০৮:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারীরা স্বামীর আনুগত্য করা ওয়াজিব, অবাধ্য হওয়া হারাম

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৫৬ Time View
blank
blank

মাওলানা এম এ মোহাম্মদ উল্লাহ রিয়াদ

হে মুসলিম নারী, রেওয়াজ মোতাবেক স্বামীর আনুগত্য করা তোমার ওপর ওয়াজিব। আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
»إذا صلت المرأة خمسها، وصامت شهرها، وحصنت فرجها، وأطاعت بعلها دخلت من أي أبواب الجنة شاءت«
“নারী যদি তার পাঁচ ওয়াক্ত সালাত পড়ে, রমযান মাসের সিয়াম রাখে, স্বীয় লজ্জাস্থান হিফাযত করে এবং নিজ স্বামীর আনুগত্য করে, তাহলে জান্নাতের যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করবে”।

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে আরো বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
»لا يحل لامرأة أن تصوم وزوجها شاهد إلا بإذنه، ولا تأذن في بيته إلا بإذنه«
“কোনো নারীর পক্ষে বৈধ নয় স্বামীর উপস্থিতিতে অনুমতি ব্যতীত সিয়াম রাখা এবং স্বামীর অনুমতি ব্যতীত কাউকে তার ঘরে প্রবেশাধিকার দেওয়া।”

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
»إذا دعا الرجل امرأته إلى فراشه، فلم تأته، فبات غضبان عليها لعنتها الملائكة حتى تصبح«
“স্বামী যখন তার স্ত্রীকে বিছানায় আহ্বান করে, কিন্তু সে ডাকে সাড়া না দেয়, ফলে সে তার ওপর গোস্বা নিয়ে রাত যাপন করে, তাহলে সকাল পর্যন্ত ফিরিশতারা নারীর ওপর লা‘নত করে”।

বুখারী ও মুসলিমের অপর বর্ণনায় এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
»والذي نفسي بيده ما من رجل يدعو امرأته إلى فراشه، فتأبى عليه إلا كان الذي في السماء ساخطا عليها حتى يرضى عنها«
“যার হাতে আমার নফস সে সত্ত্বার কসম, যে কোনো পুরুষ তার স্ত্রীকে বিছানায় আহ্বান করে, কিন্তু সে প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে আসমানে বিদ্যমান সত্ত্বা (অর্থাৎ আল্লাহ) অবশ্যই তার ওপর রাগান্বিত থাকেন, যতক্ষণ না স্বামী তার স্ত্রীর ওপর সন্তুষ্ট হয়”। স্ত্রীর ওপর স্বামীর একটি হক হচ্ছে, তার ঘর দেখাশুনা করা এবং তার অনুমতি ব্যতীত তার ঘর থেকে বের না হওয়া।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
»والمرأة راعية في بيت زوجها ومسؤولة عن رعيتها«
“নারী তার স্বামীর ঘরের দায়িত্বশীলা এবং তাকে সে বিষয়ে জবাবদিহি করা হবে”। স্ত্রীর ওপর স্বামীর আরো একটি হক হচ্ছে, ঘরের কাজগুলো আঞ্জাম দেওয়া এবং তাকে সেবিকা আনতে বাধ্য না করা, যা তার জন্য কষ্টকর

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

নারীরা স্বামীর আনুগত্য করা ওয়াজিব, অবাধ্য হওয়া হারাম

Update Time : ১১:৩৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪
blank
blank

মাওলানা এম এ মোহাম্মদ উল্লাহ রিয়াদ

হে মুসলিম নারী, রেওয়াজ মোতাবেক স্বামীর আনুগত্য করা তোমার ওপর ওয়াজিব। আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
»إذا صلت المرأة خمسها، وصامت شهرها، وحصنت فرجها، وأطاعت بعلها دخلت من أي أبواب الجنة شاءت«
“নারী যদি তার পাঁচ ওয়াক্ত সালাত পড়ে, রমযান মাসের সিয়াম রাখে, স্বীয় লজ্জাস্থান হিফাযত করে এবং নিজ স্বামীর আনুগত্য করে, তাহলে জান্নাতের যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করবে”।

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে আরো বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
»لا يحل لامرأة أن تصوم وزوجها شاهد إلا بإذنه، ولا تأذن في بيته إلا بإذنه«
“কোনো নারীর পক্ষে বৈধ নয় স্বামীর উপস্থিতিতে অনুমতি ব্যতীত সিয়াম রাখা এবং স্বামীর অনুমতি ব্যতীত কাউকে তার ঘরে প্রবেশাধিকার দেওয়া।”

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
»إذا دعا الرجل امرأته إلى فراشه، فلم تأته، فبات غضبان عليها لعنتها الملائكة حتى تصبح«
“স্বামী যখন তার স্ত্রীকে বিছানায় আহ্বান করে, কিন্তু সে ডাকে সাড়া না দেয়, ফলে সে তার ওপর গোস্বা নিয়ে রাত যাপন করে, তাহলে সকাল পর্যন্ত ফিরিশতারা নারীর ওপর লা‘নত করে”।

বুখারী ও মুসলিমের অপর বর্ণনায় এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
»والذي نفسي بيده ما من رجل يدعو امرأته إلى فراشه، فتأبى عليه إلا كان الذي في السماء ساخطا عليها حتى يرضى عنها«
“যার হাতে আমার নফস সে সত্ত্বার কসম, যে কোনো পুরুষ তার স্ত্রীকে বিছানায় আহ্বান করে, কিন্তু সে প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে আসমানে বিদ্যমান সত্ত্বা (অর্থাৎ আল্লাহ) অবশ্যই তার ওপর রাগান্বিত থাকেন, যতক্ষণ না স্বামী তার স্ত্রীর ওপর সন্তুষ্ট হয়”। স্ত্রীর ওপর স্বামীর একটি হক হচ্ছে, তার ঘর দেখাশুনা করা এবং তার অনুমতি ব্যতীত তার ঘর থেকে বের না হওয়া।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
»والمرأة راعية في بيت زوجها ومسؤولة عن رعيتها«
“নারী তার স্বামীর ঘরের দায়িত্বশীলা এবং তাকে সে বিষয়ে জবাবদিহি করা হবে”। স্ত্রীর ওপর স্বামীর আরো একটি হক হচ্ছে, ঘরের কাজগুলো আঞ্জাম দেওয়া এবং তাকে সেবিকা আনতে বাধ্য না করা, যা তার জন্য কষ্টকর