০২:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুর পৌর শহরে যানজট প্রতিদিনের নিত্যসঙ্গী

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৮:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৫২ Time View
blank
blank

রনি হোসেন, কেশবপুর

যশোরের কেশবপুর শহরের ফুটপাত দখল করে ব্যাবসা এবং ইজিবাইক, মহেন্দ্র, ভ্যান ও মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড গড়ে উঠায় সকাল-সন্ধ্যা যানজট প্রতিদিনের নিত্যসঙ্গী। দীর্ঘ যানজটে প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। শুধু যানবাহনই নয়, গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে এখন সাধারণ মানুষের হেঁটে চলাই কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় ত্রিমোহিনী মোড় থেকে হাসপাতাল সড়কের ওপর যানজট দীর্ঘস্থায়ী থাকে। যার কারণে হাসপাতালে আগত জরুরি রোগীদের আনা নেয়ায় ভোগান্তি পোহাতে হয় হরহামেশা। পাশের মনিরামপুর ও কলারোয়া উপজেলার সংযোগ সড়ক হওয়া প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ কেশবপুরের ওপর দিয়ে যশোর খুলনায় যাতায়াত করে থাকেন। এই যাতায়াতকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল সড়কের পরিবেশ মুখে গড়ে উঠেছে ইজিবাইক, মহেন্দ্র ও মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড। রাস্তার দুই ধার দিয়ে ইজিবাইক ও মহেন্দ্র দাঁড় করিয়ে রাখায় রাস্তা বন্ধ হয়ে সাধারণ যানবাহন চলাচলে বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। আর এই যানজট কখনো এক কিলোমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পৌর সভা থেকে ট্রাফিকের ব্যবস্থা করলেও কার্যকর কোন ভূমিকা রাখতে পারেনি। উপজেলা পরিষদের আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় কমিটির সভায় কেশবপুরের যানজট নিয়ে একাধিকবার আলোচনা হলেও স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারি কমিশনার ভূমির অসহযোগিতার কারণে এই যানজট নিরসন সম্ভব হয়নি বলে একাধিক সুধীমহল অভিযোগ করেন। কেশবপুর মেইন রোডের পাশেই কেশবপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের অবস্থান। স্কুলের ছাত্রীদের স্কুলে প্রবেশেও ঝামেলা পোহাতে হয়। মেইন রাস্তার ওপর মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অর্ধশত মোটরসাইকেল লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে যা যানজটের এই একটা বড় কারণ।

অপরদিকে কেশবপুর মধু সড়ক থেকে মাছ বাজারে প্রবেশের রাস্তাটির পাশে যে ড্রেনের ওপর ফুটপাত নির্মাণ করা হয়েছে সেই ফুটপাত দখল করে তার ওপরে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা চলমান রয়েছে যে কারণে বাজারে প্রবেশে এবং বাইরে যেতে ও মাছ পরিবহন করতে ব্যবসায়ীদের কষ্টের সীমা থাকেনা। বাজারে আগত ক্রেতা বিক্রেতাদের পরিধানের জামা কাপড় পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যায়। অন্য দিকে সড়কের উপরে ইজিবাইক নসিমন স্ট্যান্ডকে কেন্দ্র করে মার্কেট মালিকদের সাথে স্থায়ী ব্যবসায়ীদের সাথে প্রায় ঝগড়ার ও হাতাহাতি পর্যন্ত গড়ায়।

শহরের অমিত হাসান স্টোরের মালিক মুকুল হোসেন অভিযোগ করে জানান, সামনে রাস্তা বন্ধ করে ইজিবাইক রাখাকে কেন্দ্র করে প্রায়ই তর্কে জড়াতে হয়।

একই অভিযোগ করেন শহরের বংশি বাদান সাহার প্রোপাইটার বিধান সাহা তিনি বলেন, অনেক বলার পরেও মহেন্দ্র চালকরা জোর করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের রাস্তা বন্ধ করে তারা গাড়ি রেখে যানজটের সৃষ্টি করে।

এ বিষয়ে কেশবপুরের নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেন জানান, বিষয়টি শুনেছি সমাধানের চেষ্টা করবো।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

