০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামালপুর বেসরকারি হাসপাতাল ও বিএনপি কার্যালয়ে হামলা*কারী ঢাকায় গ্রে*প্তার ৫ –

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ১২:২৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৩৯ Time View
blank
blank

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জামালপুর শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল ও বিএনপির কার্যালয়ে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা মামলা করেছিল জেলা যুবদলের সাবেক সহ সম্পাদক এম এম শুভ পাঠান। তার নেতৃত্বে হামলায় অংশ নেয়া ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

সোমবার দুপুরে জামালপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ সুপার জানান- গত ২৮ নভেম্বর-২০২৪ ইং তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে শহরের সরদারপাড়া এলাকায় বেসরকারি এম এ রশিদ হাসপাতালের সামনে রাস্তা পারাপার নিয়ে হাসপাতালের কর্মকর্তা সিব্বির ও শাহীনের সাথে শহরের স্টেশন রোড এলাকার এম শুভ পাঠানের সাথে তর্কবিতর্ক হয়। এর জেরে এক পর্যায়ে ওই রাতেই এম শুভ পাঠান ও তার সহযোগীরা এম এ রশিদ হাসপাতালে আগ্নেয়াস্ত্রসহ প্রবেশ করে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও চারজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে মারধর করে। এরপর স্টেশন রোডে জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলা, অস্ত্র প্রদর্শন ও ফাঁকা গুলি করে।

এছাড়াও শহরের চালাপাড়া এলাকায় শাহীনের বাড়ীতে ভাঙচুর ও আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে। এই ঘটনায় সিব্বির ও শাহীন জামালপুর সদর থানায় পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করেন।

পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ রোববার ২২ ডিসেম্বর গভীর রাতে রাজধানী ঢাকার গুলশান এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে গ্রেপ্তার করে স্টেশন রোড এলাকার মৃত ওবায়দুল হাসান টিপুর ছেলে এম শুভ পাঠান (৩৪), বসাকপাড়া এলাকার আবুল হাসেমের ছেলে মো: রিপন হোসেন হৃদয় (২৫), চালাপাড়া এলাকার মো: মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মাসুম মিয়া (৩৩) ও মো: রাজু (২৫) এবং সন্দেহভাজন ছনকান্দা এলাকার মো: নাসিরের ছেলে ঝুটন মিয়া (৩৩)।

পুলিশ সুপার আরও জানান তারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে ঘটনার দিন তারা খেলনা পিস্তল প্রদর্শণ করেছে, তবে এটি আমাদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি। অস্ত্রের সন্ধানে তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং দশ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে জানান।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

জামালপুর বেসরকারি হাসপাতাল ও বিএনপি কার্যালয়ে হামলা*কারী ঢাকায় গ্রে*প্তার ৫ –

Update Time : ১২:২৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪
blank
blank

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জামালপুর শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল ও বিএনপির কার্যালয়ে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা মামলা করেছিল জেলা যুবদলের সাবেক সহ সম্পাদক এম এম শুভ পাঠান। তার নেতৃত্বে হামলায় অংশ নেয়া ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

সোমবার দুপুরে জামালপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ সুপার জানান- গত ২৮ নভেম্বর-২০২৪ ইং তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে শহরের সরদারপাড়া এলাকায় বেসরকারি এম এ রশিদ হাসপাতালের সামনে রাস্তা পারাপার নিয়ে হাসপাতালের কর্মকর্তা সিব্বির ও শাহীনের সাথে শহরের স্টেশন রোড এলাকার এম শুভ পাঠানের সাথে তর্কবিতর্ক হয়। এর জেরে এক পর্যায়ে ওই রাতেই এম শুভ পাঠান ও তার সহযোগীরা এম এ রশিদ হাসপাতালে আগ্নেয়াস্ত্রসহ প্রবেশ করে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও চারজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে মারধর করে। এরপর স্টেশন রোডে জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলা, অস্ত্র প্রদর্শন ও ফাঁকা গুলি করে।

এছাড়াও শহরের চালাপাড়া এলাকায় শাহীনের বাড়ীতে ভাঙচুর ও আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে। এই ঘটনায় সিব্বির ও শাহীন জামালপুর সদর থানায় পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করেন।

পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ রোববার ২২ ডিসেম্বর গভীর রাতে রাজধানী ঢাকার গুলশান এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে গ্রেপ্তার করে স্টেশন রোড এলাকার মৃত ওবায়দুল হাসান টিপুর ছেলে এম শুভ পাঠান (৩৪), বসাকপাড়া এলাকার আবুল হাসেমের ছেলে মো: রিপন হোসেন হৃদয় (২৫), চালাপাড়া এলাকার মো: মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মাসুম মিয়া (৩৩) ও মো: রাজু (২৫) এবং সন্দেহভাজন ছনকান্দা এলাকার মো: নাসিরের ছেলে ঝুটন মিয়া (৩৩)।

পুলিশ সুপার আরও জানান তারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে ঘটনার দিন তারা খেলনা পিস্তল প্রদর্শণ করেছে, তবে এটি আমাদের কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি। অস্ত্রের সন্ধানে তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং দশ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে জানান।