১০:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা

  • blank Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪
  • ৪৬ Time View
blank
blank

মিজানুর রহমান মিলন, শেরপুর প্রতিনিধি:

শীতের আগমনী বার্তায় শেরপুরে লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কারিগররা। ঋতু পরিবর্তনে অনুভূত হচ্ছে শীতের আমেজ। ভোরে কুয়াশা জমে থাকছে ঘাস আর লতাপাতায়। সন্ধ্যা নামতেই শরীরে শীতের ছোঁয়া। দিনে কিছুটা গরম থাকলেও রাতের শেষভাগে বইছে শীতের হাওয়া।

তাই শীত নিবারণের জন্য লেপ তোষক বানাতে ক্রেতারাও ভিড় করছে দোকানগুলোতে। অনেকেই আবার পুরোনো লেপ-তোশক মেরামত করার অর্ডার দিচ্ছেন।

শীতের আগমনি বার্তায় প্রতিটি পরিবারে শীত মোকাবেলায় লেপ তোষকের চাহিদা বেড়ে যায়। শীত মৌসুমে গ্রাম অঞ্চলে বিয়ের ধুম পড়ে যায়। গ্রাম্য সংস্কৃতি অনুযায়ী নতুন কনের সাথে লেপ, তোষক, জাজিম, বালিশ, কোল বালিশসহ বিভিন্ন সামগ্রী উপহার হিসেবে দেওয়ার রেওয়াজও রয়েছে। যার ফলে সব মিলিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই কারিগররা।

২৩ নভেম্বর শনিবার সকালে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সদর উপজেলার বাজিতখিলা বাজারে লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা।

বাজিতখিলা বাজারে লেপ- তোষক দোকানের মালিক হালিম মিয়া বলেন, সারা বছরই টুকিটাকি বেচা-কেনা হয়। তবে শীত মৌসুমের শুরু থেকে দোকানে কাজের চাপ বাড়ে। এখন লেপ তোষক তৈরির অর্ডারও বেশি। প্রতিদিনই নতুন নতুন অর্ডার আসছে। তা ছাড়া তৈরি করা লেপ তোষক কিনতেও প্রতিদিন দোকানে আসছেন ক্রেতারা। কাপড়, তুলার মান ও পরিমাণের ওপর নির্ভর করে লেপ-তোষক তৈরির খরচ।

বর্তমানে বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় সব জিনিসিপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় লেপ তোশক তৈরির সামগ্রীর দামও বেড়েছে। তবে এখানে লেপ- তোষক, জামিম, বাশিল, কোল বালিশসহ বিভিন্ন সামগ্রী সল্পমূল্যেই বিক্রি করা হয় বলে জানান তিনি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
blank

blank

আহত পত্রিকা বিক্রেতা বুলবুলের পাশে তানোর প্রেসক্লাব

শেরপুরে লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা

Update Time : ০৮:২১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪
blank
blank

মিজানুর রহমান মিলন, শেরপুর প্রতিনিধি:

শীতের আগমনী বার্তায় শেরপুরে লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কারিগররা। ঋতু পরিবর্তনে অনুভূত হচ্ছে শীতের আমেজ। ভোরে কুয়াশা জমে থাকছে ঘাস আর লতাপাতায়। সন্ধ্যা নামতেই শরীরে শীতের ছোঁয়া। দিনে কিছুটা গরম থাকলেও রাতের শেষভাগে বইছে শীতের হাওয়া।

তাই শীত নিবারণের জন্য লেপ তোষক বানাতে ক্রেতারাও ভিড় করছে দোকানগুলোতে। অনেকেই আবার পুরোনো লেপ-তোশক মেরামত করার অর্ডার দিচ্ছেন।

শীতের আগমনি বার্তায় প্রতিটি পরিবারে শীত মোকাবেলায় লেপ তোষকের চাহিদা বেড়ে যায়। শীত মৌসুমে গ্রাম অঞ্চলে বিয়ের ধুম পড়ে যায়। গ্রাম্য সংস্কৃতি অনুযায়ী নতুন কনের সাথে লেপ, তোষক, জাজিম, বালিশ, কোল বালিশসহ বিভিন্ন সামগ্রী উপহার হিসেবে দেওয়ার রেওয়াজও রয়েছে। যার ফলে সব মিলিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই কারিগররা।

২৩ নভেম্বর শনিবার সকালে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সদর উপজেলার বাজিতখিলা বাজারে লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা।

বাজিতখিলা বাজারে লেপ- তোষক দোকানের মালিক হালিম মিয়া বলেন, সারা বছরই টুকিটাকি বেচা-কেনা হয়। তবে শীত মৌসুমের শুরু থেকে দোকানে কাজের চাপ বাড়ে। এখন লেপ তোষক তৈরির অর্ডারও বেশি। প্রতিদিনই নতুন নতুন অর্ডার আসছে। তা ছাড়া তৈরি করা লেপ তোষক কিনতেও প্রতিদিন দোকানে আসছেন ক্রেতারা। কাপড়, তুলার মান ও পরিমাণের ওপর নির্ভর করে লেপ-তোষক তৈরির খরচ।

বর্তমানে বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় সব জিনিসিপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় লেপ তোশক তৈরির সামগ্রীর দামও বেড়েছে। তবে এখানে লেপ- তোষক, জামিম, বাশিল, কোল বালিশসহ বিভিন্ন সামগ্রী সল্পমূল্যেই বিক্রি করা হয় বলে জানান তিনি।