
সাইফুল ইসলাম , রাজশাহী, (গোদাগাড়ী) প্রতিনিধি :-
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বাসুদেব পুর নামক স্থানে নিজের রাখা এফ, ডি, আর, এর অর্থ নিতে গিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সংখ্যালঘু পরিবারের উপর হামলা চালিয়েছে এসডিও নামের এনজিও’র নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম সহ তার অফিস কর্মীরা।এ সময় মার ধরের শিকার ব্যক্তিদের চিৎকার এর শব্দ পেয়ে।স্থানীয়রা আহতাবস্থায় তাদের উদ্ধার করে রাজশাহীর গোদাগাড়ী ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করেন।১১ই ডিসেম্বর বিকেলে এহামলার ঘটনা ঘটে বলে জানান ভুক্তভোগীরা। এই ঘটনায় ১৫ ই ডিসেম্বর রাজশাহীর জেলার গোদাগাড়ী মডেল থানায় শ্রী রমেশ চন্দ্র দাস বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। লিখিত অভিযোগে এসডিও’র নির্বাহী পরিচালক, আবুল কালাম আজাদ ও এসডিও’র পরিচালক জান্নাতি ও এসডিও’র কার্যালয়ের ভবন মালিক বাবলু মিয়া সহ ৩ জনকে অজ্ঞাত নামা হিসেবে বিবাদী করা হয় লিখিত অভিযোগে লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চাপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চর বাসুদেব পুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী রমেশ চন্দ্র দাস এসডিও নামক একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিওতে) ২০২১ সালে ১৪ ই আগষ্ট ৬ লক্ষ টাকার একটি এফডিআর জমা রাখেন । কিছুদিন সময় যেতেই অর্থনৈতিক সমস্যায় পড়েন ওই পরিবারটি প্রয়োজন হয় টাকার । নিয়ম অনুযায়ী এসডিওর নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম আজাদকে টাকা উত্তোলনের বিষয়ে অবগত করা হলেও । বিভিন্ন অজুহাতে দিনের পর দিন ঘোরাতে থাকে ওই পরিবারটিকে।
বিভিন্ন সময় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে কয়েক দফায় ৫ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। বকেয়া ৪০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১১ই ডিসেম্বর অফিসে কার্যালয় ডেকে পাঠান ভুক্তভোগী শ্রী রমেশ কে। তাদের কথামতো অফিসে হাজির হন রমেশ।
এ সময় অফিসের দরজা আটকে দিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে দেয় ভুক্তভোগীদের। এ সময় আহত হন, শ্রী রমেস চন্দ্র দাস, ছেলে শ্রী শ্যামল চন্দ্র দাস,
বউমা শংকরী সাহা, ও নাতনী ৩ বছর বয়সের জয়া।
শংকরী সাহা বলেন, আবুল কালাম আজাদ আমার শাড়ী কে ধরে টেনে হিচড়ে আমাকে মারধর করে এবং আমার ছোট বাচ্চাটাকেও লাথি মেরে ফেলে দেয়। আমার বাচ্চাটার পায়ের বেশকিছু জায়গায় কেটে গেছে।
আমার শশুর, শাশুরী এবং আমার স্বামীকেও মারধর করেছে তারা। এছাড়াও আমার গলার ১০ আনা স্বর্নের চেইন ও আমার শশুরের পকেটে ৩২ হাজার ৩ শ টাকা ছিনিয়ে নেই তারা।
এ বিষয়ে জানতে এস ডিওর নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম আজাদকে মুঠো ফোনে ফোন দিলে তিনি আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি এখন ব্যস্ত আছি, পরে এসে আপনার সাথে দেখা করে কথা বলব বলে ফোনের লাইন টি কেটে দেন
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রাজশাহীর গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিনকে বলেন, আমরা তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব ।











