানিত হবে জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে আরাফাত হোসেন নাহিদকে গোদাগাড়ী ও আবু বক্কর সিদ্দিক আলিফকে চাঁপাই নবাবগঞ্জের সদর থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গত ৩১ ডিসেম্বর রাজশাহীর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে

আরাফাত হোসেন নাহিদ রাজশাহীর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আমানুল্লাহকে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করে। আদালতে নাহিদের জবানবন্দিত অনুযায়ী জানা যায়, গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর ভিকটিম আমানুল্লাহর নিকট পাওনা ১০,০০০ টাকা সংগ্রহের জন্য সে তার হেলপার আবু বক্কর সিদ্দিক আলিফকে পাঠালে তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

এতে রাগান্বিত হয়ে সে ও আবু বক্কর সিদ্দিক আলিফ আমানুল্লাহকে হত্যার উদ্দেশ্যে একটি জুতার ফিতা, একটি ব্লেড ও একটি সাদা গেঞ্জি সংগ্রহ করে।

আমানুল্লাহ রাজশাহীর গোদাগাড়ীর নলত্রী গ্রামের আব্দুল খালেকের ভিটায় আসলে পিছন থেকে নাহিদ জাপটে ধরে এবং আবু বক্কর গেঞ্জি দিয়ে মুখ বেঁধে জুতার ফিতা দিয়ে গলায় ফাঁস দিলে ভিকটিমের শ্বাস বন্ধ হয়।

এরপর আবু বক্কর ব্লেড দিয়ে ভিকটিম আমানুল্লাহর গলায় পোচ দিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ডিসেম্বর আমানুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বাদি হয়ে ৩০ ডিসেম্বর নিহতের বাবা কামরুজ্জামান রাজশাহীর গোদাগাড়ী মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।