০৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মনোহরদীতে অর্থনৈতিক শুমারিতে অনিয়মের অভিযোগ

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৯:১৭:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৪৭ Time View
blank
blank

জেলা প্রতিনিধি,নরসিংদীঃ

নরসিংদীর মনোহরদীতে অর্থনৈতিক শুমারীতে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সারা বাংলাদেশের অন্যান্য উপজেলার ন্যায় নরসিংদির মনোহরদীতেও শুরু হয়েছে বাংলাদেশ পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন  অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ এর কার্যক্রম। ৫ ডিসেম্বর হতে এর প্রথম ধাপ অর্থাৎ প্রশিক্ষণ চলে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত।  এতে মোট ৪ দিন প্রশিক্ষণ দেয়া হয় লিস্টিং কারী ও সুপারভাইজারগণকে। প্রশিক্ষণ শেষে আগামী ১০ ডিসেম্বর হতে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাঠ পর্যায়ে কাজ চলমান থাকবে । মনোহরদী উপজেলাকে মোট চারটি জোনে বিভক্ত করে এ প্রশিক্ষণটি পরিচালিত  হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,জোনাল অফিসার মনোহরদী উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা,আফরিনা আক্তারের অধীনে মনোহরদী পৌরসভা ও চালাকচর ইউনিয়ন। পরিসংখ্যান কর্মকর্তা,মো: সাইদুর রহমান এর অধীনে লেবুতলা,খিদিরপুর, চরমান্দালিয়া,চন্দনবাড়ী এ চারটি ইউনিয়ন। পরিসংখ্যান কর্মকর্তা,গোলাপ মিয়ার অধীনে শুকুন্দি, গোতাশিয়া,একদুয়ারিয়া, দৌলতপুর ইউনিয়ন। আনসার বাহিনীর উপজেলা প্রশিক্ষক,জুয়েল মিয়ার অধীনে কৃষ্ণপুর,বড়চাপা,কাচিকাটা ইউনিয়নে প্রশিক্ষণ নেন প্রশিক্ষণার্থীরা।এই চারটি জোনের মধ্যে একটা জোনে উপস্থিতি  সংখ্যা একেবারেই নগণ্য বলে জানা যায়। আর তা হচ্ছে

শুকুন্দী-একদুয়ারিয়া+গোতাশিয়া-দৌলতপুর ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত জোনের সেন্টার। সে সেন্টারের জোনাল অফিসার  গোলাপ মিয়া।সেখানে  ট্রেনিং দেওয়ার কথা ৭৪ জন অথচ তদন্তকালীন সময়  অনুপস্থিত পাওয়া যায় ২৪ জন,কাচিকাটা+বড়চাপা+কৃষ্ণপুর ট্রেনিং সেন্টারে অনুপস্থিত ২ জন,চন্দনবাড়ী+খিদিরপুর+চরমান্দালীয়া অনুপস্থিত পাওয়া যায়নি।  পৌরসভা+ চালাকচর সেন্টারে ২ জন অনুপস্থিত পাওয়া গেছে। কিন্তু দায়িত্বরত কর্মকর্তাগণ সকলকে উপস্থিত দেখিয়ে সরকারী তহবিল থেকে খাবার টাকা  উত্তোলন করে তা আত্মসাৎ করেছে এবং বেতনের টাকাতেও কারচুপির  অপচেষ্টা করছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে মনোহরদী উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও যায় যায় দিন পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি তাজুল ইসলাম বাদলের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল প্রশিক্ষণ পরিদর্শন করতে গিয়ে প্রশিক্ষণ সেন্টারে সঠিক উপস্থিতি না পেয়ে কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা সাংবাদিকদের সাথে তর্কে জড়ান এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন ধরনের হুমকী-ধমকী প্রদান করেন।

এমতাবস্থায় এ সকল অনিয়মকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মনোহরদী উপজেলা প্রেসক্লাব নির্বাহী অফিসারের সু-দৃষ্টি কামনা করছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