কেশবপুর পৌর শহরে যানজট প্রতিদিনের নিত্যসঙ্গী

Update Time : ০২:৩৮:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৪
blank
blank

রনি হোসেন, কেশবপুর

যশোরের কেশবপুর শহরের ফুটপাত দখল করে ব্যাবসা এবং ইজিবাইক, মহেন্দ্র, ভ্যান ও মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড গড়ে উঠায় সকাল-সন্ধ্যা যানজট প্রতিদিনের নিত্যসঙ্গী। দীর্ঘ যানজটে প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। শুধু যানবাহনই নয়, গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে এখন সাধারণ মানুষের হেঁটে চলাই কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় ত্রিমোহিনী মোড় থেকে হাসপাতাল সড়কের ওপর যানজট দীর্ঘস্থায়ী থাকে। যার কারণে হাসপাতালে আগত জরুরি রোগীদের আনা নেয়ায় ভোগান্তি পোহাতে হয় হরহামেশা। পাশের মনিরামপুর ও কলারোয়া উপজেলার সংযোগ সড়ক হওয়া প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ কেশবপুরের ওপর দিয়ে যশোর খুলনায় যাতায়াত করে থাকেন। এই যাতায়াতকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল সড়কের পরিবেশ মুখে গড়ে উঠেছে ইজিবাইক, মহেন্দ্র ও মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড। রাস্তার দুই ধার দিয়ে ইজিবাইক ও মহেন্দ্র দাঁড় করিয়ে রাখায় রাস্তা বন্ধ হয়ে সাধারণ যানবাহন চলাচলে বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। আর এই যানজট কখনো এক কিলোমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পৌর সভা থেকে ট্রাফিকের ব্যবস্থা করলেও কার্যকর কোন ভূমিকা রাখতে পারেনি। উপজেলা পরিষদের আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় কমিটির সভায় কেশবপুরের যানজট নিয়ে একাধিকবার আলোচনা হলেও স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারি কমিশনার ভূমির অসহযোগিতার কারণে এই যানজট নিরসন সম্ভব হয়নি বলে একাধিক সুধীমহল অভিযোগ করেন। কেশবপুর মেইন রোডের পাশেই কেশবপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের অবস্থান। স্কুলের ছাত্রীদের স্কুলে প্রবেশেও ঝামেলা পোহাতে হয়। মেইন রাস্তার ওপর মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অর্ধশত মোটরসাইকেল লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে যা যানজটের এই একটা বড় কারণ।

অপরদিকে কেশবপুর মধু সড়ক থেকে মাছ বাজারে প্রবেশের রাস্তাটির পাশে যে ড্রেনের ওপর ফুটপাত নির্মাণ করা হয়েছে সেই ফুটপাত দখল করে তার ওপরে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা চলমান রয়েছে যে কারণে বাজারে প্রবেশে এবং বাইরে যেতে ও মাছ পরিবহন করতে ব্যবসায়ীদের কষ্টের সীমা থাকেনা। বাজারে আগত ক্রেতা বিক্রেতাদের পরিধানের জামা কাপড় পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যায়। অন্য দিকে সড়কের উপরে ইজিবাইক নসিমন স্ট্যান্ডকে কেন্দ্র করে মার্কেট মালিকদের সাথে স্থায়ী ব্যবসায়ীদের সাথে প্রায় ঝগড়ার ও হাতাহাতি পর্যন্ত গড়ায়।

শহরের অমিত হাসান স্টোরের মালিক মুকুল হোসেন অভিযোগ করে জানান, সামনে রাস্তা বন্ধ করে ইজিবাইক রাখাকে কেন্দ্র করে প্রায়ই তর্কে জড়াতে হয়।

একই অভিযোগ করেন শহরের বংশি বাদান সাহার প্রোপাইটার বিধান সাহা তিনি বলেন, অনেক বলার পরেও মহেন্দ্র চালকরা জোর করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের রাস্তা বন্ধ করে তারা গাড়ি রেখে যানজটের সৃষ্টি করে।

এ বিষয়ে কেশবপুরের নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেন জানান, বিষয়টি শুনেছি সমাধানের চেষ্টা করবো।