মনোহরদীতে অর্থনৈতিক শুমারিতে অনিয়মের অভিযোগ

Update Time : ০৯:১৭:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৪
blank
blank

জেলা প্রতিনিধি,নরসিংদীঃ

নরসিংদীর মনোহরদীতে অর্থনৈতিক শুমারীতে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সারা বাংলাদেশের অন্যান্য উপজেলার ন্যায় নরসিংদির মনোহরদীতেও শুরু হয়েছে বাংলাদেশ পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন  অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ এর কার্যক্রম। ৫ ডিসেম্বর হতে এর প্রথম ধাপ অর্থাৎ প্রশিক্ষণ চলে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত।  এতে মোট ৪ দিন প্রশিক্ষণ দেয়া হয় লিস্টিং কারী ও সুপারভাইজারগণকে। প্রশিক্ষণ শেষে আগামী ১০ ডিসেম্বর হতে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাঠ পর্যায়ে কাজ চলমান থাকবে । মনোহরদী উপজেলাকে মোট চারটি জোনে বিভক্ত করে এ প্রশিক্ষণটি পরিচালিত  হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়,জোনাল অফিসার মনোহরদী উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা,আফরিনা আক্তারের অধীনে মনোহরদী পৌরসভা ও চালাকচর ইউনিয়ন। পরিসংখ্যান কর্মকর্তা,মো: সাইদুর রহমান এর অধীনে লেবুতলা,খিদিরপুর, চরমান্দালিয়া,চন্দনবাড়ী এ চারটি ইউনিয়ন। পরিসংখ্যান কর্মকর্তা,গোলাপ মিয়ার অধীনে শুকুন্দি, গোতাশিয়া,একদুয়ারিয়া, দৌলতপুর ইউনিয়ন। আনসার বাহিনীর উপজেলা প্রশিক্ষক,জুয়েল মিয়ার অধীনে কৃষ্ণপুর,বড়চাপা,কাচিকাটা ইউনিয়নে প্রশিক্ষণ নেন প্রশিক্ষণার্থীরা।এই চারটি জোনের মধ্যে একটা জোনে উপস্থিতি  সংখ্যা একেবারেই নগণ্য বলে জানা যায়। আর তা হচ্ছে

শুকুন্দী-একদুয়ারিয়া+গোতাশিয়া-দৌলতপুর ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত জোনের সেন্টার। সে সেন্টারের জোনাল অফিসার  গোলাপ মিয়া।সেখানে  ট্রেনিং দেওয়ার কথা ৭৪ জন অথচ তদন্তকালীন সময়  অনুপস্থিত পাওয়া যায় ২৪ জন,কাচিকাটা+বড়চাপা+কৃষ্ণপুর ট্রেনিং সেন্টারে অনুপস্থিত ২ জন,চন্দনবাড়ী+খিদিরপুর+চরমান্দালীয়া অনুপস্থিত পাওয়া যায়নি।  পৌরসভা+ চালাকচর সেন্টারে ২ জন অনুপস্থিত পাওয়া গেছে। কিন্তু দায়িত্বরত কর্মকর্তাগণ সকলকে উপস্থিত দেখিয়ে সরকারী তহবিল থেকে খাবার টাকা  উত্তোলন করে তা আত্মসাৎ করেছে এবং বেতনের টাকাতেও কারচুপির  অপচেষ্টা করছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে মনোহরদী উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও যায় যায় দিন পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি তাজুল ইসলাম বাদলের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল প্রশিক্ষণ পরিদর্শন করতে গিয়ে প্রশিক্ষণ সেন্টারে সঠিক উপস্থিতি না পেয়ে কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা সাংবাদিকদের সাথে তর্কে জড়ান এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন ধরনের হুমকী-ধমকী প্রদান করেন।

এমতাবস্থায় এ সকল অনিয়মকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মনোহরদী উপজেলা প্রেসক্লাব নির্বাহী অফিসারের সু-দৃষ্টি কামনা করছে।